সাবর্ণ রায়চৌধুরীর ভিটে নয়, প্রথম দুর্গাপুজো এখানে, বিপ্লবীরা দেশমাতৃকা জ্ঞানে পূজা করতেন এই দেবীকেই

সাবর্ণ রায়চৌধুরীর ভিটে নয়, প্রথম দুর্গাপুজো এখানে, বিপ্লবীরা দেশমাতৃকা জ্ঞানে পূজা করতেন এই দেবীকেই
জঙ্গলে ঘেরা অষ্টভূজা দেবীর মন্দির।

গড়জঙ্গলে শাল-সেগুনের বনের মাঝেই অধিষ্ঠাত্রী অষ্টভূজা সিংহবাহিনী দেবী। কথিত আছে রাজা সুরথ এখানেই প্রথম দুর্গাপুজো করেন।

  • Share this:

    #দুর্গাপুর: বাংলার সর্বপ্রথম দুর্গাপুজো কোথায় হয়েছিল? প্রশ্ন শুনে আট থেকে আশি এক নিঃশ্বাসে বলবেল কেন সাবর্ণ রায়চৌধুরীদের ভিটেয়। কিন্তু এই তথ্য যে অভ্রান্ত নয় তা বুঝতে আপনাকে কান পাততে হবে জঙ্গলে। ঘন সবুজ জঙ্গল আর লাল মাটির হাতছানি ঘেরা বাহারি প্রকৃতির আমন্ত্রণে সাড়া দিয়ে বেরিয়েও পড়তে পারেন ইতিহাসের টানে। আপনার ডেস্টিনেশান গড়জঙ্গল।

    গড়জঙ্গলে শাল-সেগুনের বনের মাঝেই অধিষ্ঠাত্রী অষ্টভূজা সিংহবাহিনী দেবী। কথিত আছে রাজা সুরথ এখানেই প্রথম দুর্গাপুজো করেন। মেধস মুনির কাছে দীক্ষা নিয়ে সুরথ এই পুজো করেছিলেন বলে এই জায়গা মেধআসশ্রম নামেই পরিচিত।

    গড়জঙ্গলের সিংহবাহিনী মন্দিরের সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে স্বাধীনতা সংগ্রামের ইতিহাসও। শোনা যায়, জঙ্গলে লুকিয়ে থাকা বিপ্লবীরা অনেকেই এই অষ্টভূজা দেবীকে দেশমাতৃকা জ্ঞানে পুজো করতেন। সেই সময় থেকেই নাকি পুজোর দিনে বন্দেমাতারম ধ্বনি দেওয়ার রীতি।


    গড়জঙ্গলে গেলে অবশ্য শুধু অষ্টভূজার মূর্তি দেখেই ফিরতে হবে না। এখানেই রয়েছে গীতগোবিন্দ খ্যাত শ্যামরূপা দুর্গা মন্দিরও। শ্যমরূপা মন্দিরের কাছেই অবস্থিত ইছাই ঘোষের দেউল।৫০ ফুট উচ্চতার দেউলটি মধ্য অষ্টাদশ শতকের অর্থাৎ পাল আমলের।

    গড়জঙ্গল এমনিতে নিরালা জায়গা। করোনার দিনে নিজস্ব গাড়ি থাকলে কোভিড বিধি মেনে ঘুরে আসতেই পারেন। দুর্গাপুর এক্সপ্রেসওয়ে ধরে পানাগড় হয়ে আপনাকে যেতে হবে দার্জিলিং মোড়। সেখান থেকে ডান দিকের রাস্তা ধরে এগারো মাইল। এখান থেকে দুই তিন কিলোমিটার দূরেই সিংহবাহিনী মন্দির ও ইছাই ঘোষের দেউল।

    Published by:Arka Deb
    First published:

    লেটেস্ট খবর