করোনা আক্রান্তের নাম শুনলেই ভাড়া বেড়ে যাচ্ছে অ্যাম্বুলেন্সের, মাথায় হাত রোগীর পরিবারের

বিপাকে পড়েছেন করোনা আক্রান্ত পরিবারেরা। সমস্যা বেড়েছে দিন আনি দিন খাই পরিবারের। অ্যাম্বুলেন্সের টাকা জোগাড় করাই কার্যত দুষ্কর হয়ে দাঁড়িয়েছে অনেকেরই কাছে।

বিপাকে পড়েছেন করোনা আক্রান্ত পরিবারেরা। সমস্যা বেড়েছে দিন আনি দিন খাই পরিবারের। অ্যাম্বুলেন্সের টাকা জোগাড় করাই কার্যত দুষ্কর হয়ে দাঁড়িয়েছে অনেকেরই কাছে।

  • Share this:

 Partha Sarkar

#শিলিগুড়ি: বাড়ছে আক্রান্তের গ্রাফ। বাড়ছে চিন্তার ভাঁজ! আর চিকিৎসায় সুস্থ করে তোলা থেকেও আক্রান্তের পরিবারদের এখন বেশী ভাবাচ্ছে অ্যাম্বুলেন্সের ভাড়া! অতিমারি করোনার সুযোগে লাগামহীন ভাড়া নিচ্ছে অ্যাম্বুলেন্স। এমনটাই অভিযোগ শিলিগুড়ির একাধিক আক্রান্ত পরিবারের সদস্যদের। বাড়ি বা এক হাসপাতাল থেকে অন্য হাসপাতালে নিয়ে যেতে গুনতে হচ্ছে কয়েক গুন বেশী টাকা। একেই রোগীকে সুস্থ করে তোলা নিয়ে এক চিন্তা, সঙ্গে বাড়তি চিন্তা বাড়িয়ে দিচ্ছে এক শ্রেণীর অ্যাম্বুলেন্স চালকেরা। মর্জিমাফিক ভাড়া চাইছে বলে অভিযোগ তুলেছেন অনেকেই। নইলে রোগীকে অ্যাম্বুলেন্সে তুলছেই না। যেখানে রাজ্য সরকার নির্দিষ্ট রেট চার্ট বেধে দিয়েছে। তারপরও লাগামহীন ভাড়া নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে শিলিগুড়িতেও। বিপাকে পড়েছেন করোনা আক্রান্ত পরিবারেরা। সমস্যা বেড়েছে দিন আনি দিন খাই পরিবারের। অ্যাম্বুলেন্সের টাকা জোগাড় করাই কার্যত দুষ্কর হয়ে দাঁড়িয়েছে অনেকেরই কাছে।

শিলিগুড়ি জেলা হাসপাতাল থেকে উত্তরবঙ্গ মেডিকেলের অ্যাম্বুলেন্স ভাড়া চাইছে ২ থেকে ৩ হাজার টাকা! আবার বাগডোগরা থেকে শিলিগুড়ির কোনও বেসরকারী হাসপাতালে রোগী নিয়ে আসতে চাইছে আরও কয়েক গুন বেশী ভাড়া। জাহাঙ্গীর আলি, শেফালি সরকারেরা বলছেন, একেই ব্যয় বহুল চিকিৎসা। তারওপর অ্যাম্বুলেন্স ভাড়া টানা মুশকিল হয়ে দাঁড়িয়েছে। নিজের স্ত্রীকে হারিয়েছেন করোনায়, বাগডোগরার বাসিন্দা বিলাশ দেবনাথের কথায়, "মনোপলি ব্যবসা করছে এক শ্রেণীর অ্যাম্বুলেন্স এবং বেসরকারী হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। প্রশাসনিক পদক্ষেপ জরুরি।" এ তো গেল হাসপাতালে ভর্তি নেওয়ার ক্ষেত্রে অতিরিক্ত ভাড়া নেওয়ার অভিযোগ! শ্মশানে নিয়ে যাওয়ার ভাড়া আরও কয়েক গুন বেশী! যা শুনলে অনেকেই হিমড়ি খেয়ে পড়বেন!

এক অ্যাম্বুলেন্স চালকের কথায়, "যথেষ্ট ঝুঁকি নিয়ে কাজ করতে হচ্ছে। সরকার যে ভাড়া ঠিক করে দিয়েছে, তা দিয়ে কিছুই থাকে না। ভাড়া না বাড়ালে অ্যাম্বুলেন্স চালানোই সম্ভব নয়।" অন্যদিকে শিলিগুড়ি পুরসভার প্রশাসক গৌতম দেব জানান, "পুরসভা সহ একাধীক স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন অ্যাম্বুলেন্স পরিষেবা দিচ্ছে নিখরচায়। এমনকী শবদেহবহনকারী গাড়িও রয়েছে পুরসভার। আক্রান্তদের সুবিধার্থেই এই পরিষেবা চালু করা হয়েছে। এরপরও যদি কেউ প্রয়োজনে অ্যাম্বুলেন্স ভাড়া করে থাকে, সুনির্দিষ্ট অভিযোগ পেলে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।"

Published by:Simli Raha
First published: