Home /News /south-bengal /
Pohela Boishakh| Kalighat|| মায়াবী আলো, আধ্যাত্মিক পরিবেশ, শ্যামা সঙ্গীত... চোখ ধাঁধানো নতুন রূপে কালীঘাট মন্দির

Pohela Boishakh| Kalighat|| মায়াবী আলো, আধ্যাত্মিক পরিবেশ, শ্যামা সঙ্গীত... চোখ ধাঁধানো নতুন রূপে কালীঘাট মন্দির

Kalighat Temple renovation: মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়ি হরিশ চ্যাটার্জি স্ট্রিটের ঠিক উলটো দিকেই কালীঘাট মন্দিরের একটি প্রবেশদ্বার। আর সেই প্রবেশদ্বারকেই নতুন রূপে তৈরি করা হয়েছে।

  • Share this:

#কলকাতা: কলকাতার কালীঘাট মন্দির, ৫১ শক্তি পীঠের অন্যতম পীঠ এই কালীঘাট। বর্তমান মন্দিরটি ১৮০৯ সালে নির্মিত হলেও কালীঘাট মন্দির কলকাতার প্রাচীনতম কালী মন্দির। দক্ষিণায়ণী সতীর ডান পায়ের অঙ্গুলটি এখানে পড়েছে বলে অনেকেই বলে থাকেন। এখানকার শক্তি দক্ষিণ কালিকা নামে পরিচিত, আর ভৈরব নকুলেশ। কিছুদিন আগেই মন্দিরের প্রবেশদ্বারকে সংস্কার করা হয়েছিল। আর সেই প্রবেশদ্বারকে আরও আকর্ষণীয় করে তুলতে কালীঘাট মন্দিরের সৌন্দর্যবর্ধনে লাইট অ্যান্ড সাউন্ডের ব্যবস্থা শুরু হল।

আলো ও শব্দ প্রক্ষেপণের বিশেষ ব্যবস্থা করা হয়েছে। সন্ধ্যা নামতেই মায়াবী আলোয় ভরে যাবে কালীঘাটের প্রবেশদ্বার, আধ্যাত্মিক পরিবেশ তৈরি হবে প্রবেশপথ জুড়ে। সন্ধ্যা থেকে শুরু হয়ে যাচ্ছে শ্যামা সঙ্গীত। গানের সুরে সুরে আলোরও পরিবর্তন হবে। কলকাতা পুরসভার উদ্যোগে এবং সিকিম স্কিলস বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্যোগে বিশেষ লাইট অ্যান্ড সাউন্ড ব্যবস্থার উদ্বোধন করা হল নতুন বছর শুরুর ঠিক আগে।

আরও পড়ুন: আরও আকর্ষণীয় হল সতীপীঠ বক্রেশ্বর, মূল মন্দিরের প্রবেশদ্বারে কী বসানো হয়েছে জানেন?

মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়ি হরিশ চ্যাটার্জি স্ট্রিটের  ঠিক উলটো দিকেই কালীঘাট মন্দিরের একটি প্রবেশদ্বার। আর সেই প্রবেশদ্বারকেই নতুন রূপে তৈরি করা হয়েছে। সন্ধ্যা হলেই আলোর ঝর্ণাধারায় ভেসে যাবে প্রবেশপথ। তবে মন্দিরের ঐতিহ্যের সঙ্গে সম্পর্ক রেখেই যাবতীয় উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে বলে জানান কলকাতার মেয়র ফিরহাদ হাকিম।

আরও পড়ুন: আরও এগিয়ে গেলেন শত্রুঘ্ন, আসানসোলে কত ভোটে এগিয়ে তৃণমূল প্রার্থী?

বৃহস্পতিবার রাত থেকে এই লাইট অ্যান্ড সাউন্ড ব্যবস্থা উদ্বোধন হল কলকাতার মহানাগরিক ফিরহাদ হাকিমের হাত দিয়ে। উপস্থিত ছিলেন রাসবিহারী কেন্দ্রের বিধায়ক দেবাশিস কুমার, মেয়র পরিষদ আলো সন্দীপ বকসী, অভিজিৎ মুখোপাধ্যায়, বৈশ্বানর চট্টোপাধ্যায়, বোরো চেয়ারম্যান চৈতালি চট্টোপাধ্যায়, কাউন্সিলর কাজরী বন্দোপাধ্যায়-সহ অনেকেই। কালীঘাট সংলগ্ন টালি নানা সংস্কারের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে বলেও জানান ফিরহাদ হাকিম। দেশ-বিদেশ থেকে আগত অগণিত ভক্তদের সুবিধার জন্য সবরকম উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

কালীঘাট মন্দিরের এই লাইট অ্যান্ড সাউন্ড বাস্তবায়নের জন্য প্রায় ৪০ লক্ষ টাকা খরচ করা হয়েছে। মূল প্রবেশদ্বারে একটি জায়েন্ট স্ক্রিনও থাকছে। সেখানে সতীপীঠের নানা দিক তুলে ধরা হবে। সেখানে দাঁড়িয়ে অগণিত ভক্তরা দেখে নিতে পারবেন সতীপীঠের মাহাত্ম্য। কালীঘাট মন্দিরের সামনের ভগ্নপ্রায় রাস্তা দীর্ঘদিন বাদে আমূল সংস্কার করা হয়েছে। আগামী দিনে কলকাতার দর্শনীয় স্থান হিসেবে এই কালীঘাট মন্দির দেশ বিদেশের মানুষের কাছে অত্যন্ত আকর্ষণীয় হয়ে উঠবে বলে প্রত্যেকে জানান।

Avijit Chanda

Published by:Shubhagata Dey
First published:

Tags: Kalighat Mandir, Kolkata

পরবর্তী খবর