• Home
  • »
  • News
  • »
  • national
  • »
  • মোদি-শাহের কেরামতিতেই কর্ণাটকে প্রত্যাবর্তন ইয়েদুরাপ্পার

মোদি-শাহের কেরামতিতেই কর্ণাটকে প্রত্যাবর্তন ইয়েদুরাপ্পার

BJP CM candidate BS Yeddyurappa.

BJP CM candidate BS Yeddyurappa.

কংগ্রেসকে টেক্কা দিয়ে কর্নাটকে জয়ের আসনে বিজেপি ৷ এই নির্বাচনের ফল আরও একবার ১০ বছর আগের স্মৃতি উস্কে দিল ৷ মনে করিয়ে দিল ২০০৮ সালের বিধানসভা নির্বাচন ৷

  • Share this:

    #বেঙ্গালুরু: কংগ্রেসকে টেক্কা দিয়ে কর্ণাটকে জয়ের আসনে বিজেপি ৷ এই নির্বাচনের ফল আরও একবার ১০ বছর আগের স্মৃতি উস্কে দিল ৷ মনে করিয়ে দিল ২০০৮ সালের বিধানসভা নির্বাচন ৷ তবে, সেই লড়াইটা ছিল বিজেপি বনাম কংগ্রেসের লড়াই ৷ কিন্তু ২০১৮ সালের লড়াইটা ছিল সিদ্দারমাইয়া বনাম প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এবং বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি অমিত শাহের লড়াই ৷

    ২০০৮-এ বিজেপির সামনে বিপুল ভোটে পর্যদস্তু হয়েছিল কংগ্রেসসহ বিরোধী দলগুলি ৷ মুখ্যমন্ত্রীর আসনে বসেছিলেন বি এস ইয়েদুরাপ্পা ৷ আরও একবার সেই আসনেই বসতে চলেছেন তিনি ৷ এই নিয়ে দ্বিতীয়বার কর্ণাটকে শাসক দলের আসনে বসল বিজেপি ৷ তবে, এই জয় ইয়েদুরাপ্পার জয় নয় ৷ মোদি এবং শাহের লড়াইয়ের জয় ৷ কর্ণাটকে নিজেদের ক্ষমতা কায়েম করতে কোনও চেষ্টার ত্রুটি রাখেনি মোদি-শাহ জুটি ৷ ভোটের প্রচার থেকে রাজ্যবাসীকে প্রতিশ্রুতি ৷ সমস্ত বিষয়েই মোদি-শাহ জুটি যে ম্যাজিকের মত কাজ করেছে কর্ণাটকে, তার প্রমাণ মিলল ভোটবাক্সে ৷ ইয়েদুরাপ্পার থেকেও সাধারণ মানুষ বিজেপির শীর্ষ নেতাদের উপরই ভরসা রেখে যে ভোটবাক্সের বদল ঘটিয়েছে , সেই বিষয়ে নিশ্চিত রাজনৈতিক মহল ৷

    তবে, ভোটবাক্সের যে এত রদবদল ঘটতে পারে সেটি আন্দাজ করতে বেশ কিছুটা সময় লেগেছে বিজেপিরও ৷ কারণ ইয়েদুরাপ্পা ভোট প্রচারে নেমে সেভাবে সাধারণ মানুষের মনে দাগ কাটতে পারেননি ৷ তবে, কর্ণাটকে রাজনীতির ময়দানে প্রধানমন্ত্রী আসতেই এক ঝটকায় বদলে গিয়েছিল সমস্ত রাজনীতির হিসেব নিকেশ ৷ ইয়েদুরাপ্পাও কর্ণাটকে বিজেপির জেতা নিয়ে অনেক বেশি আত্মবিশ্বাসী হয়ে ওঠেন ৷ প্রতিটি ভোট প্রচারেই মুখ্যমন্ত্রী হয়ে সাধারণ মানুষের পাশে দাঁড়ানোর আশ্বাস যুগিয়েছেন ইয়েদুরাপ্পা ৷ আর তার ফল মিলল হাতেনাতে ৷

    ইয়েদুরাপ্পা শুধুমাত্র রাজ্যে বিজেপির মুখ হয়েই ভোটে দাঁড়িয়েছিলেন ৷ তবে, কর্ণাটকে বিজেপির জেতার রাজনীতির চাল আদতে কি হবে ? তা নির্ধারিত হত দিল্লি থেকেই ৷ এমনকী, ভোটের প্রচারেও উঠে আসত নানা জাতীয় ইস্যু ৷ তবে, তাতে স্থানীয় বাসিন্দাদের সুবিধার কথাও বিশেষভাবে উল্লেখ করা হত ৷ যার জেরেই সাধারণ মানুষের মনে অতি সহজে জায়গা করে নিতে এই সমস্ত কৌশল মন্ত্রমুগ্ধের মত কাজ করেছে কর্ণাটকবাসীর কাছে ৷ তার প্রমাণ মিলল কর্ণাটকের ভোটের ব্যালট বক্সেই ৷

    রাজনৈতিক মহলের মত, সিদ্দারমাইয়ার একের পর এক ভুল পদক্ষেপই বিজেপির জয়ের রাস্তা প্রশস্থ করেছে ৷ কর্ণাটকে নিজের ক্ষমতা ধরে রাখতে নির্বাচনের কিছুদিন আগেই লিঙ্গায়েত গোষ্ঠীকে পৃথক ধর্ম হিসেবে ঘোষণা করেছিলেন ৷ কিন্তু সিদ্দারমাইয়ার এই পদক্ষেপটাই ভুল নিয়ে নিয়েছিলেন সিদ্দারমাইয়া ৷ যার প্রভাব পড়েছে ভোটবাক্সেই ৷

    First published: