Chaitra Sankranti 2023:কেন চৈত্র সংক্রান্তিতে চড়ক পুজো হয়? নেপথ্যে রয়েছে চমকে দেওয়া ইতিহাস

Last Updated:

এই পুজোর ক্ষেত্রে সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য বিষয় হল দৈহিক যন্ত্রণা যা এই পুজোর এক বিশেষ অঙ্গ বলে মনে করা হয়

চড়ক নিয়ে রয়েছে অনেক ইতিহাস। জানুন
চড়ক নিয়ে রয়েছে অনেক ইতিহাস। জানুন
শিলিগুড়ি : বাঙালির বারো মাসে তেরো পার্বণ। এই উৎসব শুরু হয় পয়লা বৈশাখ দিয়ে,  শেষ হয় চৈত্র সংক্রান্তিতে। পয়লা বৈশাখের আগের দিন বা চৈত্র সংক্রান্তিতে পালিত হয় চড়কের পুজো।  চৈত্র সংক্রান্তি থেকে শুরু হয়ে নতুন বছরের প্রথম দু-তিন দিন চলে চড়ক পুজোর উৎসব। চড়ক পুজোর কিছু বিশেষ প্রথা রয়েছে, যা আজও নিষ্ঠার সঙ্গে পালন করা হয়  যেমন, জ্বলন্ত কয়লার ওপর দিয়ে হাঁটা, ছুরি এবং কাঁটার ওপর লাফানো, কুমিরের পুজো,  আগুনের উপর নাচ, শরীর বাণবিদ্ধ করে চড়কগাছে দোলা।
চড়কের ইতিহাস নিয়ে নানা কাহিনি প্রচলিত আছে। নানা মুণির নানা মত।  প্রচলিত লোককথা বলছে, রাজা সুন্দরানন্দ ঠাকুর ১৪৮৫ সালে এই পুজোর প্রচলন করেন। তবে তিনি এই পুজো আরম্ভ করলেও তা কখনও রাজবাড়ির পুজো ছিল না বরং এটি ছিল হিন্দু সমাজের লোকসংস্কৃতি। এই পুজোর নেপথ্যে রয়েছে ভূতপ্রেত ও পুনর্জন্মবাদের ওপর বিশ্বাস।
advertisement
এই পুজোর ক্ষেত্রে সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য বিষয়টি হল দৈহিক যন্ত্রণা। প্রাচীন কৌম সমাজে প্রচলিত নরবলির সঙ্গে সম্পর্ক রয়েছে এই পুজোর রীতি-নীতির।
advertisement
সর্বোপরি এই পুজোর মূলে রয়েছে ভূত-প্রেত এবং পূনর্জন্মের গাঁথা। এই পুজোর অঙ্গ হিসাবে ভক্ত, সন্ন্যাসী এবং সাধুসন্তরা হুড়কো দিয়ে নিজেদের চাকার সঙ্গে বেঁধে দ্রুত বেগে ঘুরতে থাকেন। আবার লোহার শলাকা তাঁদের পায়ে ,হাতে, গায়ে, পিঠে, এমনকী জিহ্বাতেও প্রবেশ করানো হয়।এছাড়াও, কুমিরের পুজো, জ্বলন্ত অঙ্গারের ওপর হাঁটা, গায়ে ধারালো জিনিস ফোটানো, ধারালো কিছুর ওপর লাফানো, অগ্নিনৃত্য এই পুজোর বিশেষ অংশ বলে মনে করা হয়।
advertisement
অনির্বাণ রায়
view comments
বাংলা খবর/ খবর/শিলিগুড়ি/
Chaitra Sankranti 2023:কেন চৈত্র সংক্রান্তিতে চড়ক পুজো হয়? নেপথ্যে রয়েছে চমকে দেওয়া ইতিহাস
Next Article
advertisement
‘আমরা ট্যাক্স দিই এই জন্য?’ দিল্লির বিষাক্ত দূষণে নাক–গলার অস্ত্রোপচার ছোট্ট ছেলের, ভেঙে পড়লেন মা!
‘ট্যাক্স দিই এই জন্য?’ দিল্লির বিষাক্ত দূষণে নাক–গলায় অস্ত্রোপচার ছেলের, ভেঙে পড়লেন মা
  • সাক্ষী পাহাওয়ার ছেলের শারীরিক অবস্থা এতটাই খারাপ হয় যে চিকিৎসকদের অস্ত্রোপচার করতে হয়.

  • দিল্লি-এনসিআর দূষণের কারণে সাক্ষীর ছেলের শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যা বেড়ে যায়, চিকিৎসায় কাজ হয়নি.

  • দূষণের কারণে ছেলের অ্যাডিনয়েড ও টনসিল স্টেজ-৪ পর্যায়ে পৌঁছে যায়, অস্ত্রোপচার ছাড়া উপায় ছিল না.

VIEW MORE
advertisement
advertisement