corona virus btn
corona virus btn
Loading

Lockdown 4.0| বাজার-পরিবহণ ধীরে ধীরে খুলছে, লকডাউন ৪-এ কী কী আশা করা যেতে পারে? জেনে নিন...

Lockdown 4.0| বাজার-পরিবহণ ধীরে ধীরে খুলছে, লকডাউন ৪-এ কী কী আশা করা যেতে পারে? জেনে নিন...
Lockdown 4.0

কেন্দ্রীয় সরকার সূত্রের খবর, গ্রিন জোনগুলিতে একেবারেই লকডাউন তুলে দেওয়া হতে পারে৷ অর্থাত্‍ সব নর্মাল করে দেওয়া হতে পারে৷ আরও ছাড় দেওয়া হতে পারে অরেঞ্জ জোনগুলিতে৷

  • Share this:

#নয়াদিল্লি: করোনা ভাইরাসকে হয়তো সঙ্গে নিয়েই চলতে হবে ভারত-সহ গোটা বিশ্বকে৷ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি জাতির উদ্দেশে ভাষণে লকডাউন ৪.০ হবে বলে ইতিমধ্যেই জানিয়ে দিয়েছেন৷ সেই মতো কেন্দ্রের গাইডলাইনও তৈরি হয়ে গিয়েছে৷ লকডাউন ৪.০ নতুন রূপে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী৷ সূত্রের খবর, পরবর্তী লকডাউনে গ্রিন জোন ও অরেঞ্জ জোনগুলিতে আরও ছাড় বাড়তে পারে৷ পশ্চিমবঙ্গ সহ বেশির ভাগ রাজ্যই লকডাউন বাড়ানোর প্রস্তাবেই সায় দিয়েছে৷

লকডাউন ৪.০-এ কী কী আশা করা যাচ্ছে?

কেন্দ্রীয় সরকার সূত্রের খবর, গ্রিন জোনগুলিতে একেবারেই লকডাউন তুলে দেওয়া হতে পারে৷ অর্থাত্‍ সব নর্মাল করে দেওয়া হতে পারে৷ আরও ছাড় দেওয়া হতে পারে অরেঞ্জ জোনগুলিতে৷ রেড জোনগুলিতে সম্পূর্ণ লকডাউন চলবে চতুর্থ পর্যায়েও৷ যদিও স্কুল, কলেজ, শপিংমল, সিনেমা হল বন্ধই থাকবে৷

সেলুন ও চশমার দোকান খুলতে পারে রেড জোনে৷ তবে রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চগুলিতে লকডাউন নিয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার পূর্ণ স্বাধীনতা দেওয়া হয়েছে৷ সে ক্ষেত্রে রাজ্য চাইলে লকডাউন নিয়ম নিজেদের মতো করে তৈরি করতে পারে৷ মিজোরাম সরকার শুক্রবারই ৩১ মে পর্যন্ত লকডাউন বাড়ানোর সিদ্ধান্ত ঘোষণা করে দিয়েছে৷ সিকিমে কোনও করোনা আক্রান্ত না হলেও, তারা লকডাউন চালানোর পক্ষে৷

পরিবহণ

অত্যাবশ্যকীয় পণ্য আদানপ্রদানের জন্য রেল চলবে৷ দেশীয় বিমান পরিবহণও আগামী সপ্তাহ থেকে চালু হতে পারে৷ যদিও বিহার, তামিলনাড়ু ও কর্নাটক ট্রেন ও বিমান চালানোর পক্ষে নয়৷ অন্তত মে মাসের শেষ পর্যন্ত৷

রেড জোনে নন-কন্টেইনমেন্ট জোনে নির্দিষ্ট সংখ্যক লোকাল ট্রেন, বাস ও মেট্রো রেল চালানোর পরিকল্পনা রয়েছে কেন্দ্রের৷ অটো ও ট্যাক্সি রেড জোনে ছাড় দেওয়া হতে পারে, সে ক্ষেত্রের যাত্রী সংখ্যা নির্দিষ্ট থাকবে৷

বাজার

লকডাউন ৪.০-এ কেন্দ্র অরেঞ্জ ও রেড জোনে বাজার খোলার বিষয়ে ছাড় দিতে পারে৷ তবে দিল্লি ইতিমধ্যেই জানিয়ে দিয়েছে, অত্যাবশ্যক নয়, এমন পণ্যের দোকান জোড়-বিজোড় দিনে খোলার নীতি৷ ই-কমার্সে সব জোনেই অনত্যাবশ্যক পণ্য ডেলিভারিতে ছাড় দেওয়া হতে পারে৷ গ্রিন জোন ও অরেঞ্জ জোনে ইতিমধ্যেই অবশ্য ছাড় রয়েছে৷

তবে বাজার সম্পূর্ণ খোলা যাবে কিনা, সে বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার দায়িত্ব রাজ্যগুলির উপরে ছাড়া হয়েছে৷ দিল্লি, কর্নাটক, অন্ধ্রপ্রদেশ ও কেরল চায় অর্থনৈতিক কাজকর্ম শুরু হোক লকডাউন ৪.০-এ৷

Published by: Arindam Gupta
First published: May 16, 2020, 7:28 AM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर