• Home
  • »
  • News
  • »
  • south-bengal
  • »
  • শোভাযাত্রা করে ঘট প্রতিষ্ঠার মধ্য দিয়ে বর্ধমানের সর্বমঙ্গলা মন্দিরে শারদীয়া দুর্গোৎসবের সূচনা হল

শোভাযাত্রা করে ঘট প্রতিষ্ঠার মধ্য দিয়ে বর্ধমানের সর্বমঙ্গলা মন্দিরে শারদীয়া দুর্গোৎসবের সূচনা হল

এদিন সকালে পূজার্চনার পর মন্দির থেকে মায়ের রূপোর ঘট নিয়ে শোভাযাত্রা বের হয়।

এদিন সকালে পূজার্চনার পর মন্দির থেকে মায়ের রূপোর ঘট নিয়ে শোভাযাত্রা বের হয়।

এদিন সকালে পূজার্চনার পর মন্দির থেকে মায়ের রূপোর ঘট নিয়ে শোভাযাত্রা বের হয়।

  • Share this:

#বর্ধমান: রীতি মেনে প্রতিপদে ঘট প্রতিষ্ঠা মধ্য দিয়ে বর্ধমানের সর্বমঙ্গলা মন্দিরে শারদীয়া দুর্গোৎসবের সূচনা হলো। সেই সঙ্গেই নবরাত্রি দুর্গাপূজা শুরু হয়ে গেল বর্ধমানে অধীষ্ঠাত্রী দেবী সর্বমঙ্গলা মন্দিরে। হোম যজ্ঞের মধ্য দিয়ে পুজোর সূচনা হল। চলবে নবমী পর্যন্ত।

এদিন সকালে পূজার্চনার পর মন্দির থেকে মায়ের রূপোর ঘট নিয়ে শোভাযাত্রা বের হয়। ঢাক বাজনা সহ ঘোড়ায় টানা রথের ওপর বিশেষ ছাতার তলায় ঘট নিয়ে বসেন পুরোহিতরা। বিভিন্ন পথ পরিক্রমা করে শোভাযাত্রা যায় কৃষ্ণসায়রে। সেখানে মন্ত্রোচ্চারণের মধ্য দিয়ে মন্দিরের প্রধান পুরোহিত ঘট জলপূর্ণ করেন। এরপর তা নিয়ে এসে মন্দির প্রতিষ্ঠা করা হয়। ছিলেন জেলার পুলিশ প্রশাসনের আধিকারিক ও অন্যান্য আধিকারিকরা। অন্যান্যবার মহালয়ার পর প্রতিপদে ঘট উত্তোলনের শোভাযাত্রায় অগণিত বাসিন্দা ভিড় করেন। তবে এবার করোনা পরিস্থিতিতে ভিড় ছিল অনেক কম।

বর্ধমান রাজ প্রতিষ্ঠিত মা সর্বমঙ্গলাকে রাঢ়বঙ্গের দেবী বলা হয়। এই মন্দিরের পুজোর নির্ঘণ্ট মেনে বর্ধমান, বাঁকুড়া, পুরুলিয়া সহ রাঢ়বঙ্গের বিভিন্ন বনেদি বাড়ির পুজো অনুষ্ঠিত হয়। বর্ধমানের বাসিন্দারা যাবতীয় মঙ্গল কাজের আগে মা সর্বমঙ্গলা মন্দিরে পুজো দেন। পুজোর চারদিন মন্দিরে অগণিত ভক্ত ভিড় করেন। অন্নভোগ গ্রহণ করেন। আগে মেষ মহিষ ও ছাগ বলি হতো। এখন পশুবলি বন্ধ।

আগে কামানে তোপধ্বনির মধ্য দিয়ে সর্বমঙ্গলা মন্দিরে সন্ধিপুজোর সূচনা হত। তোপধ্বনি শুনে বাকি পুজোর সন্ধিপুজো শুরু হতো। প্রায় তিন দশক আগে সন্ধিপুজোর সূচনায় সেই কামানের বিস্ফোরণ ঘটে। অনেকে হতাহত হন। তার পর থেকে পল গুনে সন্ধিপুজো শুরু হয়। মন্দির কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, এবার এই করোনা পরিস্থিতিতে বিশেষ সাবধানতা অবলম্বন করা হচ্ছে। মুখে মাস্ক থাকলে তবেই মন্দিরে প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হচ্ছে। থাকছে স্যানিটাইজার। সামাজিক দূরত্ব মেনে সবাই যাতে পুজো দিতে পারেন তার ব্যবস্হা হচ্ছে। সব মিলিয়ে মন্দির থেকে যাাতে সংক্রমণ না ছড়ায় তা নিশ্চিত করতে সব রকম ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

Published by:Dolon Chattopadhyay
First published: