• Home
  • »
  • News
  • »
  • south-bengal
  • »
  • তৃণমূল নেতা ছত্রধর মাহাতোকে সাতদিনের NIA হেফাজতের নির্দেশ বিশেষ আদালতের

তৃণমূল নেতা ছত্রধর মাহাতোকে সাতদিনের NIA হেফাজতের নির্দেশ বিশেষ আদালতের

১৪ দিনের হেফাজত চেয়েছিল এনআইএ। তবে ব্যাঙ্কশাল কোর্ট সেই দাবি মেনে নেয়নি।

১৪ দিনের হেফাজত চেয়েছিল এনআইএ। তবে ব্যাঙ্কশাল কোর্ট সেই দাবি মেনে নেয়নি।

১৪ দিনের হেফাজত চেয়েছিল এনআইএ। তবে ব্যাঙ্কশাল কোর্ট সেই দাবি মেনে নেয়নি।

  • Share this:

    #নয়াদিল্লি: প্রথম দফার ভোট মিটতেই তৃণমূল নেতা ছত্রধর মাহাতোকে গ্রেফতার করেছিল এনআইএ। ৪০ জনের এনআইএ দল লালগড়ে ছত্রধর মাহাতোর বাড়িতে হানা দিয়েছিল রাতের অন্ধকারে। ঘুমন্ত ছত্রধর মাহাতোকে একপ্রকার তুলে এনেছিল এনআইএর সেই দল। তবে এনআইএ-র বিশেষ আদালত বন্ধ থাকার জন্য ছত্রধর মাহাতোকে ব্যাঙ্কশাল কোর্টে তোলে এনআইএ। এরপরই ১৪ দিনের হেফাজত চেয়েছিল এনআইএ। তবে ব্যাঙ্কশাল কোর্ট সেই দাবি মেনে নেয়নি। তৃণমূল নেতাকে দুদিনের এনআইএ হেফাজতের নির্দেশ দেন বিচারপতি। এবার এনআইএর বিশেষ আদালত ছত্রধর মাহাতোকে সাতদিনের হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছে। অর্থাত্, ৬ এপ্রিল পর্যন্ত এনআইএ হেফাজতে থাকবেন তৃণমূল নেতা।

    ২০০৯ সালের ২৭ অক্টোবর ভুবনেশ্বর-দিল্লি রাজধানী এক্সপ্রেস আটকানো হয়েছিল। সেই মামলায় ছত্রধর মাহাতোকে বারবার জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ডাকছিল এনআইএ। কিন্তু তৃণমূল নেতা এনআইএ-র ডাকে সাড়া দিচ্ছিলেন না। সেই জন্যই তাঁকে গ্রেফতার করা হয়েছে বলে জানিয়েছিল এনআইএ। এবার সাতদিনের জন্য তাঁকে হেফাজতে নিয়ে ওই মামলায় জিজ্ঞাসাবাদ করবে এনআইএ। ২০০৯ সালে ঝাড়গ্রামের বাঁশতলা স্টেশনে রাজধানী এক্সপ্রেস আটকানো হয়েছিল। ট্রেনের চালককে অপহরণ করা হয়েছিল বলেও অভিযোগ ছিল।

    জঙ্গলমহলের জনসাধারণ কমিটির নেতা ছত্রধর ২০২০ সালে প্রায় ১০ বছর জেলে থাকার পর ছাড়া পেয়েছিলেন। ২৮ মার্চ প্রথম দফার ভোটের দিন স্ত্রীকে সঙ্গে নিয়ে ভোট দান করেছিলেন ছত্রধর মাহাতো। ঠিক তার পরের দিনই লালগড়ে এনআইএর দল হানা দিয়ে ছত্রধর মাহাতোকে গ্রেফতার করে। তৃণমূলের তরফে দাবি করা হয়েছিল, ছত্রধর মাহাতোর গ্রেফতারি রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।

    Published by:Suman Majumder
    First published: