Madan Mitra: বকুনির পর নির্ভরতার বার্তা দিলেন সেই 'দিদি'ই, আজ কামারহাটি পুরসভা যাচ্ছেন মদন

মদনে 'আস্থা' মমতার

Madan Mitra: এই বৈঠকে স্থানীয় বিধায়কের সঙ্গেই থাকবেন স্থানীয় সাংসদ সৌগত রায়। থাকবেন পুরসভার পুর প্রশাসক গোপাল সাহাও।

  • Share this:

#কামারহাটি: কামারহাটি তাঁর ভালোবাসার জায়গা। দিনে সবচেয়ে বেশি সময় কাটান সেই কামারহাটিতে। কামারহাটির প্রশাসক হিসাবে তিনি নিজকে দেখতে চেয়েছিলেন। তা নিয়ে নিজের মনের কথা গোপন রাখেননি। শুক্রবার রাতে ফেসবুক লাইভে এসে উগড়ে দিয়েছিলেন সেই কথা। আর তার পরেই শুরু হয়ে যায় বিপত্তি। শনিবার দলের সাংগঠনিক বৈঠকে দলনেত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায়ের কাছে তা নিয়ে বকা খান মদন মিত্র। এর পরেই ফেসবুক লাইভে রাশ টেনেছেন তিনি। তবে কামারহাটি নিয়ে মদন মিত্রের বক্তব্য শুনতে রাজি পুর দফতর। আজ দুপুর ২টোয় কামারহাটি পুরসভার সমস্ত কো-অর্ডিনেটরদের নিয়ে একটি বৈঠক ডাকা হয়েছে। এই বৈঠকে স্থানীয় বিধায়কের সঙ্গেই থাকবেন স্থানীয় সাংসদ সৌগত রায়। থাকবেন পুরসভার পুর প্রশাসক গোপাল সাহাও। সেখানেই কামারহাটি সাজানোর পরিকল্পনা করবেন মদন মিত্র।

শুক্রবার রাতে ফেসবুক লাইভে এসে মদন মিত্র বলেছিলেন তাকে কামারহাটি পুরসভার প্রশাসক করা হোক। তিনি কলকাতার থেকেও বেশি সাজিয়ে তুলবেন কামারহাটিকে। কামারহাটির পুর প্রশাসক গোপাল সাহার সাথে কার্যত সাপে নেউলে সম্পর্ক। এরই মধ্যে মদন মিত্র বলে বসেন, তিনি বিধায়ক পদ ছেড়ে দিতে চান। তার মন্ত্রীত্ব চাই না। তার চাইনা কোনও পদ। যদিও কামারহাটির বিধায়কের এই ফেসবুক লাইভ কে ভালো চোখে দেখেনি দল। তবে দলনেত্রীর কাছে ধমক খাওয়ার পরেও ফেসবুক লাইভে আসেন মদন মিত্র।

সেখানে তিনি বলেন, "ঘটি বাটি পাশাপাশি থাকলে ঝনঝন আওয়াজ হয়। এত বড় জাহাজ একটু তো ধাক্কা লাগবেই। তবে সেই ধাক্কা ব্যক্তিগত নয়। আমি গোপাল সাহাকে বলেছি রবিবার দুপুর ১টায় তুমি সব কাউন্সিলরদের ডাকো। অনেক কাউন্সিলরকে বলেছি শুনেছি তোমায় এক, আমায় এক। তাই কাউন্সিলরদের ডেকে লিখিত নাও। সেটার লিখিত চন্দ্রিমাকে দেব। কার কি চাই?  সবাইকে ডাল, ভাত, তরকারি আর দই খাওয়াব। আমি তিনবারের বিধায়ক। গোপাল তুমি আর আমি বসব। কামারহাটিকে সাজিয়ে দেব। নাম হবে একদিন গোপালনগর।" যদিও সেই বৈঠক রবিবার হয়নি৷ পরিবর্তে আজ হবে সেই মিটিং। যেখানে প্রশাসক গোপাল সাহা ও সাংসদ সৌগত রায়ের মাঝে বসে আলোচনা করবেন মদন মিত্র।

Published by:Suman Biswas
First published: