বাঁশকে বলে বলে টেক্কা দিচ্ছে কঞ্চি, বীরভূমে টাকার খেলায় ‘হেবিব’ লাভ কঞ্চিরই

বাঁশকে বলে বলে টেক্কা দিচ্ছে কঞ্চি, বীরভূমে টাকার খেলায় ‘হেবিব’ লাভ কঞ্চিরই

‘‘বাঁশের চেয়ে কঞ্চি দর’’ -ইঞ্চিতে ইঞ্চিতে বুঝিয়ে দিচ্ছে...

‘‘বাঁশের চেয়ে কঞ্চি দর’’ -ইঞ্চিতে ইঞ্চিতে বুঝিয়ে দিচ্ছে...

  • Share this:

#বীরভূম: প্রবাদে ই আছে "বাঁশের থেকে কঞ্চি দর "। ঠিক এই প্রবাদের ই আস্ফালন ঘটেছে বর্তমানে বীরভূমের রাজনৈতিক দলগুলির কাছে। ভোট প্রচারের জন্য পতাকা লাগানোর কঞ্চি বিক্রি হচ্ছে ফুট প্রতি হিসাবে। হিসাব করলে দেখা যাচ্ছে কঞ্চির দামই বেশি পড়ছে একটা গোটা বাঁশের থেকে।

 বীরভূম এ শেষ দফায় ভোট, রাজনৈতিক দল গুলোর প্রস্তুতি একদম তুঙ্গে,  চলছে জোর প্রচার,  চলছে সভা জনসভা। জাকজমক ভাবে ঢাক- ঢোল অথবা গান বাজিয়ে চলছে ভোট প্রচার, কোথাও বা প্রার্থী রা করছে রোড শো আবার কোথাও আয়োজন হচ্ছে ছোটো ছোটো সভা। তবে সব কিছুতেই মাধ্যম হচ্ছে নিজের দলের দলীয় পতাকা। তবে বর্তমানে নির্বাচনী বিধি চলায় সরকারি পোল দড়ি টাঙিয়ে বা কোনো সরকারি প্রতিষ্ঠানে লাগানো যাবে না কোনো রাজনৈতিক দলীয় ব্যানার থেকে শুরু করে পতাকা। এই নির্দেশ নামা জারি হওয়ায় খুব সমস্যায় পড়তে হয়েছে রাজনৈতিক দলগুলোকে। বর্তমানে দলগুলো কে কিনতে হচ্ছে প্রচুর কঞ্চি আর বাঁশ , ফলে এই ভোটের আবহাওয়ে প্রচুর পরিমানে লাভবান হচ্চে বাঁশ বিক্রেতারা। বিক্রেতা রা নিচ্ছেন ঠিক এই পরিস্থিতিরই সুযোগ , এই অবস্থায় বাঁশ কঞ্চির বাজার চলছে লাভ । বিক্রেতা রা বাঁশ কঞ্চি বিক্রি করছেন প্রায় আকাশ ছোঁয়া দামে। কঞ্চি আবার বিক্রী হচ্ছে ফুটের হিসাবে। তাই বর্তমান পরিস্থিতিতে বাঁশের থেকে কঞ্চির দর বেশিই দেখা যাচ্ছে কোন কোন ক্ষেত্রে। বাঁশ বলে আমায় দ্যাখ তো কঞ্চি বলে আমায়।

এই বাঁশ কঞ্চি কিনতে প্রায় খরচ বেশি হচ্ছে বলে জানিয়েছে সমস্ত রাজনৈতিক দল গুলো। তবু ও পিছু হোটেনি দলগুলি।একে অপর কে পাল্লা দিয়ে অর্ডার করছেন বাঁশ কঞ্চি, র তাতে লাগাচ্ছেন দলীয় ব্যানার ও পতাকা। ভোটের আগের মুহুর্ত পর্যন্ত ঠিক এই ভাবেই সব রাজনৈতিক দল গুলো তাদের বিভিন্ন উপায় এ ভোটে র প্রচার ও দলীয় কাজ করে যাচ্ছেন।  কোথাও ৩ ফূটের কঞ্চি দাম ৫ টাকা,  আবার কোথায় কঞ্চির পিস ৭ টাকা।

Supratim Das

Published by:Debalina Datta
First published: