• Home
  • »
  • News
  • »
  • south-bengal
  • »
  • ২৪ ঘণ্টা পর ১৭০ কিমি দূরে মিলল স্কুটি-হেলমেট, মেধাবী চিকিৎসক পড়ুয়া কোথায়! ঘনীভূত রহস্য

২৪ ঘণ্টা পর ১৭০ কিমি দূরে মিলল স্কুটি-হেলমেট, মেধাবী চিকিৎসক পড়ুয়া কোথায়! ঘনীভূত রহস্য

প্রতীকী ছবি

প্রতীকী ছবি

২৪ ঘন্টা কেটে গেলেও বাড়িতে ফেরেননি ডাক্তারির মেধাবী এই পড়ুয়া। তবে বুধবার সকালে খোঁজ মিলেছে রক্ষিতের স্কুটির।

  • Share this:

#ব্যারাকপুর: বরাহনগর আলমবাজারে শ্যামমন্দিরে পুজো দিতে যাচ্ছেন বলে মঙ্গলবার বাড়ি থেকে বেরিয়েছিলেন রক্ষিত মিত্তল। বেলা ১১টা বেজে গেলেও বাড়ি ফেরেননি রক্ষিত। তারপর ২৪ ঘন্টা কেটে গেলেও বাড়িতে ফেরেননি ডাক্তারির মেধাবী এই পড়ুয়া। তবে বুধবার সকালে খোঁজ মিলেছে রক্ষিতের স্কুটির। যে স্কুটিতে চেপে তিনি পুজো দিতে গিয়েছিলেন। বাড়ি থেকে ১৭০ কিলোমিটার দূরে কী করে পৌঁছল তাঁর স্কুটি? প্রশ্ন পরিবারের। স্কুটি মিললেও কোনও খোঁজ নেই রক্ষিতের। ছেলেকে নিয়ে দুশ্চিন্তায় মিত্তল পরিবার।

পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, রোজ সকালেই আলমবাজারের শ্যামমন্দিরে পুজো দিতে যান রক্ষিত। সেই মতোই মঙ্গলবার সকালেও নিজের স্কুটি চালিয়েই মন্দিরে যান। পুজো দেওয়া হয়ে গেলে বাবা অশোক মিত্তলের দোকান যাওয়ার জন্য বাইক ট্যাক্সিও বুক করে দেন। যতই দেরি হোক ঘড়ির কাঁটা ১১টা পেরোয় না। কিন্তু মঙ্গলবার সময় পেরিয়ে যেতেও বাড়ি ফেরেননি। মোবাইল ফোনও সুইচড অফ ছিল। চিন্তা বাড়ে মিত্তল পরিবারের। বেলা দু'টোর পরেও বাড়ি না ফিরলে বেলঘড়িয়া থানায় মিসিং ডায়েরি করেন তাঁরা।

মেধাবী ডাক্তারি পড়ুয়ার রহস্যজনকভাবে নিখোঁজ হয়ে যাওয়ার অভিযোগ পেয়ে তদন্তে নামে পুলিশ। রক্ষিতের মোবাইলের টাওয়ার লোকেশনের সূত্র ধরে পুলিশ জানতে পারে শেষবার দত্তপুকুর এলাকায় মোবাইলটি অন করা হয়েছিল। মিত্তল পরিবার দত্তপুকুর গিয়েও খোঁজ করে রক্ষিতের। কিন্তু কোনও লাভ হয়নি। রাতভর চরম দুশ্চিন্তায় দু'চোখের পাতা এক করতে পারেনি গোটা মিত্তল পরিবার।

বুধবার সকাল ফোন আসে ১৭০ কিলোমিটার দূরে বেলডাঙা থানা থেকে। জানানো হয়, জাতীয় সড়কের ধারে অক্ষত অবস্থায় পাওয়া গিয়েছে রক্ষীতের স্কুটি ও হেলমেট। কিন্তু রক্ষীতের কোনও খোঁজ দিতে পারেনি পুলিশ।

কোথায় গেল রক্ষিত? সেটাই এখন সবথেকে বড় প্রশ্ন মিত্তাল পরিবার ও পুলিশের কাছে।

মেধাবী ডাক্তারি পড়ার নিখোঁজ হওয়ার পেছনে বেশ কিছু সম্ভাবনা উঠে আসছে। পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, গতবছর ডাক্তারির প্রবেশিকা পরীক্ষায় ভাল ফল করতে পারেনি রক্ষিত। এবছর ১৩ সেপ্টেম্বরের ওই পরীক্ষা নিয়ে মানসিক চাপে ছিল। কিন্তু সেই চাপ সহ্য করতে না পেরে বাড়ি ছেড়ে পালাতে পারে কি? সম্ভাবনা উড়িয়ে দিচ্ছে না পরিবার।

স্বভাবগত দিক থেকে রক্ষিত খুবই চাপা। নিজের ব্যাপারে কাউকে কোনও কিছুই জানাতেন না তিনি। ফলে কোনও কারণে মানসিক অবসাদে ভুগছিলেন কিনা সে বিষয়ে পরিবারের কিছুই জানা নেই।

পরিবার মনে করছে, কোন অসৎ সঙ্গে পড়ে থাকতে পারে রক্ষিত। তার জেরেই নিখোঁজ হয়েছেন তিনি। উড়িয়ে দিচ্ছেন না অপহরণের সম্ভাবনাও।

ব্যারাকপুর কমিশনারেট এর এক কর্তা জানিয়েছেন, সমস্ত সম্ভাবনাই খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তার মোবাইলের টাওয়ার লোকেশনের মাধ্যমে খোঁজ চালানো হচ্ছে রক্ষিতের। পাশাপাশি নিখোঁজ হওয়ার আগে কার কার সঙ্গে তাঁর কথা হয়েছিল এবং কী বিষয়ে কথা হয়েছিল তাও জানার চেষ্টা করা হচ্ছে।

SUJOY PAL

Published by:Shubhagata Dey
First published: