Oxygen Problem: ঘাটতি চরমে, সমস্যা মেটাতে ৫টি অক্সিজেন প্ল্যান্ট বসাচ্ছে পূর্ব বর্ধমান জেলা প্রশাসন 

ছবি- শরদিন্দু ঘোষ

জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, বর্ধমান মেডিকেল কলেজ, কালনা গেট লাগোয়া কৃষি ভবনের কোভিড হাসপাতাল, কালনা ও কাটোয়া মহকুমা হাসপাতাল-সহ মোট পাঁচটি অক্সিজেন প্ল্যান্ট বসানো হবে।

  • Share this:

বর্ধমান: পূর্ব বর্ধমান জেলায় পাঁচটি অক্সিজেন প্ল্যান্ট বসানোর পরিকল্পনা নিল জেলা প্রশাসন। বর্ধমান,কালনা কাটোয়ায় এই পাঁচটি অক্সিজেন প্ল্যান্ট বসানোর পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। জেলাশাসক প্রিয়াঙ্কা সিংলা জানিয়েছেন, করোনা আক্রান্তদের চিকিৎসার জন্য দ্রুততার সঙ্গে জেলায় পাঁচটি অক্সিজেন প্ল্যান্ট বসানোর পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, বর্ধমান মেডিকেল কলেজ,  কালনা গেট লাগোয়া কৃষি ভবনের কোভিড হাসপাতাল, কালনা ও কাটোয়া মহকুমা হাসপাতাল-সহ মোট পাঁচটি অক্সিজেন প্ল্যান্ট বসানো হবে। এই প্ল্যান্ট থেকে পাইপ লাইনের মাধ্যমে সরাসরি রোগীর কাছে অক্সিজেন সরবরাহ করা হবে।

রাজ্যের অন্যান্য অংশের সঙ্গে পূর্ব বর্ধমান জেলাতেও করোনা আক্রান্ত রোগীদের চিকিৎসার প্রয়োজনে অক্সিজেনের হাহাকার চলছে। শ্বাসকষ্ট দেখা দিলে প্রয়োজনের অক্সিজেন না পেয়ে মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়ছেন অনেকেই। বেসরকারি অনেক নার্সিংহোমই চাহিদামতো অক্সিজেন পাচ্ছে না। অভাব রয়েছে অক্সিজেন সিলিন্ডারেরও। জেলা স্বাস্থ্য দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল বা কালনা ও কাটোয়া মহকুমা হাসপাতালে অক্সিজেনের ঘাটতি তেমন নেই। তবে প্রতিদিন শয়ে শয়ে বাসিন্দা করোনা আক্রান্ত হচ্ছেন। এই সংখ্যা আরও বাড়বে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। তখন অক্সিজেন চাহিদা আরও বাড়তে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। সেই ঘাটতি মেটাতেই প্ল্যান্ট বসানোর পরিকল্পনা।

গত চব্বিশ ঘণ্টায় পূর্ব বর্ধমান জেলায় ৬৯৯ জন করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। ইতিমধ্যেই করোনায় আক্রান্ত হয়ে জেলায় ২২১ জনের মৃত্যু হয়েছে। বর্তমানে অ্যাক্টিভ রোগীর সংখ্যা ৬,৬৪৯ জন। আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বাড়ছে অক্সিজেনের চাহিদাও। আগামী দিনে এই চাহিদা আরও বাড়বে ধরে নিয়ে জরুরি কালীন ভিত্তিতে পাঁচটি অক্সিজেন প্ল্যান্ট বসানোর উদ্যোগ নিয়েছে জেলা প্রশাসন।

এছাড়াও রাজ্যের কাছে ৩০০টি সিলিন্ডার চেয়ে পাঠানো হয়েছে। অক্সিজেনের চাহিদা মেটাতে বিশেষ টাস্কফোর্স গঠন করেছে জেলা প্রশাসন। শিল্প ক্ষেত্রে ব্যবহৃত অক্সিজেন সংগ্রহ করে চিকিৎসা পরিষেবার কাজে লাগানো হচ্ছে। জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, বর্ধমানের দুটি প্ল্যান্টে মিনিটে হাজার লিটার ও কাটয়া, কালনার প্ল্যান্ট দুটিতে মিনিটে ৫০০ লিটার করে অক্সিজেন উৎপাদন হবে। সেই অক্সিজেন পাইপ লাইনের মাধ্যমে রোগীর কাছে পৌঁছে যাবে। এই প্ল্যান্টগুলি চালু হয়ে গেলে করোনা আক্রান্তদের চিকিৎসার জন্য অক্সিজেনের ঘাটতি অনেকটাই কমে যাবে বলে আশাবাদী প্রশাসন।

Saradindu Ghosh

Published by:Siddhartha Sarkar
First published: