বর্ধমানের বিস্ফোরণে শিশুর মৃত্যুকে ঘিরে আলোড়ন,জোর পুলিশি তৎপরতা

বর্ধমানের বিস্ফোরণে শিশুর মৃত্যুকে ঘিরে আলোড়ন,জোর পুলিশি তৎপরতা

ঘটনার খবর পেয়ে রসিকপুরে যায় বর্ধমান থানার পুলিশ। বর্ধমান জেলা পুলিশের অ্যান্টি সাবোতাজ টিমের প্রতিনিধিরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে তদন্তের কাজ শুরু করে।

ঘটনার খবর পেয়ে রসিকপুরে যায় বর্ধমান থানার পুলিশ। বর্ধমান জেলা পুলিশের অ্যান্টি সাবোতাজ টিমের প্রতিনিধিরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে তদন্তের কাজ শুরু করে।

  • Share this:

#বর্ধমান: বোমা বিস্ফোরণে এক শিশুর মৃত্যু হল।এই ঘটনায় আরও এক শিশু গুরুতর জখম হয়েছে। তাকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় বর্ধমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজ্য জুড়ে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। নির্বাচনের মুখে এই ঘটনায় উদ্বিগ্ন জেলার বাসিন্দারা। কোথা থেকে এই বোমা এলো তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ। জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে ঘটনা তদন্ত শুরু করা হয়েছে।

সোমবার বেলা এগারোটা পনের মিনিট নাগাদ বিস্ফোরণের শব্দে কেঁপে ওঠে বর্ধমান শহরের রসিকপুর এলাকা।স্থানীয় একটি ক্লাবের সামনে এই বিস্ফোরণ ঘটে। প্রাথমিক আতঙ্ক কাটিয়ে বিস্ফোরণের শব্দ শুনে ছুটে আসেন এলাকার বাসিন্দারা। ঘটনাস্থল থেকে রক্তাক্ত অবস্থায় দুই শিশুকে উদ্ধার করা হয়। বিস্ফোরণে এক শিশুর মাথায় আঘাত লাগে। ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। গুরুতর জখম আর এক শিশুকে উদ্ধার করে বর্ধমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করে স্থানীয় বাসিন্দারা।

বাইরে থেকে দুষ্কৃতীরা এসে বোমা ছুড়ে গিয়েছে বলে প্রথমে মনে করেছিলেন এলাকার বাসিন্দারা। পরে জানা যায় ক্লাবের ঘরের পাশে বোমাগুলি রাখা ছিল। শিশু কিশোররা খেলার সময় বল ভেবে সেগুলি নাড়াচাড়া করলে বিস্ফোরণ ঘটে। এলাকার বাসিন্দাদের দাবি, পরপর দুটি বিস্ফোরণের শব্দ শোনা যায়। বিস্ফোরণের তীব্রতা এতই বেশি ছিল যে পাশের বাড়ির কাচের জানলাওভেঙে গিয়েছে বলে এলাকার বাসিন্দাদের দাবি।

ঘটনার খবর পেয়ে রসিকপুরে যায় বর্ধমান থানার পুলিশ। বর্ধমান জেলা পুলিশের অ্যান্টি সাবোতাজ টিমের প্রতিনিধিরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে তদন্তের কাজ শুরু করে। ঘটনাস্থল থেকে বিস্ফোরণের নমুনা সংগ্রহ করেছে তারা। এলাকাটি ঘিরে রাখা হয়েছে। কি ধরনের মসলা দিয়ে সেই বোমা তৈরি করা হয়েছিল দেখা হচ্ছে। ওই এলাকায় আরও বোমা মজুদ রয়েছে কিনা তা জানার চেষ্টা চালাচ্ছে পুলিশ। ফের বিস্ফোরণে হতাহত না হওয়া নিশ্চিত করতেই এই তৎপরতা বলে জেলা পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে।

Published by:Pooja Basu
First published: