চাপা উত্তেজনা এলাকায়, মেমারিতে বিজেপি তৃণমূল সংঘর্ষ গ্রেফতার পাঁচ

চাপা উত্তেজনা এলাকায়, মেমারিতে বিজেপি তৃণমূল সংঘর্ষ গ্রেফতার পাঁচ

উত্তেজনা চরমে থাকায় এলাকায় পুলিশ, র‍্যাফ ও কেন্দ্রীয় বাহিনীও মোতায়েন করতে হয়।

উত্তেজনা চরমে থাকায় এলাকায় পুলিশ, র‍্যাফ ও কেন্দ্রীয় বাহিনীও মোতায়েন করতে হয়।

  • Share this:

#মেমারি:  বিজেপি তৃণমূল সংঘর্ষের ঘটনায় গ্রেফতার পাঁচ জন। রাতভর এলাকায় অভিযান চালায় পুলিশ। সেই অভিযানেই এই পাঁচ জনকে গ্রেফতার করা সম্ভব হয়।  ধৃতদের রবিবার বর্ধমান আদালতে তোলা হয়।শনিবার নির্বাচনী প্রচারকে ঘিরে দফায় দফায় সংঘর্ষে জড়িয়ে পরে বিজেপি-তৃণমূল সমর্থকরা।

পূর্ব বর্ধমান জেলার মেমারির কুচুট ২ নং গ্রাম পঞ্চায়েতের নহাটী গ্রামের ঘটনা।বিজেপি তৃণমূলের মধ্যে সংঘর্ষে ভাঙচুর চালানো হয় বাইক ও চার চাকা গাড়ি ও একাধিক বাড়িতে।বাড়িতে ঢুকে লুঠপাটের অভিযোগও করে বিজেপি তৃণমূল একে অপরের বিরুদ্ধে। সংঘর্ষে দুপক্ষের ২০ জন জখম হয়।  পুলিশকে ঘিরে বিক্ষোভ দেখায় গ্রামবাসীরা। পরিস্থিতি সামাল দিতে গেলে ভাঙচুর করা হয় পুলিশের গাড়িও।

উত্তেজনা চরমে থাকায় এলাকায় পুলিশ, র‍্যাফ ও কেন্দ্রীয় বাহিনীও মোতায়েন করতে হয়। বিজেপি অভিযোগ করে ওই এলাকায় প্রার্থী প্রচারে গেলে বাধা দেয় তৃণমূল। তার জেরেই সংঘর্ষ। তৃণমূল পাল্টা  দাবি,  বিনা প্ররোচনায় বিজেপি আশ্রিত দুষ্কৃতীরা হামলা চালায়। বেশ কয়েকজনকে মারধর করে। গ্রামবাসীরা রুখে দাড়ালে সংঘর্ষ শুরু হয়।

স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, শনিদিন সকালে কর্মীদের নিয়ে নহাটি গ্রামে প্রচারে যান মেমারি বিধানসভা কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী বিশ্বদেব ভট্টাচার্য। অভিযোগ গ্রামে তাঁকে প্রচারে বাধা দেওয়া হয়। তখনকার মত বিজেপি কর্মী-সমর্থকরা সেখান থেকে চলে যায়। অভিযোগ, এরপরই বিজেপি আশ্রিত দুষ্কৃতীরা ওই গ্রামে ঢুকে ব্যাপকভাবে হামলা চালায়। বেশ কয়েকটি বাড়িতে ভাঙচুর চালানো হয়। তৃণমূল কংগ্রেস কর্মী সমর্থকদের ব্যাপক মারধর করা হয়।  তাদের গাড়িতে ভাঙচুর চালানো হয়। বেশ কয়েকটি বাড়িতে লুটপাট চালানো হয় বলে অভিযোগ। এরপর তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষ  থেকে বিজেপি কর্মী সমর্থকদের বাড়িতে পাল্টা হামলা চালানো হয়। বিজেপি কর্মীদের মারধর করা হয় বলে অভিযোগ উঠেছে।

তৃণমূল কংগ্রেস নেতৃত্বের দাবি, বিজেপি বাইরে থেকে লোকজন নিয়ে এসে পরিকল্পিত  ভাবে ওই গ্রামে হামলা চালায়। বিনা প্ররোচনায় তৃণমূল কংগ্রেস কর্মী সমর্থকদের মারধর করা হয়েছে। ঘটনায় জড়িত বিজেপি দুষ্কৃতীদের অবিলম্বে গ্রেফতারের দাবি জানানো হয়েছে। অন্যদিকে, বিজেপি নেতৃত্বের দাবি, অশান্তির পরিবেশ তৈরি করার জন্য ওই গ্রামে প্রচার  করার কাজে বাধা দেওয়া হয়। তার জেরেই এলাকার পরিবেশ উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।

Saradindu Ghosh

Published by:Debalina Datta
First published:

লেটেস্ট খবর