• Home
  • »
  • News
  • »
  • south-bengal
  • »
  • ক্যানসার সারাতে ‘দই পোড়া’, রোগ সারানোর নামে বুজরুকি

ক্যানসার সারাতে ‘দই পোড়া’, রোগ সারানোর নামে বুজরুকি

কুসংস্কার রুখতে গিয়ে মার খেতে হল পুলিশকে। দিনের পর দিন মারণরোগ ক্যানসার সারানোর নামে দইপড়া খাওয়ানো।

কুসংস্কার রুখতে গিয়ে মার খেতে হল পুলিশকে। দিনের পর দিন মারণরোগ ক্যানসার সারানোর নামে দইপড়া খাওয়ানো।

কুসংস্কার রুখতে গিয়ে মার খেতে হল পুলিশকে। দিনের পর দিন মারণরোগ ক্যানসার সারানোর নামে দইপড়া খাওয়ানো।

  • Share this:

    #মুর্শিদাবাদ: কুসংস্কার রুখতে গিয়ে মার খেতে হল পুলিশকে। দিনের পর দিন মারণরোগ ক্যানসার সারানোর নামে দইপড়া খাওয়ানো। নিউজ এইটিন বাংলা পৌঁছে গিয়েছিল অভিযুক্ত আমজাদ আলির ডেরায়। চলুন দেখে নেওয়া যাক, কীভাবে চলছিল বুজরুকি?

    ওপরওয়ালার নাম করেই চলছিল বুজরুকি। স্বয়ং আল্লার সঙ্গেই নাকি তাঁর যোগাযোগ। তিনি মুর্শিদাবাদের হরিহরপাড়ার খলিলাবাদ গ্রামের আমজাদ আলি। পেশায় দরজি হলেও তাঁর আরেকটা গুণ আছে। তাঁর দাবি, যে কোনও রোগই সারাতে পারেন তিনি। এমনকী তাঁর দই পড়া খেয়ে ক্যানসার রোগীও সেরে উঠেছেন বলে দাবি তাঁর পরিবারের।

    সকালে দরজির দোকান আর বিকালে বুজরুকি, এভাবেই চলছিল। যদিও এই চিকিৎসার জন্য কোনও ফি লাগত না বলেই দাবি এলাকাবাসীর। ক্যানসারের চিকিৎসা এমনিতেই বেশ ব্যায়বহুল। শুধু দই পড়া খেয়ে যদি ক্যনসার ভালো হয়, অন্ধবিশ্বাসে ভর করে দিনআনা দিন খাওয়া বহু মানুষ সেই ব্যক্তির দ্বারস্থও হন।

    বিকাল চারটে থেকে রাত দশটা পর্যন্ত চলত রোগী দেখা ৷ ফ্রিজে রাখা দইয়ের সরা বার করে তাতে ফু দিয়ে মন্ত্র পড়তেন আমজাদ আলি ৷ এক এক করে রোগী ডেকে তাঁদের সঙ্গে কথা বলতেন তিনি ৷ রোগী দেখা শেষ হলে মন্ত্র পড়া দইয়ের হাঁড়ি তুলে দিতেন রোগীদের হাতে ৷ দই পড়া খেলে চিনি বা আর কোনও রকম মিষ্টি খাওয়া বারণ ৷ নিয়ম মেনে মন্ত্রপূত দই খেলেই সারবে ক্যানসারের মত মারণ রোগ (এমনই দাবি করতেন আমজাদ আলি ও তাঁর পরিবার) খবর পেয়ে এলাকায় আসেন বিজ্ঞান মঞ্চের সদস্যরা। যদিও বিজ্ঞান মঞ্চ বা প্রশাসনের প্রচারে কোনও কাজ হয়নি। বেআইনি ব্যবসা বন্ধের প্রতিবাদে পুলিশের উপর হামলা চালান এলাকাবাসীরা। আর আমজাদ আলি, আপাতত এলাকা ছেড়ে পালিয়ে গিয়েছেন।

    First published: