ফের চিতা বাঘের আতঙ্কে ঘুম ছুটেছে শিলিগুড়ির, পাতা হল ফাঁদও

ফের চিতা বাঘের আতঙ্কে ঘুম ছুটেছে শিলিগুড়ির, পাতা হল ফাঁদও

অবশেষে পাতা হল খাঁচা। স্বস্তি বাসিন্দাদের

  • Share this:

Partha Sarkar

#শিলিগুড়ি: অবশেষে পাতা হল খাঁচা। লেপার্ড ধরতে পাতা হল খাঁচা। গত তিন দিন ধরে চিতা বাঘের আতঙ্কে ঘুম ছুটেছে শিলিগুড়ির ফাঁসিদেওয়ার রহমুজোতের বাসিন্দাদের। গত পরশু তিনটে লেপার্ড দেখতে পেয়েছিল বলে দাবি গ্রামবাসীদের। আজ সকালে ফের লেপার্ড দেখা যায় বলে দাবি তোলেন স্থানীয়রা। এর জেরে নতুন করে আতঙ্ক ছড়িয়েছে গোটা এলাকায়।

স্থানীয় বাসিন্দা ললিতকুমার সিংহ জানান, আজ সকালে একটি চিতা বাঘ চা বাগানের মধ্যে রোদ পোহাচ্ছিল। চিৎকার করাতে পালিয়ে যায়। এরপরই গ্রামবাসীরা জড়ো হন। সকলের চোখে মুখে আতঙ্কের ছাপ। তিন দিন ধরে কার্যত ঘুম নেই এলাকাবাসীর। সন্ধ্যের পর বাড়ি থেকে কেউই বের হচ্ছেন না। আজ ফের খবর দেওয়া হয় বন দপ্তরে। বাগডোগরার রেঞ্জারের নেতৃত্বে বিশেষ টিম ঘটনাস্থলে পৌঁছয়। পায়ের ছাপ মেলায় তা পর্যবেক্ষণ করেন বন দপ্তরের কর্তারা।

চা বাগান থাকায় চিতা বাঘের উপদ্রব হতে পারে। তবে এর আগে ওই এলাকায় চিতা বাঘ কখনও দেখা যায়নি। পায়ের ছাপ দেখার পর বাগডোগরার রেঞ্জার সমীরন রাজ জানান, প্রাথমিকভাবে মনে হচ্ছে তা বুনো বেড়ালের হতে পারে। তবু তা নিশ্চিত হতেই ভালোভাবে খতিয়ে দেখা হচ্ছে। আজই এলাকায় একটি খাঁচা পাতা হয়েছে। এর আগে শহর শিলিগুড়িতেও চিতা বাঘ দেখা গিয়েছিল। শহরতলির উত্তরায়ণ উপনগরী, ফাঁসিদেওয়া, বাগডোগরা এলাকায় চিতাবাঘের আনাগোনা রয়েছে। তবে ফুলবাড়ি ব্যারাজ সংলগ্ন এই এলাকায় আগে কখনও চিতা বাঘ বা অন্য কোনও বন্য প্রাণীর দেখা পাওয়া যায়নি।

খাঁচা পাতার পর কিছুটা স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। অন্যদিকে বন দপ্তর এলাকায় অযথা আতঙ্ক ছড়াতে নিষেধ করেছে। এক বা দু'জন নিয়, বেশ কয়েকজন একসঙ্গে এলাকায় বের হওয়ার পরামর্শ দিয়েছে বন দপ্তর। এদিন এলাকায় ফের বাজি ফাটায় বন দপ্তরের কর্মীরা। তবে দিনভর আর লেপার্ডের দেখা মেলেনি। বন দপ্তরের দাবি, চিতা বাঘ থাকলে তিন দিনের মধ্যে খাঁচাবন্দী হবে।

First published: February 2, 2020, 6:16 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर