Cooch Behar News: নরকযন্ত্রণা কাকে বলে! এখানে একরাত কাটালেই টের পাবেন হাড়ে হাড়ে
- Reported by:Sarthak Pandit
- Published by:Purnendu Mondal
Last Updated:
এটা যেন সাক্ষাৎ নরক যন্ত্রণা! যেভাবে থাকতে হচ্ছে রোগীর আত্মীয় পরিজনদের!
কোচবিহার: কোচবিহারের সদর শহরের একটা সময়ের মহারাজা জিতেন্দ্র নারায়ণ হাসপাতাল বর্তমান সময়ে মেডিকেল কলেজ। ফলে স্বভাবতই রোগীর সংখ্যা বেড়ে উঠেছে অনেকটাই। দূর-দূরান্তের বহু মানুষেরা এখানে আসেন চিকিৎসার জন্য। তবে এখানে চিকিৎসা করাতে আসা রোগের আত্মীয় পরিজনদের চরম ভোগান্তির শিকার হতে হচ্ছে। মহারাজা জিতেন্দ্র নারায়ণ মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের মাতৃমা বিভাগ আর এই বিভাগের সামনেই রাস্তার ওপর রাত কাটাতে হচ্ছে রোগীর আত্মীয় পরিজনদের। আর এই কারণেই রীতিমত নরকযন্ত্রণা ভোগ করতে হচ্ছে এই সমস্ত মানুষগুলির।
আকসার আলি মিঞা জানান, “দীর্ঘ সময় ধরে রোগীর আত্মীয় পরিজনদের এই পরিস্থিতিতেই মাতৃমা বিভাগের সামনে রাত কাটাতে হচ্ছে। এলাকার ড্রেনগুলিও পরিষ্কার নয় সম্পূর্ণ। মশার উপদ্রব রয়েছে অনেকটা। এই পরিস্থিতিতে রাত কাটানো মনে একপ্রকার নরকযন্ত্রণা ভোগ করা। তবুও একপ্রকার নিরুপায় হয়েই এখানে রাত কাটাতে হচ্ছে। দূর-দূরান্ত থেকে আসা রোগীর আত্মীয় পরিজনেরা টাকা পয়সার অভাবে বাড়ি ভাড়া নিয়ে থাকতে পারছে না। তাই বাধ্য হয়ে রাস্তার ওপর প্লাস্টিক বিছিয়ে মশারি টাঙিয়ে থাকতে হচ্ছে। তবে যেকোনও সময় বৃষ্টি আসার সম্ভাবনাও থাকছে অনেকটা।”
advertisement
advertisement
ফালাকাটা থেকে কোচবিহারে আসা এক রোগীর আত্মীয় রোগীর আত্মীয়া নুর বানু জানান, “মহিলাদের এখানে থাকা অনেকটাই কষ্টকর। না রয়েছে পর্যাপ্ত বাথরুমের সুবিধা। না রয়েছে থাকার কোনও ব্যবস্থা। মহিলারা রাস্তার ওপর থাকতে গিয়ে সমস্যায় পড়ছেন।” আরেক রোগীর আত্মীয় সুশীল ভদ্র জানান, “এই জায়গায় থাকতে হচ্ছে শুধুমাত্র রোগীর জন্য। নাহলে এতো কষ্ট কেউ করতে চান না।” এই বিষয়ে এমএসভিপি সৌরদীপ রায় জানান, “মাতৃমায় বিশ্রামাগার তৈরীর বিষয়টি বেশ কিছুটা সময় ধরে প্রস্তাব আকারে রয়েছে। সেটিকে দ্রুত বাস্তবায়ন করার জন্য চেষ্টা চালানো হচ্ছে।”
advertisement
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
রাস্তার ওপর থাকার এই সমস্যার কারণে মাঝেমধ্যেই রোগীর আত্মীয় পরিজনদের মধ্যে ক্ষোভের সঞ্চার হতে দেখা যায়। তবে দীর্ঘ সময় ধরে এই সমস্যার আজও কোনও সমাধান করা সম্ভব হয়নি। বর্ষার মরসুমে রোগীর আত্মীয় পরিজনদের এই ভোগান্তি আরোও অনেকটাই চরমে উঠবে। তাই তাঁরা চাইছেন দ্রুত সরকারি পদক্ষেপের মাধ্যমে একটি স্থায়ী ব্যবস্থা। যাতে কিছুটা সুবিধা হয় তাঁদের থাকার জন্য।
advertisement
Sarthak Pandit
Location :
Kolkata [Calcutta],Kolkata,West Bengal
First Published :
Mar 22, 2025 4:16 PM IST








