উত্তরবঙ্গ

corona virus btn
corona virus btn
Loading

আদালতের নির্দেশে চরম বিপাকে আতশবাজি ব্যবসায়ীরা

আদালতের নির্দেশে চরম বিপাকে আতশবাজি ব্যবসায়ীরা

বিপুল পরিমাণে আতশবাজি বিক্রি করতে না পেরে বিপুল পরিমাণ লোকসানের মুখে পড়েছেন।

  • Share this:

#ইসলামপুর: আতশবাজি মজুত করে চরম বিপাকে পড়েছেন উত্তর দিনাজপুর জেলার ইসলামপুরের আতশবাজি ব্যবসায়ী। দীপাবলিতে আতশবাজির উপর হাইকোর্ট নিষেধজ্ঞার পর এই বিপুল পরিমাণে আতশবাজি বিক্রি করতে না পেরে বিপুল পরিমাণ লোকসানের মুখে পড়েছেন। আদালতের নিষেধজ্ঞার পর রাজ্য সরকারের ভূমিকার তীব্র সমালোচনা করেছেন চাকুলিয়ার ফরয়ার্ড ব্লক বিধায়ক আলী ইমরান রমজ।

দীপাবলির বেশ কিছুদিন আগেই আতশবাজি ব্যবসায়ীরা কলকাতার কারখানা থেকে আতশবাজি কিনে ঘরে মজুত করেন। ইসলামপুরের আতশবাজি ব্যবসায়ী মহঃ এহেসান এমনই একজন। উত্তরবঙ্গ ছাড়াও অসমেও তিনি আতশবাজি বিক্রি করেন। ব্যবসায়ীদের চাহিদা অনুযায়ী তিনি দীপাবলির অনেক আগেই আতশবাজি আমদানি করে ঘরে মজুত করেন। কালীপুজোর আর বেশীদিন বাকি না থাকায় ইতিমধ্যে সমস্ত আতশবাজি কিনে  ঘরে 'মজুদ করে ফেলেছেন মহঃ এহেসান। এরই মধ্যে উচ্চ আদালত আতশবাজি না ফাটানোর কড়া নির্দেশ দিয়েছে। এই নির্দেশে চরম বিপাকে পড়েছেন আতশবাজি ব্যবসায়ী মহঃ এহেসান। সরকার বাজি ফাটানোর অনুমতি না দিলে লক্ষ লক্ষ টাকার আতশবাজি তিনি কি করবেন তা ভেবে পাচ্ছেন না। তার ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত ছয় থেকে সাতটি পরিবার।ব্যবসা না থাকলে এই সাতটি পরিবারের কী হবে তা নিয়েই তিনি সন্দীহান।

দীপাবলিতে আতশবাজি ব্যবসা করার আশায় লকডাউন চলাকালীন এই ছয় থেকে সাতটি পরিবারের ভরনপোষণ তিনি চালু রেখেছিলেন।আদালতের এই নির্দেশে লক্ষ লক্ষ টাকা লোকসানের মুখে পড়েছেন। বিপুল পরিমাণে লোকসানের মুখে পড়ার সঙ্গে সঙ্গে দোকানের কর্মীদেরও ভবিষ্যৎ অনিশ্চিয়তার মধ্যে এসে দাঁড়াল। আতশবাজি নিয়ে আদালতের নির্দেশের পর রাজ্য সরকারের ভূমিকার তীব্র সমালোচনা করলেন চাকুলিয়ার ফরয়ার্ড বিধায়ক আলী ইমরান রমজ(ভিক্টর)৷ তিনি জানিয়েছেন, বাজি নিয়ে সর্বোচ্চ আদালতের সুনিদৃষ্ট নির্দেশ আছে। এবারে উচ্চ আদালতের নির্দেশের পর, আতশবাজি ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিদের পাশে সরকারের এগিয়ে আসা উচিত ছিল। তা না করে মুখ্যমন্ত্রী বিভাজনের রাজনীতি শুরু করেছেন বলে তাঁর অভিযোগ। দুর্গাপুজোর ক্লাবগুলোকে ৫০ হাজার টাকা অনুদান দিয়ে পাড়ায় পাড়ায় মস্তান বাহিনী গড়ে তুলছেন বলে ভিক্টর অভিযোগ করেছেন।

Published by: Pooja Basu
First published: November 8, 2020, 5:12 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर