Abhishek Rally: 'বাংলার প্রত্যেককে অমিত শাহ ৫ লক্ষ টাকা করে দিন, তৃণমূল নির্বাচনে লড়বে না', চ্যালেঞ্জ অভিষেকের

কেশপুরে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়

কেশপুরের সভা থেকে একের পর এক বাণে বিজেপিকে বিঁধলেন আজ অভিষেক। কার্যত পয়েন্ট করে বোঝাতে চাইলেন, বিজেপির তুলনায় তৃণমূল কী কী বিষয়ে এগিয়ে রয়েছে।

  • Share this:

    #মেদিনীপুর: বাংলার দরজায় কড়া নাড়ছে বিধানসভা ভোট। জয় নিশ্চিত করতে জোর কদমে চলছে প্রতিটি দলেরই প্রচার। বাংলায় ক্ষমতা তৈরি করতে একের পর এক সভা করছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। আজও গোসাবায় সভা করলেন অমিত শাহ। আর সেই সভাতেই নাকি বাজল তৃণমূলের খেলা হবে স্লোগান। দাবি করলেন তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়।

    কেশপুরের সভা থেকে একের পর এক বাণে বিজেপিকে বিঁধলেন আজ অভিষেক। কার্যত পয়েন্ট করে বোঝাতে চাইলেন, বিজেপির তুলনায় তৃণমূল কী কী বিষয়ে এগিয়ে রয়েছে। বিজেপির পাশাপাশি সিপিএমকেও এদিন আক্রমণ করেন অভিষেক। তিনি বলেন, "এই কেশপুর সিপিএমের শেষপুর হয়েছিল। বিজেপিরও শেষপুর হবে।" এদিন ফের মীরজাফর গদ্দার বলে তৃণমূল ছেড়ে যাওয়া নেতাদের আক্রমণ করেন তিনি।

    এরপরেই সরাসরি অমিত শাহকে কটাক্ষ করে অভিষেক বলেন, "আজ অমিত শাহ গোসাবায় বলেছেন সুন্দরবনকে জেলা করে ২ লক্ষ কোটি টাকা দেব। সুন্দরবন জেলা হলে বাংলায় ২৪টি জেলা হবে। তার মানে মোট ৫০ লক্ষ কোটি টাকা দেবে। বাংলার জনসংখ্যা ১০ কোটি। তার মানে প্রত্যেককে ৫ লক্ষ টাকা করে দেবে।"

    এর পরেই চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দেওয়ার ভঙ্গিতে বলেন, "আমি ক্যামেরার সামনে বলছি, বাংলার মানুষকে ৫ লক্ষ টাকা করে আপনি দিন। তৃণমূল কংগ্রেস নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবে না।"

    নেতাদের দলবদল নিয়েও অভিষেক এদিন বলেন, "থালা বাটি নিয়ে বসে আছে। কবে একটা করে নেতা বেরোবে আর প্রার্থী করবে। আর তৃণমূলের থেকে টুকলি করার চেষ্টা করছে। দিদি মা ক্যান্টিন করছে আর ওরা অন্নপূ্র্ণা ক্যান্টিন করছে ৫ টাকায়। লোকজন ভয় পাচ্ছে। তুলে নিয়ে গিয়ে হয়তো প্রার্থী করে দেবে।"

    অভিষেক তৃণমূলের প্রকল্পগুলির সঙ্গে বিজেপির আশ্বাসের তুলনা করে বোঝাতে চান যে তাঁর দলই এগিয়ে রয়েছে। জোর গলায় চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়ে বলেন, "ভারতে ৫০ শতাংশ বেকারত্ব বেড়েছে, বাংলায় ৪০ শতাংশ কমেছে। মিথ্যে বললে আমার বিরুদ্ধ আইনি ব্যবস্থা নিন।" অভিষেক দাবি করেন আজ নাকি অমিত শাহের সভায় 'খেলা হবে' ও কন্য়াশ্রী গানও বেজেছে।

    Published by:Swaralipi Dasgupta
    First published: