স্ত্রীরোগ বিশেষজ্ঞকে অপহরণ! মুক্তিপনের টাকা আদায় করতে এসে ধৃত দুই যুবক

স্ত্রীরোগ বিশেষজ্ঞকে অপহরণ! মুক্তিপনের টাকা আদায় করতে এসে ধৃত দুই যুবক

চার যুবক তাঁর গাড়িতে উঠে আসে এবং মাথায় আগ্নেয়াস্ত্রে ঠেকিয়ে ৫০ লক্ষ টাকা দাবি করে। তাদের দাবি পূরণ করার জন্য চিকিৎসককে তাঁর বাড়িতে ফোন করতে বলে।

  • Share this:

Debasish Chakraborty

#হাওড়া: মুক্তিপণের টাকা নিতে এসে ধরা পড়ল দুই অপহরণকারী। পুলিশের চাপে নিজেদের ফোন থেকে বাকি অপহরণকারীদের ফোন করে মুক্তিপণ পেয়ে যাওয়ার মিথ্যে খবর দিল ধৃতেরা। মুক্তি পেলেন অপহৃত চিকিৎসক। সোমবার এমন চাঞ্চল্যকর ঘটনার সাক্ষী রইল হাওড়ার রামরাজাতলা।

হাওড়ার রামচরণ শেঠ রোডে একটি বেসরকারী ক্লিনিকের স্ত্রীরোগ বিশেষজ্ঞ ওই চিকিৎসক অন্যান্য সপ্তাহের মতোই আমতায় তাঁর সাপ্তাহিক চেম্বারের পথে যাওয়ার সময় সকাল সোয়া ১০টা নাগাদ অপহৃত হন। ওই চিকিৎসক জানান, তাঁর চেম্বারের কিছুটা আগে দু’টি মটর সাইকেলে করে ফুল মাস্ক হেলমেট পরা চার যুবক তাঁর গাড়ি থামাতে বাধ্য করে। এর পরে চার যুবক তাঁর গাড়িতে উঠে আসে এবং মাথায় আগ্নেয়াস্ত্রে ঠেকিয়ে ৫০ লক্ষ টাকা দাবি করে। তাদের দাবি পূরণ করার জন্য চিকিৎসককে তাঁর বাড়িতে ফোন করতে বলে। তাঁরা ওই গাড়ি সমেত চিকিৎসককে আমতা স্টেশনের কাছে একটি অজানা রাস্তায় নিয়ে যায়। সেখানে মুক্তিপণ নিয়ে তাঁর সঙ্গে দরাদরি শুরু করে অপহরণকারীরা। শেষ পর্যন্ত ২০ লক্ষ টাকায় রফা হয়।

1289_IMG-20191223-WA0020

টাকা নিতে দুই অপহরণকারী ওই চিকিৎসকের বাড়ির সামনে পৌঁছে যায়। ইতিমধ্যে ওই চিকিৎসকের অপহরণের খবর ছড়িয়ে পড়ে। অপরিচিত দুই যুবককে এলাকায় ঘোরাঘুরি করতে দেখে স্থানীয় মানুষের সন্দেহ হয়। তাঁরা চ্যাটার্জীহাট থানায় খবর দিলে পুলিশ এসে তাদের আটক করে। পুলিশি জিজ্ঞাসাবাদে ধৃত সুমন ওরফে সংগ্রাম দাস এবং জিৎ গড়াই জানায়, তাঁরা মুক্তিপণের টাকাই নিতে এসেছেন। পুলিশ চিকিৎসকের মোবাইল লোকেশন ট্র্যাক করে সেই উদ্দেশ্যে রওনা হওয়ার পাশাপাশি ধৃত সুমনকে দিয়ে বাকি অপহরণকারীদের টাকা পেয়ে যাওয়ার মিথ্যে খবর দিতে বাধ্য করে। সেই খবর পেয়ে বেলা সাড়ে ১২টা নাগাদ আমতা স্টেশন রোডে ওই চিকিৎসককে ছেড়ে দেন অপহরণকারী৷রা। বাড়ি ফিরে চিকিৎসক পুলিশের কাছে লিখিত অভিযোগ করেন। পুলিশ ধৃতদের জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করেছে। চিকিৎসকের অভিযোগে তদন্তে হাওড়া আমতা থানা ও চ্যাটার্জীহাট থানার পুলিশ ৷

First published: 09:29:11 PM Dec 23, 2019
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर