নন্দীগ্রামের পথে মমতা, কর্মীদের অক্সিজেন দিতে প্রথম ডেস্টিনেশান বয়াল

নন্দীগ্রামের পথে মমতা, কর্মীদের অক্সিজেন দিতে প্রথম ডেস্টিনেশান বয়াল

বাড়ি থেকে বেরোলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ছবি-ANI

ভোট পরিস্থিতি সরেজমিনে খতিয়ে দেখতে নিজেই বেরোলেন মমতা।

  • Share this:

    #নন্দীগ্রাম: নন্দীগ্রামের রেয়াপাড়ার বাড়ি থেকে বেরোলেন মমতা বন্দ্য়োপাধ্যায়। সকাল থেকে বুথে বুথে ঘুরছেন তাঁর এজেন্ট শেখ সুফিয়ান-সহ অন্যান্য কর্মীরা। এবার ভোট পরিস্থিতি সরেজমিনে খতিয়ে দেখতে নিজেই বেরোলেন মমতা। সূত্রের খবর প্রথমেই বয়াল যাচ্ছেন তিনি। তারপর সোনাচূড়া, গোকুলনগরেও যেতে পারেন তিনি। সকাল থেকে এই এলাকাগুলির নানা বুথ থেকেই তৃণমূল কর্মীদের ভোটদানে বাধা দেওয়ার অভিযোগ আসছিল। বিশেষত বয়ালের ৬ এবং ৭ নং বুথে এজেন্ট বসতে দেওয়া হয়নি দীর্ঘক্ষণ। সেখানেই মমতা যাচ্ছেন কর্মীদর আত্মবিশ্বাস দিতে।

    ভোটে অনেকটা আগে থেকেই নন্দীগ্রামের এন্ট্রিপয়েন্ট রেয়াপাড়ার ঘাঁটি তৈরি তৈরি করেছেন রেয়াপাড়া। আগেই তিনি জানিয়ে দেন ভোটের দিন এখানেই থাকবেন, এমনকি বিকেলে কলকাতা যাওয়ার পরিকল্পনাও বাতিল করে দেন। তবে সকাল থেকে একদিকে শুভেন্দু অধিকারী যখন এলাকা চষছেন, তিনি রেয়াপাড়ার বাড়ি থেকে না বেরোনোয় বেশ কয়েকটি জল্পনা তৈরি হয়।

    রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকের একাংশ বলতে শুরু করে ভবানীপুরের প্রার্থী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় অতীতেও ভোটের দিন তেমন একটা রাস্তায় নামতেন না। ঘরে বসেই সব খোঁজ রাখতেন। তেমনই এবারেও হয়তো তিনি বেরোবেন না। প্রথমত তিনি রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী, দ্বিতীয়ত তিনি জয়ের বিষয়ে আত্মবিশ্বাসী। শুভেন্দু অধিকারী যখন হন্যে হয়ে ঘুরছেন তখন তাঁর এই না বেরোনোটাই আত্মবিশ্বাসেরই বার্তা দিতে পারে বলেও বলা হচ্ছিল।

    কিন্তু পরিস্থিতির দিকে নজর রেখেই নিজে‌র তৈরি করা নিয়মই আজ ভাঙলেন তিনি। সকাল থেকেই খোঁজ রাখছিলেন কোথায় কী চলছে। দফায় দফায় অভিযোগ আসতে শুরু করে। সকালে অন্তত ৮০টি জায়গায় পোলিং এজেন্ট ঢুকতে পারছিল না। বেলা গড়াতেই সেই সমস্যা মিটে যায়। কিন্তু অন্য দিকে বোমাবাজির অভিযোগ আসতে থাকে কালীচরণপুর, সোনাচূড়া থেকে।

    সবচেয়ে বেশি অভিযোগ আসে বয়াল অঞ্চল থেকে। কর্মীরাই তাঁকে জানান, বয়ালের অন্তর্গত ১৩, ১৪, ১৮,১৯,২০ নং বুথে তৃণমূল সমর্থকদের ঢুকতে দেওয়া হয়নি দীর্ঘক্ষণ।এমনকি গ্রামে ঢুকে ভোট দিতে না যাওয়ার হুমকিও দেওয়া হয় বলেও অভিযোগ ওঠে। বয়ালের ৬ নং বুথে শম্ভুনাথ প্রাইমারি হাইস্কুল ও ৭ নং বুথের মক্তব প্রাইমারি স্কুল দীর্ঘক্ষণ দখল করে নেওয়ার অভিযোগ ওঠে বিজেপির বিরুদ্ধে। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে অন্যান্য অঞ্চলে অশান্তি ক‌মলেও বয়াল অশান্তই থেকেছে। সম্ভবত সেই ঘটনার জেরেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তড়িঘড়ি রওনা হলেন খতিয়ে দেখতে।

    Published by:Arka Deb
    First published:

    লেটেস্ট খবর