সুজাপুর বিস্ফোরণে রাজ্যপাল ও দিলীপ ঘোষের বোমা তৈরির অভিযোগ খারিজ করল স্বরাষ্ট্র দফতর !

সুজাপুর বিস্ফোরণে রাজ্যপাল ও দিলীপ ঘোষের বোমা তৈরির অভিযোগ খারিজ করল স্বরাষ্ট্র দফতর !

বিস্ফোরণের পরেই বোম তৈরির অভিযোগ টেনে ট্যুইটারে রাজ্য সরকারকে তোপ দাগেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়।

বিস্ফোরণের পরেই বোম তৈরির অভিযোগ টেনে ট্যুইটারে রাজ্য সরকারকে তোপ দাগেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়।

  • Share this:

    #কলকাতা: বৃহস্পতিবার সকালে মালদহের সুজাপুর ভয়াবহ বিস্ফোরণে কেঁপে উঠেছে। বিস্ফোরণটি হয় একটি প্লাস্টিক কারখানার ভিতর। ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয়েছে ৫ শ্রমিকের। মালদহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে আরও ৫ জনকে। তাঁদের অবস্থা আশঙ্কাজনক। স্থানীয় সূত্রে খবর, কর্মরত শ্রমিকরা সকলেই ওই এলাকারই বাসিন্দা। মোট জনা পঞ্চাশেক শ্রমিক ওই কারখানায় কাজ করতেন। এদিন সুজাপুর বাসস্ট্যান্ড লাগোয়া একটি প্লাস্টিক কারখানায় তাঁরা কাজ করছিলেন। কাজ চলাকালেই একটি ক্রাশার মেশিন সশব্দে ফেটে যায়। বিস্ফোরণের জেরে তৎক্ষণাত মৃত্যু হয় ওই পাঁচ শ্রমিকের। টুকরো টুকরো হয়ে যায় শ্রমিকদের দেহ।

    প্লাস্টিক কারখানার এই বিস্ফোরণকে নিয়ে শুরু হয় জ্বল্পনা। বিস্ফোরণের পরেই বোমা তৈরির অভিযোগ টেনে ট্যুইটারে রাজ্য সরকারকে তোপ দাগেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়। নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানান তিনি। রাজ্যপালের সুরে সুর মিলিয়েছেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষও। তিনি জানান, মুর্শিদাবাদ মালদা সহ গোটা রাজ্যেই বোমা আর অস্ত্রের কারখানা আছে। পুলিশ প্রশাসনের কোনও নিয়ন্ত্রণ নেই।

    তবে এসব কথাকে ধুলোয় মিশিয়ে দেয় স্বরাষ্ট্র দফতরের কড়া বিবৃতি। রাজ্যপালের ট্যুইটের পর স্বরাষ্ট্র দফতরের তরফ থেকে ট্যুইট করে স্পষ্ট জানানো হয়েছে, "সুজাপুর বিস্ফোরণ কাণ্ডে দায়িত্বজ্ঞানহীনের মতো কথা বলছে কেউ কেউ। এই ঘটনার সঙ্গে বোমা তৈরির কোনও সম্পর্ক নেই। একটি প্লাস্টিক কারখানায় বিস্ফোরণ হয়েছে। এটি একটি দুর্ঘটনা। জেলা সুপার ও পুলিশ সুপার ঘটনাস্থলে থেকে তদন্ত করছেন। ক্ষতিগ্রস্থদের পরিবারের পাশে সরকার আছে।"

    প্রসঙ্গত, নিহতদের নিকটাত্মীয়কে ২ লাখ টাকা করে ও আহতদের পরিবার পিছু ৫০ হাজার টাকা করে ক্ষতিপূরণ দেওয়ার কথা ঘোষণা করেন মুখ্যসচিব আলাপন বন্দ্যোপাধ্যায়। তবে নাম না করেই আজ রাজ্যপালের ট্যুইটের জবাব দিয়েছে স্বরাষ্ট্র দফতর।

    Published by:Piya Banerjee
    First published: