• Home
  • »
  • News
  • »
  • off-beat
  • »
  • হনুমানজির বরে জন্ম নিল সন্তান, প্রতিদিন তার শরীর থেকে বের হত সোনার অলঙ্কার

হনুমানজির বরে জন্ম নিল সন্তান, প্রতিদিন তার শরীর থেকে বের হত সোনার অলঙ্কার

প্রতি সপ্তাহের মঙ্গলবারে এমনটা করতে পারলে জীবনের সমস্ত বাধা বিপত্তি অতিক্রম করা যায় ৷

প্রতি সপ্তাহের মঙ্গলবারে এমনটা করতে পারলে জীবনের সমস্ত বাধা বিপত্তি অতিক্রম করা যায় ৷

প্রতি সপ্তাহের মঙ্গলবারে এমনটা করতে পারলে জীবনের সমস্ত বাধা বিপত্তি অতিক্রম করা যায় ৷

  • Share this:

    #কলকাতা: মঙ্গলবার, হনুমানজির পুজোর দিন ৷ শাস্ত্র মতে, এই দিন স্নান সেরে লাল পট্ট বস্ত্র পরে, লাল ফুল দিয়ে হনুমানজিকে সাজিয়ে, ২১ ধরের মিষ্টি দিয়ে নৈবেদ্য দিয়ে হনুমান চল্লিশা পাঠ করলে তিনি সন্তুষ্ট হন ৷ প্রতি সপ্তাহের মঙ্গলবারে এমনটা করতে পারলে জীবনের সমস্ত বাধা বিপত্তি অতিক্রম করা যায় ৷ কিন্তু আপনি কী জানেন, কে প্রথম শুরু করেছিল এই পুজোর প্রচলন ? কথিত আছে, প্রতি মঙ্গলবারে এই উপোস শুরু করেছিলেন নন্দা সন্ন্যাসীর স্ত্রী সুনন্দা ৷ মঙ্গলবার না খেয়ে হনুমানজির আরাধনা করতেন তিনি ৷ এভাবে বেশ ভালই চলছিল ৷ একদিন হঠাৎই অনেক কাজের মধ্যে মঙ্গলবারের কথা ভুলে গেলেন সুনন্দা ৷ যখন মনে পড়ল তখন দিন প্রায় শেষ হয়ে এসেছে ৷ অনুশোচনায় যেন মাটিতে মিশে যেতে লাগলেন ঋষি পত্নী ৷ স্থির করলেন, পরের মঙ্গলবার পর্যন্ত উপবাসে থাকবেন তিনি ৷ এই বলে উপবাস শুরু করলেন তিনি ৷ সুনন্দার এই একনিষ্ঠতায় প্রসন্ন হলেন হনুমানজি ৷ তিনি দেখা দিয়ে বরদান করলেন সুনন্দাকে ৷

    আরও পড়ুন: এই ৫টি হনুমান মন্ত্র পাঠ করুন, জীবন থেকে সমস্ত দুঃখ-দুর্দশা ঘুচে যাবে

    বললেন, সুনন্দার এমন কন্যাসন্তান জন্ম নেবে যার শরীর দিয়ে প্রতিদিন স্বর্ণ অলঙ্কার বেরিয়ে আসবে ৷ সেই কথা মতো এর কয়েক মাস পরেই একটি কন্যাসন্তানের জন্ম দিলেন সুনন্দা ৷ তার গা থেকে রোজই সোনার গয়না বেরতে শুরু করল ৷

    প্রতীকী ছবি ৷

    আরও পড়ুন: ঠাকুরঘরে ঠাকুরের মুখ কোনদিকে রাখা উচিত জানেন ?

    এদিকে প্রতিদিন সোনার গয়না পেতে পেতে চরম লোভী হয়ে উঠলেন সুনন্দা ৷ লোভ দিন দিন বেড়েই যেতে লাগল ৷ তিনি ঠিক করলেন কোনওদিন মেয়ের বিয়ে দেবেন না ৷ কিন্তু এর মধ্যেই সোমেশ্বর নামে এক ভাল পাত্র পেয়ে কন্যাকে পাত্রস্থ করে দিলেন সন্ন্যাসী নন্দা ৷ এদিকে সোনার লোভে পাগল হয়ে উঠলেন স্বর্ণলতার মা সুনন্দা ৷ জামাইকে হত্যা করেন তিনি ৷ শোকে পাথর হয়ে নাওয়া-খাওয়া ছেড়ে স্বর্ণলতা ঠাকুরঘরে দোর দেন ৷ শেষ পর্যন্ত তাঁর কাতর ডাকে সাড়া দেন মঙ্গলদেব ৷ কথা দেন দু’টি বর দেবেন তিনি ৷ স্বর্ণলতা তখন একটি বরে তাঁর স্বামীর জীবন প্রার্থনা করেন ৷ অন্য একটি বরে মঙ্গলদেব বলেন, যে কেউ মঙ্গলবারে পুজো করলে তাঁর জীবন আনন্দে ভরে উঠবে এবং সমস্ত চাহিদা পূর্ণ হবে ৷

    First published: