• Home
  • »
  • News
  • »
  • national
  • »
  • হোয়াটস অ্যাপে গ্রুপ তৈরি করে হত্যা, মসজিদ ধ্বংস করার পরিকল্পনা, দিল্লি হিংসার চার্জশিটে প্রকাশ তথ্য

হোয়াটস অ্যাপে গ্রুপ তৈরি করে হত্যা, মসজিদ ধ্বংস করার পরিকল্পনা, দিল্লি হিংসার চার্জশিটে প্রকাশ তথ্য

দিল্লি হিংসার সেই ভয়াবহতা...

দিল্লি হিংসার সেই ভয়াবহতা...

নানা ধর্মীয় গোষ্ঠীর সঙ্গে এমন বাকবিতণ্ডার আবহ তৈরি করা হয় যা আইনশৃঙ্খলা নষ্ট করার জন্য যথেষ্ট। দিল্লি হিংসার বিষয়ে অতিরিক্ত চার্জশিট দায়ের করে এমনটাই জানাল দিল্লি পুলিশ।

  • Share this:

    #নয়াদিল্লি: ফেব্রুয়ারি মাসের কনকনে ঠাণ্ডা। তার মধ্যেই হিংসার উত্তাপ ছড়িয়ে পড়েছিল রাজধানীতে। 'কট্টর হিন্দু একতা' নামক একটি হোয়াটস গ্রুপ পরিকল্পনা করেই হিংসার বাতাবরণ তৈরি করেছিল। নানা ধর্মীয় গোষ্ঠীর সঙ্গে এমন বাকবিতণ্ডার আবহ তৈরি করা হয় যা আইনশৃঙ্খলা নষ্ট করার জন্য যথেষ্ট। দিল্লি হিংসার বিষয়ে অতিরিক্ত চার্জশিট দায়ের করে এমনটাই জানাল দিল্লি পুলিশ।

    শুধু তাই নয়, দিল্লি পুলিশ এদিন ওই গ্রুপের চ্যাটও চার্জশিটে তুলে ধরেছে। দেখা যাচ্ছে, সেই চ্যাটে মুসলিম হত্যা, মসজিদ-মাদ্রাসা ভাঙা সহ নানা সাম্প্রদায়িক বিষয়কে একনাগাড়ে উস্কানি দেওয়া চলেছে।

    চার্জশিট অনুযায়ী এই দলটি তৈরি হয় ফেব্রুয়ারি মাসের ২৫ তারিখ। মূল লক্ষ্য ছিল মুসলিম জনগোষ্ঠীর বিরুদ্ধে হিংসার বাতাবরণ তৈরি করা। এই দলের সদস্য।রা দাবি করেন তাদের পক্ষে রয়েছে রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘ।

    গত ২৬ সেপ্টেম্বর চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট পুরুষোত্তম পাঠকের কাছে গোকুলপুরীতে হাসিম আলির মৃত্যুর ঘটনায় নয় অভিযুক্তের নামে চার্জশিট জমা দেওয়া হয়। এই চার্জশিটেই উঠে আসছে এই ধরনের বিস্ফোরক তথ্য।

    পুলিশ এই চার্জশিটে জানিয়েছে, অভিযুক্তরা নিজের জন্যে মশাল, লাঠি-সহ নানা অস্ত্র জোগাড় করে। এই অস্ত্রেই প্রাণ নেওয়া হয় নয়জন নিরপরাধ মুসলিমের। এই নয়জনের মধ্যে ছিলেন হাসিম আলি, আমির খান। প্রাথমিক তদন্তে মনে হচ্ছে ঠাণ্ডা মাথায় পরিকল্পনা করেই এই হত্যালীলা চালিয়েছে। দলের সদস্যরা কেউ ব্যক্তি হিসেবে কোনও স্বতন্ত্র বিশ্বাসের অধিকারী ছিল না, তারা কাজ করত হিসেবে।

    চ্যাটে উঠে এসেছে লোকেশ কুমার সোলাঙ্কি, পঙ্কজ শর্মা, সুমিত চৌধুরা, যতীন শর্মা, প্রিন্স, অঙ্কিত চৌধুরী, লোকেশকুমার সোলাঙ্কি, ঋষভ চৌধুরী প্রভৃতি ব্যক্তির নাম। তারা এখন বিচারবিভাগীয় হেফাজতে রয়েছে। এদের একাধিক বয়ানে দেখা যাচ্ছে ২৪ ফেব্রুয়ারির হিংসায় এদের প্রত্যক্ষ যোগ ছিল। অন্তত ৫০ জনের মৃত্যু হয় ওই হিংসায়। গুরুতর আহত হন ১০৮ জন পুলিশ অফিসার। মারা যান দুজন।

    এই অভিযুক্তদের ভারতীয় দণ্ডবিধির ১৫৩ এ, ৫০৫ নং ধারায় গ্রেফতার করেছে পুলিশ। এখনও নিখোঁজ মনু, সাহিল, শেখর, মন্টি নাগর, আদেশ মিত্র নামক এই দলের সদস্যরা।

    Published by:Arka Deb
    First published: