• Home
  • »
  • News
  • »
  • north-bengal
  • »
  • বছরভর জমিয়ে রাখা আবেগের বিস্ফোরণ মরশুমের প্রথম ডার্বিতে

বছরভর জমিয়ে রাখা আবেগের বিস্ফোরণ মরশুমের প্রথম ডার্বিতে

Photo Courtesy : East Bengal

Photo Courtesy : East Bengal

ডার্বি শেষ। আজ থেকে আবার সব স্বাভাবিক।

  • Share this:

    #শিলিগুড়ি: ডার্বি শেষ। আজ থেকে আবার সব স্বাভাবিক। তার আগে রবিবার একটা ঝড় বয়ে গেল। এক বছর ধরে জমিয়ে রাখা আবেগের বিস্ফোরণ হল বড় ম্যাচকে কেন্দ্র করে।

    আই লিগের ক্রীড়াসূচি প্রকাশের পর বাঙালি আর কোনও দিকে চোখ রাখেনি। খালি খুঁজেছিল প্রথম ডার্বির দিন। ক্যালেন্ডারের পাতা ছিঁড়ে সেই ১২ ফেব্রুয়ারি। হয়ে গেল আই লিগের কলকাতা ক্ল্যাসিকো। তার জন্য ছুটির দিন যা হল, তা সেই চিরাচরিত। মাঠে লড়াই ২২ জনের। আর বাইরে লক্ষাধিক সমর্থকের। একটা ডার্বি কম্পনের সাক্ষী থাকল বাংলা। যার কেন্দ্রবিন্দু শিলিগুড়ি। রিখটার স্কেল নয়, এই কম্পন সীমাহীন আবেগের। বালি থেকে বড়িশা, টালা থেকে টালিগঞ্জ। সকাল থেকে বিকেল কিছু মুখ, কিছু উচ্ছ্বাস আর কিছু মুর্হূতের মধ্যেই মিটে গেল বছরের প্রথম ডার্বি। এরপর আবার এপ্রিল মাসে।

    সাজিয়ে বসেছিল কাঞ্চনজঙ্ঘা। বছরের প্রথম ডার্বির মঞ্চ তৈরি ছিল। কিন্তু নব্বই মিনিট পর সেই ভারতীয় ফুটবলের হতশ্রী ছবি। এতো ‘শোলে’ দেখতে এসে ‘রূপ কী রানি চোরো কা রাজা’ দেখার মতো ঘটনা। যত কাণ্ড মাঝমাঠে। দু’টি দলই উইং ব্যবহার করল। কিন্তু ১৬ গজ বক্সের আগেই সব দৌড় শেষ। সাত-সাতটা বিদেশি। রবিন সিং-জেজের মতো তারকা। কিছুই হল না। সাহেব মর্গ্যান আর বাঙালি সঞ্জয়ের কৌশলে সুপার ফ্লপ ঘটি-বাঙালের লড়াই। একজন আটকে দিলেন সনিকে। অন্যজনের কৌশলে বোতলবন্দি ওয়েডসন। দুই হাইতিয়ানের লড়াইয়ে বছরের প্রথম ডার্বি গোল শূন্য। গোটা ম্যাচে দুটি ঝলক। প্রথমার্ধে শৌভিক চক্রবর্তীর পায়ের কাজ। আর দ্বিতীয়ার্ধে উইলিস প্লাজার শট। বাকিটা বিবর্ণ। ৯৬ বছরের ইতিহাসে একটা ফ্যাকাশে ডার্বি উপহার দিয়ে রবীন্দ্র সরোবরের হাতে ব্যাটন তুলে দিল কাঞ্চনজঙ্ঘা।

    First published: