• Home
  • »
  • News
  • »
  • south-bengal
  • »
  • Bangaon Hospital : ১১ মাসের শিশুর মাথায় আটকে গেল হাঁড়ি, দীর্ঘ প্রচেষ্টায় অবশেষে স্বস্তি হাসপাতালে

Bangaon Hospital : ১১ মাসের শিশুর মাথায় আটকে গেল হাঁড়ি, দীর্ঘ প্রচেষ্টায় অবশেষে স্বস্তি হাসপাতালে

ঘটনাটি ঘটে বনগাঁর কালোপুর বিশ্বাসপাড়া এলাকায়

ঘটনাটি ঘটে বনগাঁর কালোপুর বিশ্বাসপাড়া এলাকায়

Bangaon Hospital :মঙ্গলবার দুপুরে খেলতে খেলতে হঠাৎ ১১ মাসের ছোট্ট দেবরাজের মাথায় হাঁড়ি আটকে যায়

  • Share this:

    বনগাঁ : ১১ মাসের শিশুর মাথায় আটকে গেল হাঁড়ি ৷ দীর্ঘ ক্ষণের প্রচেষ্টার পর অবশেষে মাথা থেকে হাড়ি বের করা হল বনগাঁ হাসপাতালে (Bangaon Hospital)  ।

    মঙ্গলবার দুপুরে খেলতে খেলতে হঠাৎ ১১ মাসের ছোট্ট দেবরাজের মাথায় হাঁড়ি আটকে যায় ৷ ঘটনাটি ঘটে বনগাঁর কালোপুর বিশ্বাসপাড়া এলাকায়৷ বাড়ির লোক প্রথমে বুঝতে পারেননি, তারপর দেখেন বাচ্চার মাথায় আটকে আছে হাঁড়ি৷ বাড়িতে চেষ্টা করার পর বার করা যায়নি ওই হাঁড়িটি৷ তার পর বনগাঁ হাসপাতালে নিয়ে গেলে ডাক্তাররা প্রাথমিকভাবে চেষ্টা চালানোর পরে বুঝতে পারেন তাদের দ্বারা সম্ভব নয় ।

    আরও পড়ুন : ফের কালনার গঙ্গায় দেখা মিলল কুমিরের, এ বার সরীসৃপের গতির অভিমুখ হুগলির দিকে

    আরও পড়ুন : হাতিদের করিডরে যুক্ত হতে চলেছে পূর্ব বর্ধমান, ভাবনা বন দফতরের 

    খবর দেওয়া হয় বনগাঁ দমকল বাহিনীকে৷ পরবর্তীতে ডাক্তার ও দমকল বাহিনীর যৌথ প্রচেষ্টায় অবশেষে হাঁড়িটি কেটে বার করা হয় দেবরাজ এর মাথা । আশঙ্কা থেকে মুক্ত হয় ছোট্ট শিশুকে৷ বর্তমানে সুস্থ আছে ছোট্ট দেবরাজ । এই  বিষয়ে তাঁর মা অনিতা সরকার বলেন, ‘‘ আমি তখন ঘরে ছিলাম না৷ ও খেলা করছিল, তার পরেই আমি ঘরে এসে দেখি ওর মাথায় হাঁড়িটি আটকে রয়েছে, বাড়িতে আমরা চেষ্টা করা সত্ত্বেও হাড়ি বের করতে পারিনি, তারপর আমরা বনগাঁ হসপিটালে নিয়ে যাই৷’’

    আরও পড়ুন : '‘আমি বড় কষ্টে আছি, আমাকে একটু দয়া কর’’ বৃদ্ধার কান্নায় সাড়া মিলল, এগিয়ে এলেন ‘এই’ মানুষটি

    এ বিষয়ে বনগাঁ ফায়ার স্টেশন অফিসার শম্ভু কুন্ডু বলেন, ‘‘হাসপাতাল থেকে আমাদের কাছে খবর যায়৷ সঙ্গে সঙ্গে আমরা দেরি না করে ছুটে আসি, এবং প্রায় দীর্ঘ এক ঘণ্টার চেষ্টায় অবশেষে বাচ্চার মাথা থেকে হাঁড়ি কেটে বার করি , সুস্থ-স্বাভাবিকভাবে বাচ্চাকে তার মায়ের কোলে ফিরিয়ে দিতে পেরে আমরা খুশি ।’’

    ( প্রতিবেদন-অনিরুদ্ধ কীর্তনিয়া)
    Published by:Arpita Roy Chowdhury
    First published: