• Home
  • »
  • News
  • »
  • off-beat
  • »
  • ছায়াপথের সব শব্দ এ বার শোনা যাবে সরাসরি! সাড়া জাগানো আবিষ্কারে স্তম্ভিত বিশ্ব

ছায়াপথের সব শব্দ এ বার শোনা যাবে সরাসরি! সাড়া জাগানো আবিষ্কারে স্তম্ভিত বিশ্ব

ফাইল চিত্র।

ফাইল চিত্র।

সাম্প্রতিক এক তেমনই আবিষ্কার সাড়া জাগিয়ে দিয়েছে ইতিমধ্যে। ছায়াপথের যাবতীয় শব্দ না কি এ বার শোনা যাবে সরাসরি!

  • Share this:

মহাকাশ, ছায়াপথ- এই সব নিয়ে সুদূর অতীত থেকে মানুষের জিজ্ঞাসার শেষ নেই। রহস্য উন্মোচনের জন্য, অজানাকে জানার জন্য রাত-দিন কত আবিষ্কারই না হয়ে চলছে বিজ্ঞানী মহলে। সাম্প্রতিক এক তেমনই আবিষ্কার সাড়া জাগিয়ে দিয়েছে ইতিমধ্যে। ছায়াপথের যাবতীয় শব্দ না কি এ বার শোনা যাবে সরাসরি!

বিশদে যাওয়ার আগে একবার ছোট করে দেখে নেওয়া যাক কী এই আবিষ্কার! সনিফিকেশন-এর মাধ্যমে ছায়াপথের যাবতীয় ছবি, যা কি না টেলিস্কোপে ধরা পড়ে, তাকে এবার বদলে ফেলা যাবে শব্দতে। এর মধ্যেই কিন্তু 'সুপারনোভা ক্যাসিওপিয়া' এবং 'প্লেস অফ ক্রিয়েশন'- এই দু'টি ছবিকে বদলে ফেলা গিয়েছে শব্দতে।

এ হেন মহাজাগতিক ছবি আমরা কী ভাবে পাই? আসলে বিভিন্ন শক্তিশালী টেলিস্কোপ যন্ত্র মহাকাশের এক একটা জায়গা থেকে ডিজিটাল তথ্য সংগ্রহ করে সেই তথ্যকে ছবিতে রূপান্তরিত করে। সেই ছবি দেখে বিজ্ঞানীরা অনুমান করে নেন পৃথিবীর বাইরে মহাকাশের ওই অংশের চেহারা এবং অবস্থা কী রকম হতে পারে। সনিফিকেশন পদ্ধতি হল সেই ডিজিটাল তথ্যকেই স্রেফ শব্দে রূপান্তরিত করা। কোনও একটি ছবির বাম দিক থেকে ডান দিকে ধীরে ধীরে সনিফিকেশন পদ্ধতি সম্পন্ন হয় এবং ফলাফল হিসেবে ছবি রূপান্তরিত হয়ে যায় শব্দে।

সম্প্রতি মার্কিন মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসা জানিয়েছে, এই সনিফিকেশনের মাধ্যমে আকাশগঙ্গার কেন্দ্রের কাছাকাছি অঞ্চলের শব্দ ধরা গিয়েছে। নাসার চন্দ্র এক্স রে অবজারভেটরিতে থাকা হাবল টেলিস্কোপ মারফত ৪০০ আলোকবর্ষ দূরে থাকা মহাশূন্যের শব্দ এ বার ধরা পড়বে এই উন্নত সনিফিকেশন প্রযুক্তিতে।

আকাশগঙ্গা, আমরা যে ছায়াপথে রয়েছি, তার কেন্দ্রে পৌঁছনো মানুষের পক্ষে সম্ভব নয়। কিন্তু তাই বলে কি আকাশগঙ্গার কেন্দ্র নিয়ে গবেষণা থেমে থাকবে? কখনও হতেই পারে না। তাই বিজ্ঞান সুযোগ করে দিয়েছে আকাশগঙ্গাকেও এ বার হাতের মুঠোয় নিয়ে আসার। বিজ্ঞানীদের অনুমান, আকাশগঙ্গার কেন্দ্র থেকেই কয়েক লক্ষ বছর আগে তৈরি হয়েছিল আমাদের পৃথিবী। ওই অঞ্চলের শব্দ যদি কানে শোনা যায়, তবে তা থেকে মহাকাশের আরও নানা রহস্যের জট খুলবে বলে আশাবাদী মহাকাশ বিজ্ঞানীরা।

প্রতিবেদন- মধুমন্তী চ্যাটার্জী।

Published by:Arka Deb
First published: