corona virus btn
corona virus btn
Loading

পূর্ব বর্ধমানের কোয়ারেন্টাইন সেন্টারে মিলছে বাড়ির খাবার !

পূর্ব বর্ধমানের কোয়ারেন্টাইন সেন্টারে মিলছে বাড়ির খাবার !

মহারাষ্ট্র, দিল্লি, গুজরাট, মধ্যপ্রদেশ, তামিলনাড়ু থেকে যারা আসছেন তাদের বিশেষভাবে চিহ্নিত করা হচ্ছে।

  • Share this:

#বর্ধমান: করোনা আক্রান্ত পাঁচ রাজ্য থেকে আসা পরিযায়ী শ্রমিকদের থাকতেই হবে কোয়ারেন্টাইন সেন্টারে। তবে ইচ্ছা করলে তারা থাকতে পারবেন বাড়ির কাছের কোয়ারেন্টাইন সেন্টারে। খেতে পাবেন বাড়ির খাবার। এমনটাই জানিয়েছে পূর্ব বর্ধমান জেলা প্রশাসন। জেলা প্রশাসনের এক আধিকারিক জানান, 'বাইরের রাজ্য থেকে জেলায় ফিরে অনেকেই আর জেলা সদর বা বাড়ি থেকে অনেক দূরের কোয়ারেন্টাইন সেন্টারে থাকতে চাইছেন না। বাড়ির লোকেদের সঙ্গে অনেকদিন দেখা হয়নি। অনেকেরই এই বিপদের দিনে বাড়ির লোকেদের দেখা পেতে তর সইছে না। তাই তাদের কথা মাথায় রেখেই বাড়ির কাছের স্কুলে কোয়ারেন্টাইন সেন্টার করা হয়েছে।' সেখানেই আপাতত থাকতে হচ্ছে বাইরের রাজ্য থেকে আসা বাসিন্দাদের। ইচ্ছে হলে তারা বাড়ির খাবার খেতে পারবেন।

পূর্ব বর্ধমানের জেলাশাসক বিজয় ভারতী জানান, ব্যাপকভাবে করোনা আক্রান্ত পাঁচ রাজ্য থেকে যারা আসছেন তাদেরকে বাড়ির কাছের কোয়ারেন্টাইন সেন্টারে রাখা হচ্ছে। সেখানে তারা বাড়ির খাবার খেতে পারবেন। বাড়ির সদস্যরা পাত্রে খাবার নিয়ে আসতে পারবেন। স্কুলের গেটে তারা খাবার পৌঁছে দিলে দূরত্ব বজায় রেখে সেই খাবার সংগ্রহ করতে পারবেন কোয়ারান্টাইন সেন্টারে থাকা ব্যক্তি। তবে কোয়ারেন্টাইন সেন্টারে থাকার মেয়াদ শেষ না হওয়া পর্যন্ত তিনি বাড়ি ফিরতে পারবেন না।

জেলা স্বাস্থ্য দপ্তর সূত্রে জানা গিয়েছে, মহারাষ্ট্র, দিল্লি, গুজরাট, মধ্যপ্রদেশ, তামিলনাড়ু থেকে যারা আসছেন তাদের বিশেষভাবে চিহ্নিত করা হচ্ছে। তাদের কোয়ারেন্টাইন সেন্টারে রাখা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। তার বাইরে যেসব রাজ্য থেকে বাসিন্দারা আসছেন তাদের ক্ষেত্রে কড়াকড়ি কিছুটা শিথিল রয়েছে। সে ক্ষেত্রে তাদের শারীরিক পরীক্ষায় কোনও সমস্যা না পাওয়া গেলে বা তাদের মধ্যে করোনার কোনও উপসর্গ না পাওয়া গেলে তাদের হোম কোয়ারেন্টাইনে থাকার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। তবে তাদের মধ্যে কারো শরীরে তাপমাত্রা থাকলে বা করোনার উপসর্গ থাকলে তাদের কোয়ারেন্টাইন সেন্টারে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে।

জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, জেলা সদরে একটি কোয়ারেন্টাইন সেন্টার ছাড়াও প্রতিটি ব্লকেই একটি করে কোয়ারেন্টাইন সেন্টার আগে থাকতেই খোলা হয়েছিল। এরপর অনেক স্কুল কলেজ নেওয়া হয়েছে। সেগুলোকেই আপাতত কোয়ারেন্টাইন সেন্টার হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে। প্রথমে ৭ জুন পর্যন্ত স্কুলগুলি ব্যবহার করা যাবে বলে জানানো হয়েছিল। তবে জুন মাসে স্কুল খুলবে না বলে সরকার ইতিমধ্যেই ঘোষণা করায় কোয়ারেন্টাইন সেন্টারের জন্য আরও বেশি দিন স্কুলের পরিকাঠামো ব্যবহার করা যাবে বলে মনে করছে জেলা প্রশাসন।

Saradindu Ghosh

Published by: Ananya Chakraborty
First published: May 30, 2020, 3:56 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर