• Home
  • »
  • News
  • »
  • south-bengal
  • »
  • অপরাধীর রেহাই নেই, শহর থেকে ১২৭ কিমি দূরে গিয়েও পুলিশের জালে ডাকাত দল

অপরাধীর রেহাই নেই, শহর থেকে ১২৭ কিমি দূরে গিয়েও পুলিশের জালে ডাকাত দল

 ডাকাতির আগেই পুলিশের হাতে ধরা পড়ে গেল আট দুষ্কৃতী। ধৃতদের সোমবার বর্ধমান জেলা আদালতে তোলা হয়।

ডাকাতির আগেই পুলিশের হাতে ধরা পড়ে গেল আট দুষ্কৃতী। ধৃতদের সোমবার বর্ধমান জেলা আদালতে তোলা হয়।

ডাকাতির আগেই পুলিশের হাতে ধরা পড়ে গেল আট দুষ্কৃতী। ধৃতদের সোমবার বর্ধমান জেলা আদালতে তোলা হয়।

  • Share this:
#বর্ধমান: কলকাতা থেকে গিয়ে বর্ধমানের গলসিতে পুলিশের জালে ধরা পড়ে গেল ডাকাত দল। রাস্তায় পর পর গাড়ি দাঁড় করিয়ে ডাকাতির পরিকল্পনা ছিল তাদের। সেইমতো আগ্নেয়াস্ত্র ও অন্যান্য সরঞ্জাম নিয়ে তৈরি হয়ে  যাচ্ছিল তারা। কিন্তু তাদের সেই ছক ভেস্তে দিল পুলিশ। ডাকাতির আগেই পুলিশের হাতে ধরা পড়ে গেল আট দুষ্কৃতী। ধৃতদের সোমবার বর্ধমান জেলা আদালতে তোলা হয়। ধৃতদের নিজেদের হেফাজতে নিয়ে বিস্তারিত জিজ্ঞাসাবাদ করবে গলসি থানার পুলিশ। রবিবার রাত তখন এগারোটা। ফোন আসে গলসি থানার এক পুলিশ অফিসারের মোবাইলে। সাদা রঙের এক চারচাকা গাড়িতে দু নম্বর জাতীয় সড়ক ধরে গলসির দিকে যাচ্ছে একটি ডাকাত দল। তাদের সঙ্গে রয়েছে আগ্নেয়াস্ত্রও। গোপন সূত্রে খবর পাওয়া মাত্রই তৈরি হয়ে যায় গলসি থানার পুলিশ। দু নম্বর জাতীয় সড়কে টহল দেওয়া পুলিশ ভ্যানকে সতর্ক করে দেওয়া হয়। জাতীয় সড়কের অন্যান্য পয়েন্টেও শুরু হয় নজরদারি। রাত পৌনে বারোটা নাগাদ দেখা মেলে সেই সাদা রঙের নম্বর প্লেট বিহীন চারচাকা গাড়ির। পথ আটকায় পুলিশ ভ্যান। গাড়িটিতে যে নম্বর প্লেট নেই সে খবর গোপন সূত্রে পুলিশের কাছে এসে গিয়েছিল। তাই গাড়িটিকে চিহ্নিত করতে বিশেষ বেগ পেতে হয়নি। গাড়িটিতে তল্লাশি চালাতেই উদ্ধার হয় আগ্নেয়াস্ত্র। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, দুটি আগ্নেয়াস্ত্র ছাড়াও  চার রাউন্ড গুলি, ভোজালি, রড, নাইলন দড়ি গাড়ি থেকে উদ্ধার করা হয়েছে। গলসির বেলগ্রামের কাছে জাতীয়  সড়কে তল্লাশি চালানো হয়। নম্বর প্লেট বিহীন গাড়িটিকেও বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। গাড়িতে থাকা আট দুষ্কৃতীকে   গ্রেফতার করা হয়। পুলিশ জানিয়েছে, ধৃতরা সকলেই কলকাতার খিদিরপুর একবালপুরের বাসিন্দা। সেখান থেকেই তারা অস্ত্র নিয়ে ডাকাতি করতে আসছিল। জাতীয় সড়কেই ডাকাতির উদ্দেশ্য ছিল বলে প্রাথমিক তদন্তে জানা গিয়েছে। তবে তাদের অপহরণ বা অন্য কোনও উদ্দেশ্য ছিল কিনা, স্হানীয় কোনও গ্যাং তাদের নিয়ে আসছিল কিনা সেসব জানতে ধৃতদের হেফাজতে নিয়ে বিস্তারিত জেরা করা হবে। Saradindu Ghosh
Published by:Elina Datta
First published: