Cyclone Yaas: আয়লা-ফণী-আমফান ধ্বস্ত সুন্দরবনে ত্রাসের নাম যশ, দিনভর যুদ্ধে প্রশাসন

জেলাশাসকের কপ্টার থেকে সুন্দরবনের দ্বীপ। নিজস্ব চিত্র

গোটা পরিস্থিতি তদারকিতে আজ দিনভর কপ্টারে গঙ্গাসাগর চষলেন দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলার জেলাশাসক পি উল্গানাথন।

  • Share this:

    #কলকাতা: আয়লা দেখেছেন ওঁরা। দেখেছেন আমফান। আগামী ২৫ ও ২৬ মে আরও একবার দুর্যোগের মুখে পড়তে চলেছে সুন্দরবন। আবহবিদদের পূর্বাভাস অনুযায়ী, সুন্দরবনের উপর দিয়েই যাবে ভয়াবহ ঘূর্ণিঝড় যশ। আপাতত প্রশাসনের চ্যালেঞ্জ এই ঘূর্ণিঝড়ের ক্ষয়ক্ষতি যথাসম্ভব এড়ানো, আর মানুষকে ত্রাণশিবিরে পৌঁছে দেওয়া। গোটা পরিস্থিতি তদারকিতে আজ দিনভর কপ্টারে গঙ্গাসাগর চষলেন দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলার জেলাশাসক পি উল্গানাথন।

    এদিন জেলাশাসক গঙ্গাসাগরে হেলিপ্যাডে নামেন সকাল ১১ টা নাগাদ। তার পর সাগর কোস্টাল থানার ওসি তরুণ রায়কে সঙ্গে নিয়ে জেলাশাসক সাগর-সহ গোটা নদীপথ নিজে হেলিকপ্টার নিয়ে ঘুরে দেখেন। একদিকে তিনি যখন ঘুরছেন আকাশে, তখনই নদী তীরবর্তী গ্রামগুলিতে মাইকিং চলছে কাঁচা ঘরবাড়ি ছেড়ে মানুষ যেন সাইক্লোন সেন্টারে চলে যান। আবার একই সময়ে টহল দিতে থাকে উপকূলরক্ষী বাহিনীও। তারা মাইকিং চালাচ্ছিলেন মৎস্যজীবীদের রুখতে। বিস্তীর্ণ এলাকা ঘুরে দেখার পরে আবার হেলিকপ্টার সাগরের হেলিপ্যাডে ল্যান্ড করে সাগর কোস্টাল থানার বড়বাবু তরুণ রায়কে ছেড়ে দিয়ে আকাশপথে কলকাতার দিকে রওনা দেন পি উল্গানাথন।

    এখন ঠিক কোথায় আছে যশ দেখুন-

    প্রসঙ্গত আগামিকালই ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হতে চলেছে যশ। আবহবিদরা বলছেন, ক্রমেই তা জোরালো হবে, আঘাত হানবে ধাপে ধাপে। আগামিকাল থেকে বৃষ্টি‌ শুরু হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে দক্ষিণ চব্বিশ পরগণা জুড়েই। এই পরিস্থিতিতে জেলা প্রশাসন চাইছে দুর্যোদের আগেই সাধারণ মানুষকে ত্রাণশিবিরে পাঠাতে। সেই মতোই প্রচার চলছে গোসাবা, কুমিরমারি, ধসখালি অঞ্চলে। প্রচার চলছে সাগর, পাথরপ্রতিমা, ক্যানিং, রায়দিঘিতেও। পাশাপাশি চলছে বাধ মেরামতির কাজ। প্রশাসনের আরেকটি অন্যতম চ্যালেঞ্জ এখনও যারা মাছ ধরার জন্য জলে রয়েছেন তাঁদের দ্রুত ফিরিয়ে আনা।

    Published by:Arka Deb
    First published: