সামনে একুশে নির্বাচন, পাহাড়ে বাড়ছে রাজনৈতিক উত্তাপ!

সবে কনকনে হাওয়া বইতে শুরু করেছে। তাপমাত্রারও হেরফের হচ্ছে। মিঠে কড়া রোদের আড়ালে শীতের আমেজ এখন পাহাড়ে।

সবে কনকনে হাওয়া বইতে শুরু করেছে। তাপমাত্রারও হেরফের হচ্ছে। মিঠে কড়া রোদের আড়ালে শীতের আমেজ এখন পাহাড়ে।

  • Share this:

#দার্জিলিং: সবে কনকনে হাওয়া বইতে শুরু করেছে। তাপমাত্রারও হেরফের হচ্ছে। মিঠে কড়া রোদের আড়ালে শীতের আমেজ এখন পাহাড়ে। ধীরে ধীরে পর্যটকেরাও পা ফেলছে শৈলশহরে। দূরের কাঞ্চনজঙ্ঘাও এখন অনেকটাই কাছে। শান্তিতেই আছে পাহাড়। আর ঠিক এই সময়ে একুশের বিধানসভা ভোটের আগে রাজনৈতিক উত্তাপ বাড়ছে পাহাড়ে। একাধীক মামলায় অভিযুক্ত ফেরার মোর্চা নেতা বিমল গুরুং তিন বছর পর প্রকাশ্যে আসতেই পাহাড় নতুন রাজনৈতিক মেরুকরণের দিকে। আবার রাজ্যের শাসক দলের হাত ধরে পাহাড়ে ফিরছেন বিমল গুরুং। কলকাতায় সাংবাদিক সম্মেলন করে গুরুংয়ের ঘোষণা, বিজেপি প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ করেছে। তাই আসন্ন নির্বাচনে তৃণমূলের সঙ্গেই হাত মেলাচ্ছেন তারা। এবং লক্ষ্য ফের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে মমতা বন্দোপাধ্যায়কে জেতানো। আর তাতেই নতুন করে ক্ষোভের আগুন ধিক ধিক করে জ্বলতে শুরু করেছে শান্ত পাহাড়ে। বিনয় তামাং, অনীত থাপা গোষ্ঠীর অনুগামীরা পালটা মিছিলে নেমেছে পাহাড়ে। স্লোগান, বিমল গুরুং মুর্দাবাদ। বিমল গুরুং গো ব্যাক। একদা পাহাড়ের সম্রাটের নামে প্রকাশ্যে চলছে বিনয়পন্থীদের বিক্ষোভ মিছিল। দার্জিলিং, কালিম্পং সর্বত্রই চলছে বিমল বিরোধী মিছিল। অন্যদিকে বিমল অনুগামীরাও দার্জিলিংয়ের চকবাজারে প্রিয় নেতার ছবি সহ দলীয় পতাকা উত্তোলন করেছে তিন বছর পর। আত্মগোপনে থাকলেও বিমল গুরুংয়ের দখলেই ছিল পাহাড়। তা দার্জিলিং বিধানসভার উপ নির্বাচন এবং লোকসভা ভোটেই টের পাওয়া গিয়েছে। তবে বিনয়পন্থীরা যে তাকে মানবেন না, তা আজ পরিস্কার। তাহলে কি ফের পাহাড়ের আকাশে অশান্তির মেঘ? বিমল গুরুংয়ের তৃণমূলের হাত ধরে পাহাড়ে ফেরাটা প্রত্যাশিত। এছাড়া বিকল্প পথ ছিল না ওর কাছে। কেননা একাধীক মামলায় জর্জড়িত। একুশের নির্বাচনে ফের তৃণমূল ক্ষমতায় এলে ওর পাহাড়ে ফেরা অনিশ্চিত হয়ে যেত। বলছেন বর্ষীয়ান নেতা হরকা বাহাদুর ছেত্রী। তাঁর কথায়, বিজেপি যে পৃথক রাজ্য দেবে না, এটা অনেক দেরীতে বুঝতে পেরেছে বিমলবাবু। এমনকী পাহাড়ে ফিরলে ফের অশান্তি ছড়াবে, এটাও ঠিক ধারণা নয়। কেননা, দুই শিবিরই রাজ্যের হাতে। তবে বিমলের হাত ধরে লাভ কিছুটা হলেও ক্ষতি কম হবে না। পাহাড়ের ভোটে কতটা প্রভাব পড়বে, তা সময়ই বলবে।

Published by:Akash Misra
First published: