করোনার থাবা আরবে, আতঙ্কে দিন কাটছে সেখানে কর্মরত হাজার হাজার যুবকের পরিবারের, ইতিমধ্যেই মৃত ১

করোনার থাবা আরবে, আতঙ্কে দিন কাটছে সেখানে কর্মরত হাজার হাজার যুবকের পরিবারের, ইতিমধ্যেই মৃত ১

করোনা ভাইরাস আরব দেশে ছড়িয়ে পড়ায় উদ্বিগ্ন পরিবারের লোকেরা। ইতিমধ্যেই হরিহর পাড়ার এক যুবক হঠাৎ এই অসুস্থ হয়ে মারা গিয়েছে।

করোনা ভাইরাস আরব দেশে ছড়িয়ে পড়ায় উদ্বিগ্ন পরিবারের লোকেরা। ইতিমধ্যেই হরিহর পাড়ার এক যুবক হঠাৎ এই অসুস্থ হয়ে মারা গিয়েছে।

  • Share this:
#মুর্শিদাবাদ: আরব দেশে থাবা বসিয়েছে করোনা। মুর্শিদাবাদ জেলার বিভিন্ন প্রান্তে যুবকেরা কাজের জন্য মরু দেশে কাজ করতে যায় এটাই রীতি। করোনা ভাইরাস আরব দেশে ছড়িয়ে পড়ায় উদ্বিগ্ন পরিবারের লোকেরা। ইতিমধ্যেই হরিহর পাড়ার এক যুবক হঠাৎ এই অসুস্থ হয়ে মারা গিয়েছে। যদিও তার মৃত্যুর কারণ কি তা পরিবারের লোকদের কাছে অজানা। যে সমস্ত পরিবারের ছেলেরা মরুর দেশে রয়েছে সেই সমস্ত পরিবারের লোকেরাও উদ্বিগ্নতায় দিন কাটাচ্ছে। সৌদি আরবে কাজে গিয়ে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে মৃত্যু হয়  মোকাম্মেল সেখের। তার বাড়ি হরিহরপাড়া থানার সলুয়া গ্রামে। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে প্রায় তিন মাস আগে ঐ যুবক লক্ষাধিক টাকা ধারদেনা করে সৌদি আরবে কাজে যান। সৌদি আরবের নজরান এলাকায়  এক কোম্পানিতে   সে গাড়ির চালকের কাজ পায়। পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, ২৯ ফেব্রুয়ারি মোকাম্মেল অসুস্থ হয়ে পড়ে। গোটা শরীরে ব্যথা, জ্বর নিয়ে তাকে স্থানীয় হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য নিয়ে যায় তার সহকর্মীরা। পরে তার গোটা শরীর অসাড় হয়ে পড়ে এবং ২ মার্চ সোমবার সে মারা যায়। সলুয়ার বাড়িতে খবর আসতেই ভেঙে পড়েছে তার আত্মীয় পরিজনেরা। সৌদি আরবে কাজে গিয়ে মৃত হরিহরপাড়ার যুবক মোকাম্মেল সেখ।প্রায় দশদিন আগে মৃত্যু হয়েছে তার।  ছেলের মৃতদেহ ঘরে ফেরাতে মরিয়া মৃত যুবকের আত্মীয় পরিজনেরা।যুবকের বাবা নাসিরুদ্দিন সেখ ইতিমধ্যে বিভিন্ন নথিপত্র জোগাড় করে স্থানীয় এক শিক্ষকের মাধ্যমে জেলা প্রশাসন,ভারতের বিদেশ মন্ত্রক, সৌদি আরবে ভারতীয় দূতাবাস ও সংশ্লিষ্ট কোম্পানিতে মেইল করে ছেলের মৃতদেহ ঘরে ফেরানোর আর্জি  জানিয়েছেন। বাবা নাসির উদ্দিন শেখ বলেন, কিভাবে মৃত্যু হলো তার ঠিকভাবে বলতে পারছিনা। হঠাৎই অসুস্থ হয়ে মারা গেছে। সুস্থ ছেলে কিভাবে মারা যায় তার মাথায় আসছে না। করণাতে মারা গেল কিনা তাও জানিনা। শামীমা বিবির ছেলেও রয়েছে আরবে। বলেন, ওখানে অনেকেই অসুস্থ হয়ে পড়ছে। আমরা খুব আতঙ্কে আছি। সরকার ওদের আনার ব্যবস্থা করুক। Pranab Kumar Banerjee
Published by:Elina Datta
First published:

লেটেস্ট খবর