দেশ

corona virus btn
corona virus btn
Loading

‘ভারতের অতিরিক্ত গণতন্ত্রই সংশোধনকে কঠিন করে তুলছে’, মন্তব্য নীতি আয়োগ প্রধানের

‘ভারতের অতিরিক্ত গণতন্ত্রই সংশোধনকে কঠিন করে তুলছে’, মন্তব্য নীতি আয়োগ প্রধানের

‘‘কঠিনতম সংশোধনীগুলি গ্রহণ করা ভারতের প্রক্ষিতে খুবই কঠিন, কারণ আমাদের মাত্রাতিরিক্ত গণতন্ত্র রয়েছে ।’’

  • Share this:

#নয়াদিল্লি: ভারতে মাত্রাতিরিক্ত গণতন্ত্রই যে কোনও কঠিন সংশোধনী আনার রাস্তায় সবচেয়ে বড় বাধা, এমনই বিতর্কিত মন্তব্য করে কৃষক বিদ্রোহের আগুনে যেন ঘি ঢাললেন নীতি আয়োগের প্রধান অমিতাভ কান্ত । গত মঙ্গলবার তিনি বলেন, ভারতে কোনও সংশোধনী নিয়ে আসা খুবই কঠিন কাজ । সঙ্গে তিনি এও বলেন, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সরকার এই কঠিন কাজ করতে যথেষ্ট পরিমাণে সাহস ও দৃঢ়তা দেখিয়েছে ।

গত ৮ ডিসেম্বর ‘দ্য রোড টু আত্মনির্ভর ভারত’ প্রসঙ্গে একটি অনলাইন ইভেন্টে বক্তব্য রাখতে গিয়ে নতুন কৃষি বিলের প্রসঙ্গে কান্ত বলেন, এই সংশোধনী দেশের সার্বিক উন্নতির জন্য খুবই প্রয়োজন । ওই ইভেন্টেই ভারত ভবিষ্যতে ম্যানুফ্যাকচারিংয়ে গোটা বিশ্বে চালকের আসনে বলতে পারবে কিনা, এই প্রশ্নের উত্তরে নীতি আয়োগ প্রধান বলেন, ‘‘কঠিনতম সংশোধনীগুলি গ্রহণ করা ভারতের প্রক্ষিতে খুবই কঠিন, কারণ আমাদের মাত্রাতিরিক্ত গণতন্ত্র রয়েছে । এই প্রথমবার সরকারের সেই সাহস হয়েছে যে, সমস্ত বিভাগে কঠিন সংশোধনী নিয়ে আসার । যেমন, খনি, কয়লা, শ্রম, কৃষি । এগুলো সত্যিই ভীষণ ভীষণ কঠিন পদক্ষেপ । এ জন্য বিপুল পরিমাণ রাজনৈতিক স্থিরতা এবং প্রশাসনিক দক্ষতার প্রয়োজন হয় ।’’

এর পাশাপাশি অমিতাভ কান্ত এও বলেন, ‘‘কৃষিক্ষেত্রে এই সংশোধনীটি বোঝা খুবই দরকার । কেউ বলছে না যে মান্ডি তুলে দেওয়া হবে, মান্ডি থাকছে, এমএসপি-ও (Minimum Support Price) থাকছে । কিন্তু একজন কৃষক দু’ধরণের সুবিধাই পাবেন । তিনি যেখানে খুশি নিজের ফসল বেচতে পারবেন । আমি সবসময় বিশ্বাস করি, কৃষকদের নিজস্ব চয়েস থাকাটা খুবই দরকার । কেন সবসময় আমরা তাঁকে জোর করব একটা জায়গায় ফসল বেচার জন্য ? আরও পাঁচটা জায়গায় তাঁদের যাওয়ার রাস্তা উন্মুক্ত করা দরকার । কেউ যদি তোমাকে অনেক বেশি এমএসপি দেয়, কেউ কৃষকরা সেটা পেতে পারেন না ? এটাই সংশোধনীর মূল কথা ।’’

তবে এর সঙ্গে কান্ত এও বলেন, কৃষক ও সরকারের মধ্যে যা আলোচনা চলছে সে বিষয়ে তিনি কোনও মন্তব্য করতে চান না । তবে তাঁর মতে, এ রকমই আরও অনেক বদল, অনেক সংশোধনী আমাদের দরকার । আমরা নিজেদের বিশ্বের সবচেয়ে বড় উৎপাদনকারী দেশের জায়গায় দেখতে চাই । তবে তিনি স্বীকার করে নেন, এই পথ অত্যন্ত বন্ধুর । চিনের সঙ্গে প্রতিযোগিতায় এঁটে ওঠা সহজ কাজ নয় । শুধু সেমিনার করে এই স্বপ্ন সফল হবে না । তার জন্য কঠিন পরিশ্রম, একদম নীচুতলা থেকে অমনেক পরিবর্তনের দরকার রয়েছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি ।

Published by: Simli Raha
First published: December 10, 2020, 8:15 AM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर