• Home
  • »
  • News
  • »
  • national
  • »
  • UNNAO RAPE SURVIVORS FAMILY WROTE 36 LETTERS TO TOP GOVERNMENT OFFICIALS SEEKING PROTECTION AHEAD OF ACCIDENT AB

নিরাপত্তা চেয়ে সরকারি আধিকারিকদের ৩৬টি চিঠি লিখেছিলেন উন্নাও কাণ্ডের নির্যাতিতার পরিবার,আসেনি উত্তর

ভয়াবহ পথ দুর্ঘটনায় আশঙ্কাজনক অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি অভিযোগকারিণী । মৃত্যু হয়েছে তাঁর দুই আত্মীয়ার । গুরুতর আহত তাঁর আইনজীবীও । এই দুর্ঘটনার আগে রাজ্য সরকারকে প্রায় ৩৬টি চিঠি লিখেছিলেন অভিযোগকারিণীর পরিবারের সদস্যরা

ভয়াবহ পথ দুর্ঘটনায় আশঙ্কাজনক অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি অভিযোগকারিণী । মৃত্যু হয়েছে তাঁর দুই আত্মীয়ার । গুরুতর আহত তাঁর আইনজীবীও । এই দুর্ঘটনার আগে রাজ্য সরকারকে প্রায় ৩৬টি চিঠি লিখেছিলেন অভিযোগকারিণীর পরিবারের সদস্যরা

  • Share this:

    #লখনউ: উন্নাও ধর্ষণকাণ্ড প্রকাশ্যে আসার পর একসময় উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথের বাড়ির সামনে আত্মহত্যা করতে গিয়েছিলেন মূল নির্যাতিতা ও তাঁর পরিবার । মূল অভিযুক্ত বিজেপি বিধায়ক কুলদীপ সেঙ্গারকে ইতিমধ্যেই বরখাস্ত করেছে বিজেপি, যদিও সমস্যার গুরুত্ব নিয়ে এখনও উদাসীন উত্তরপ্রদেশ প্রশাসন ।

    ভয়াবহ পথ দুর্ঘটনায় আশঙ্কাজনক অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি অভিযোগকারিণী । মৃত্যু হয়েছে তাঁর দুই আত্মীয়ার । গুরুতর আহত তাঁর আইনজীবীও । এই দুর্ঘটনার আগে রাজ্য সরকারকে প্রায় ৩৬টি চিঠি লিখেছিলেন অভিযোগকারিণীর পরিবারের সদস্যরা । প্রত্যেকটি চিঠিতে বলা হয়েছিল যে নিজেদের জীবনের আশঙ্কা রয়েছে তাঁদের, নিরাপত্তাহীনতা বোধ করছেন তাঁরা। সুরক্ষা ও সাহায্য চেয়ে সরকারি আধিকারিক, রাজনৈতিক ও একাধিক পুলিশ অফিসারকে চিঠি লিখেছিলেন তাঁরা, জানিয়েছেন নির্যাতিতার মামা । 'কুলদীপ সেঙ্গার আমার গোটা পরিবারটাকে শেষ করে দিয়েছে, এখন শুধু আমি রয়েছি', জানিয়েছেন তিনি ।

    অভিযোগ প্রকাশ্যে আসার পর থেকেই সেঙ্গারের লোকজন ক্রমাগত তাঁদের হুমকি দিয়েছেন । ১১ জুলাই, নির্যাতিতার মা উত্তরপ্রদেশের ডিজিপি ওপি সিংকে ও এই বিষয়েও একটি চিঠি দিয়েছিলেন ও জানিয়েছিলেন প্রাণহানির আশঙ্কা রয়েছে তাঁদের। তবে পরিবারের তরফে অভিযোগ এই বেশিরভাগ চিঠিরই কোনও উত্তর আসেনি ।

    সোমবার, ২৯ জুলাই, সেঙ্গার ও আরও ৯ জন অভিযুক্তের বিরুদ্ধে খুনের মামলা দায়ের করেছে পুলিশ । দুর্ঘটনার তদন্তভার দেওয়া হয়েছে সিবিআইকে । ২০১৭ থেকে যে যন্ত্রণা সইছেন নির্যাতিতা ও তাঁর পরিবার, তার শেষ কবে-উত্তর নেই কোথাও ।

    Report: Qazi Faraz Ahmed

    First published: