Nandigram: 'ভোটারদের ভয় দেখাতে নাটক করছেন', মমতাকে পাল্টা আক্রমণ শুভেন্দুর

Nandigram: 'ভোটারদের ভয় দেখাতে নাটক করছেন', মমতাকে পাল্টা আক্রমণ শুভেন্দুর

মমতাকে আক্রমণ শুভেন্দুর৷

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপস্থিতিকে কেন্দ্র করে যখন বয়ালের বুথের চারপাশে অগ্নিগর্ভ পরিস্থিতি তৈরি হয়, তখন কয়েক কিলোমিটার দূরে নিজের ভাড়া বাড়ির অফিসেই বসে খোঁজখবর রাখছিলেন শুভেন্দু অধিকারী৷

  • Share this:

#নন্দীগ্রাম: সকাল থেকে তিনি এক এলাকা থেকে অন্য এলাকায় ঘুরেছেন৷ তিনি যখন বেলা একটা নাগাদ মধ্যাহ্নভোজের জন্য নন্দনায়েকবাড়ের ভাড়া বাড়িতে ঢুকলেন, তার কিছুক্ষণ পর রেয়াপাড়ার ভাড়া বাড়ি থেকে বেরোলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়৷ আর তিনি বয়াল এলাকায় পৌঁছতেই অগ্নিগর্ভ হয়ে ওঠে সেখানকার পরিস্থিতি৷ নন্দীগ্রামের বিজেপি প্রার্থী শুভেন্দু অধিকারীর অবশ্য কটাক্ষ, নিশ্চিত হার বুঝেই এসব করছেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী৷

বয়ালের ঘটনা নিয়ে শুভেন্দু অধিকারীর কটাক্ষ, 'সাড়ে তিনশো বুথের মধ্যে একটা বুথে গিয়ে বসে আছেন৷ প্রার্থীরা বুথে বুথে ঘোরেন, অফিসে বসে খবর নেন৷ উনি একটা বুথেই বসে থাকলেন কেন? ভোটারদের ভয় দেখিয়ে নাটক করলেন৷ যখন উনি ওই বুথে পৌঁছলেন তখনও ৪৩ জন ভোটার লাইনে ছিলেন৷' বয়ালের ওই বুথে গিয়ে ছাপ্পাভোটের অভিযোগ তোলেন মুখ্যমন্ত্রী৷ সেই অভিযোগ খারিজ করে দিয়ে শুভেন্দু বলেন, 'আমিও তো ঘুরছি৷ নির্বাচন কমিশনের উচিত ছিল পাঁচ মিনিটের মধ্যে ওনাকে ওখান থেকে বের করে দেওয়া৷ অভিযোগ জানানোর তো পদ্ধতি আছে৷ ওনার যে ই মেল করার লোকও নেই, অফিস নেই, এত দুরবস্থা আমি জানতাম না৷ এবারে যে পদ্ধতিতে ভোট হয়েছে তাতে ছাপ্পা ভোটের সুযোগ আছে বলে আমি মনে করি না৷ এ সব বলে উনি নন্দীগ্রামের ভোটারদের অপমান করছেন৷ '

তৃণমূলনেত্রীকে তাঁর আরও কটাক্ষ, 'সকাল ৬টা থেকে মক পোলিং শুরু হয়েছে৷ ৭টা থেকে ভোট গ্রহণ চলছে৷ আর উনি বিকেল বেলা ঘুরতে বেরিয়েছেন৷ এবার আপনারাই বুঝে নিন৷ জয় শ্রীরাম হয়ে গিয়েছে৷'

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপস্থিতিকে কেন্দ্র করে যখন বয়ালের বুথের চারপাশে অগ্নিগর্ভ পরিস্থিতি তৈরি হয়, তখন কয়েক কিলোমিটার দূরে নিজের ভাড়া বাড়ির অফিসেই বসে খোঁজখবর রাখছিলেন শুভেন্দু অধিকারী৷ বিজেপি প্রার্থী অবশ্য সকাল থেকেই দাবি করেছেন, ভোট শান্তিপূর্ণই হয়েছে৷ কেন্দ্রীয় বাহিনীর ভূমিকাতেও সন্তোষ প্রকাশ করেন তিনি৷ শুভেন্দুর আরও দাবি, ভোটদানের হার বেশি থাকার অর্থ তাঁর জয় নিশ্চিত৷

Published by:Debamoy Ghosh
First published:

লেটেস্ট খবর