• Home
  • »
  • News
  • »
  • south-bengal
  • »
  • শোভন বৈশাখী প্রসঙ্গে 'বাছাই' বিশেষণ! মমতা পচা জিনিস ফেলে দিয়েছে: কুনাল ঘোষ

শোভন বৈশাখী প্রসঙ্গে 'বাছাই' বিশেষণ! মমতা পচা জিনিস ফেলে দিয়েছে: কুনাল ঘোষ

শোভন-বৈশাখীকে বিঁধলেন কুনাল।

শোভন-বৈশাখীকে বিঁধলেন কুনাল।

তৃণমূল মুখপাত্র কুণাল ঘোষের এই বক্তব্য সভায় হাসির রোল ওঠে।

  • Share this:

#বর্ধমান: তিন বছর ধরে শোভন-বৈশাখী একে অপরকে পর্যবেক্ষণ করে চলেছেন। সোমবার শোভনের কামব্যাকের সময় পূর্ব বর্ধমানের খন্ডঘোষের জনসভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে এই মন্তব্য করলেন তৃণমূলের মুখপাত্র কুনাল ঘোষ। তিনি বলেন, তিন বছর ধরে শুধু শোভন বৈশাখীকে এবং বৈশাখী শোভনকে পর্যবেক্ষণ করে গিয়েছে তারা। এখন দলের দায়িত্ব পেলেন ভেবে দেখুন। এতদিন যারা ওই এলাকায় বিজেপি করছিল কী অবস্থা সেই নেতাদের। এখন তাদের তাঁর বান্ধবীর পায়ে তেল মাখাতে হবে।" তৃণমূল মুখপাত্র কুণাল ঘোষের এই বক্তব্য সভায় হাসির রোল ওঠে।

মঞ্চে বক্তব্য রাখতে গিয়ে কুনাল ঘোষ বলেন, "শোভন চট্টোপাধ্যায় বৈশাখী ছাড়া হাঁটতে পারে না।বৈশাখীর পা ফুললে শোভন ঘর থেকে বেরোয় না।" বর্ধমানের খন্ডঘোষে এই মন্তব্য করলেন কুনাল ঘোষ। তিনি বলেন, বিজেপি ভেবেছে কয়েকটা নড়বড়ে বেইমানকে নিয়ে সব হয়ে যাবে।রাজ্যে ক্ষমতা আসবে ভেবে নিয়েছে তারা। মমতা পচা জিনিস ফেলে দিয়েছে।আর দিলীপ ঘোষরা বাটি হাতে দাঁড়িয়ে আছে।

তিনি বলেন, "মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তো পরের কথা।আগে অভিষেককে সামলাক বিজেপি।" সোমবার পূর্ব বর্ধমানের খণ্ডঘোষের হাটতলায় কেন্দ্রের কৃষি আইনের প্রতিবাদে তৃণমূল কংগ্রেসের সভা হয়। কুণাল ঘোষ এদিন রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়কেও এক হাত নেন। তিনি বলেন, "আর তিন চার মাস ভোট। ভোটের ফল বের হওয়ার পর রাজ্যপালকে গেটের সামনে দাঁড়িয়ে থাকতে হবে।মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তৃতীয়বারের জন্য মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেবেন। সকাল থেকে ট্যুইটের পর ট্যুইট করতে হবে।"

কুনাল বলেন, "বাংলায় কোনও মুখ নাই। তাই সারা ভারতবর্ষ থেকে বিজেপি লোক এনে বাংলাকে নোংরা করছে।কয়েকজন দলবদল করেছে। মুকুল রায়,শোভন চট্টোপাধ্যায় সহ কয়েকজন। এদের গলায় ইডির বকলেস বাঁধা আছে। তিনি শুভেন্দু অধিকারীকেও একহাত নেন।গোটা পরিবার পদ পেয়েছে। সে দল ছেড়েছে। শুভেন্দু অধিকারী এখন প্রত্যেকটা জায়গায় জঘন্য ভাষায় তৃণমূল কংগ্রেসকে আক্রমণ করছে।করুক। বাংলার মানুষ এইসব গদ্দারদের জবাব দেবে। খেলা হবে।তৃণমূল ছাড়া তো কারও জেতার ক্ষমতা নাই।"

কুণালবাবু বলেন, "আমিও দলের বিরুদ্ধে কথা বলেছি। কিন্তু তা আমি দলের মধ্যে বলেছি।আমি দলকে ভালোবাসি।আমি বেইমানি করিনি।আমার গায়ের রক্তে বেইমানের রক্ত নাই। যাঁরা একদিন আমার বিরুদ্ধে চক্রান্ত করেছিল দলে থেকে তারা এখন বিজেপিতে চলে গেছে।"

এদিনের সভায় উপস্থিত ছিলেন সুজাতা মন্ডল খাঁ, জেলা তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি মন্ত্রী স্বপন দেবনাথ, দেবু টুডু , জেলা পরিষদের সভাধিপতি শম্পা ধাড়া ও জেলা যুব তৃণমূল সভাপতি রাসবিহারী হালদার।

Published by:Arka Deb
First published: