Money Making Tips: জঙ্গলমহলের মানুষজন খুঁজে পেলেন আয়ের নয়া দিশা! শালপাতা দিয়ে বানাচ্ছেন থালা-বাটি, লক্ষ্মীলাভ হচ্ছে ভালই
- Reported by:Nilanjan Banerjee
- hyperlocal
- Published by:Sneha Paul
Last Updated:
Money Making Tips: মহিলা ও পুরুষরা বাড়ির কাছেই কাজ ও স্থায়ী আয়ের সুযোগ পাচ্ছেন। পরিবেশবান্ধব এই উদ্যোগে যেমন কর্মসংস্থান বাড়ছে তেমনই বদলাচ্ছে জঙ্গলমহলের জীবনের ছবিও।
বাঁকুড়া, নীলাঞ্জন বন্দ্যোপাধ্যায়ঃ জঙ্গলমহলের অন্যতম প্রাকৃতিক সম্পদ শালপাতাকে কাজে লাগিয়ে স্বনির্ভরতার পথে এগিয়ে চলেছেন বাঁকুড়ার আদিবাসী অধ্যুষিত এলাকার মানুষজন। ২০২৬ সালের গঙ্গাসাগর মেলায় শালপাতার থালা ও বাটি সরবরাহের জন্য বড় বরাত পেয়েছে বাঁকুড়া জেলার রাইপুর ব্লকের ডিআরএমএস ল্যাম্পস এবং সারেঙ্গা ব্লকের সিএনজিএস ল্যাম্পস। রাজ্যের পরিবেশ দফতরের নির্দেশে এই দু’টি ল্যাম্পসকে পরিবেশবান্ধব সামগ্রী সরবরাহের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।
চলতি বছরে গঙ্গাসাগর মেলায় প্রায় ২ লক্ষ শালপাতার থালা ও ৪ লক্ষ বাটি সরবরাহ করা হবে, যার আর্থিক মূল্য প্রায় ৮ লক্ষ টাকা। ল্যাম্পস সূত্রে জানা গিয়েছে, ইতিমধ্যেই থালা ও বাটি তৈরির কাজ সম্পন্ন হয়েছে এবং মঙ্গলবার গাড়িতে করে সেই সামগ্রী গঙ্গাসাগর–বকখালি উন্নয়ন পর্ষদের কাছে পাঠানো হচ্ছে।
আরও পড়ুনঃ বন্যপ্রাণ পাচারের বিরুদ্ধে বজ্রনিনাদ! খাতড়া থেকে মুকুটমণিপুর অবধি বিশাল সচেতনতা র্যালি, জঙ্গলমহলের বুকে বিশেষ কর্মসূচি
উল্লেখ্য, পশ্চিমবঙ্গ সরকারের পরিবেশ দফতরের আর্থিক সহায়তায় এবং আদিবাসী উন্নয়ন দফতরের সহযোগিতায় রাইপুর ও সারেঙ্গা ব্লকে শালপাতার থালা ও বাটি তৈরির ইউনিট চালু করা হয়েছে। এই ইউনিটগুলিতে এলাকার আদিবাসী স্বনির্ভর গোষ্ঠীর মহিলা ও পুরুষরা নিয়মিত কাজ করছেন, ফলে তাঁদের বাড়তি আয়ের সুযোগ তৈরি হয়েছে।
advertisement
advertisement
রাইপুর ব্লকের সোনাগাড়া পঞ্চায়েতের ঝারিয়াকোচা পারসিমালা মহিলা স্বনির্ভর গোষ্ঠীর সদস্য অর্চনা মুর্মু বলেন, আগে শালপাতা বিক্রি করতে নানা সমস্যায় পড়তে হত। এখন জঙ্গল থেকে শালপাতা সংগ্রহ করে তা শুকিয়ে ল্যাম্পস-এর কাছে বিক্রি করা যায়, ফলে সংসারের খরচ চালাতে সুবিধা হচ্ছে। একই অভিজ্ঞতার কথা জানিয়েছেন সারেঙ্গা ব্লকের ঝারনা মহিলা স্বনির্ভর গোষ্ঠীর জবা মাণ্ডি এবং রাইপুর ব্লকের রাওতোড়া শিশির জালি গোষ্ঠীর সদস্য কাপুরমনি মুর্মু। তাঁরা জানান, থালা ও বাটি তৈরির সব কাজ নিজেরাই করেন এবং বড় বরাত পাওয়ায় কাজ ও আয় দু’টোই বেড়েছে।
advertisement
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
ডিআরএমএস ল্যাম্পসের ম্যানেজার চন্দন চৌধুরী জানান, বর্তমানে রাইপুর ব্লকের প্রায় ১৫০টি আদিবাসী পরিবার এই প্রকল্পের মাধ্যমে উপকৃত হচ্ছেন। অন্যদিকে, সিএনজিএস ল্যাম্পসের ম্যানেজার দুর্গাপ্রসাদ মাণ্ডি বলেন, সারেঙ্গা ব্লকের প্রায় ২০টি স্বনির্ভর গোষ্ঠীর অন্তর্ভুক্ত প্রায় ৮০টি পরিবার এই উদ্যোগের সঙ্গে যুক্ত। গঙ্গাসাগর মেলার মতো বড় সরকারি বরাত ভবিষ্যতেও মিললে জঙ্গলমহলে কর্মসংস্থান বাড়বে এবং আদিবাসী মানুষজন নিজেদের এলাকাতেই কাজ করে স্বনির্ভর হয়ে উঠতে পারবেন বলে আশাবাদী সংশ্লিষ্টরা।
কলকাতা এবং পশ্চিমবঙ্গের সব লেটেস্ট ব্রেকিং নিউজ পাবেন নিউজ 18 বাংলায় ৷ থাকছে দক্ষিণবঙ্গ এবং উত্তরবঙ্গের খবরও ৷ দেখুন ব্রেকিং নিউজ এবং সব গুরুত্বপূর্ণ খবর নিউজ 18 বাংলার লাইভ টিভিতে ৷ এর পাশাপাশি সব খবরের আপডেট পেতে ডাউনলোড করতে পারেন নিউজ 18 বাংলার অ্যাপ ৷ News18 Bangla-কে গুগলে ফলো করতে ক্লিক করুন এখানে ৷
Location :
Bankura,Bankura,West Bengal
First Published :
Jan 07, 2026 5:53 PM IST
বাংলা খবর/ খবর/দক্ষিণবঙ্গ/
Money Making Tips: জঙ্গলমহলের মানুষজন খুঁজে পেলেন আয়ের নয়া দিশা! শালপাতা দিয়ে বানাচ্ছেন থালা-বাটি, লক্ষ্মীলাভ হচ্ছে ভালই






