খোদ মা , ভাই ও জামাইবাবুর বিরুদ্ধে পাচার করার চেষ্টার অভিযোগ তুলে প্রশাসনের দ্বারস্থ সংখ্যালঘু গৃহবধু ।

খোদ মা , ভাই ও জামাইবাবুর বিরুদ্ধে পাচার করার চেষ্টার অভিযোগ তুলে প্রশাসনের দ্বারস্থ সংখ্যালঘু গৃহবধু ।
File Photo

কোনও অন্য পাচারকারির খপ্পরে পড়ে নয় খোদ নিজের মা , ভাই ও জামাই বাবু চক্রান্ত করে স্বামীর থেকে বিচ্ছিন্ন করে তাঁকে পাচার করে

  • Share this:

#বাঁকুড়া: কোনও অন্য পাচারকারির খপ্পরে পড়ে নয় খোদ নিজের মা , ভাই ও জামাই বাবু চক্রান্ত করে স্বামীর থেকে বিচ্ছিন্ন করে তাঁকে পাচার করে দেওয়ার চক্রান্ত করছে । এমনই অভিযোগ তুলে পুলিশ ও প্রশাসনের দ্বারস্থ হলেন বাঁকুড়ার পুনিশোল গ্রামের এক গৃহবধু । শুধু পাচার করাই উদ্যেশ্য নয় তাঁর জামাইবাবুর বিরুদ্ধে জোর করে শ্লীলতাহানির অভিযোগও এনেছেন ওই গৃহবধু ।

বাঁকুড়ার ওন্দা থানার পুনিশোল গ্রামে আব্দুল কাদের দালাল এর সঙ্গে বিয়ে হয় পানাগড়ের সাবানার । সম্পর্কে আব্দুল কাদের দালাল এর দাদা সফিজুদ্দিন দালাল সাবিনার ভাসুর হলেও শাবানার দিদির সঙ্গে সফিজুদ্দিনের বিয়ে হওয়ায় তাঁকে জামাইবাবু বলেই ডাকেন শাবানা ।

স্বামী উত্তর প্রদেশে কাজ করায় কয়েক মাস আগে পর্যন্ত সেখানেই স্বামীর সঙ্গে থাকতেন শাবানা । মাস কয়েক আগে সাবানা তাঁর দুই সন্তানকে নিয়ে পুনিশোল গ্রামে আসেন । তারপর থেকেই সাবানাকে ক্রমাগত তাঁর জামাইবাবু কুপ্রস্তাব দিতে শুরু করে । একাধিকবার জোর করে তাঁকে ধরে শ্লীলতাহানি করারও চেষ্টা করে বলে অভিযোগ । বিষয়টি মা ও ভাইকে জানালেও তাঁরা সেভাবে বিষয়টিতে আমল দিতে চাননি । উল্টে নিজের স্বামীর কাছ থেকে আলাদা করার জন্য মা , ভাই ও জামাইবাবু মিলিতভাবে শাবানাকে ক্রমশ চাপ দিতে শুরু করে বলে অভিযোগ । গত ২২ শে অক্টোবর শাবানাকে খাবারের সঙ্গে ঘুমের ওষুধ খাইয়ে ঘুমন্ত অবস্থায় তাঁকে পানাগর নিয়ে যাওয়া হয় । সেখানে বাপের বাড়িতে বেশ কিছুদিন কার্যত বন্দী অবস্থায় রাখা হয় বলে অভিযোগ । ৮ ডিসেম্বর সেখান থেকে কোনক্রমে পুনিশোলে নিজের শ্বশুর বাড়িতে পালিয়ে আসেন সাবানা ।

এরপর থেকে তিনি বারবার ওন্দা থানায় মা , ভাই ও জামাইবাবুর বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করলেও তাঁদের বিরুদ্ধে কোনও ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ । এরপর আজ সাবানা সুবিচারের আশায় বাঁকুড়া জেলার পুলিশ সুপারের দ্বারস্থ হন । শাবানার অভিযোগ মা , ভাই ও জামাইবাবু মিলিতভাবে স্বামীর কাছ থেকে তাঁকে আলাদা করে কোনও নিষিদ্ধ পল্লিতে বিক্রি বা পাচার করার জন্যই দিনের পর দিন এই ধরনের আচরণ করছে ।

First published: 07:50:25 PM Dec 16, 2016
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर