Sex for Oxygen: অক্সিজেন সিলিন্ডার লাগলে শয্যাসঙ্গিনী হতে হবে; করোনাকালে মানুষের অসহায়তার সুযোগে বাড়ছে যৌন অপরাধ!

অক্সিজেন সিলিন্ডার লাগলে শয্যাসঙ্গিনী হতে হবে; করোনাকালে মানুষের অসহায়তার সুযোগে বাড়ছে যৌন অপরাধ!

জানা গিয়েছে যে অক্সিজেন সিলিন্ডারের বদলে যৌন সুবিধা দেওয়ার বাধ্যবাধকতার মুখে পড়েছিলেন রাজধানীর এক তরুণী।

  • Share this:

#নয়াদিল্লি: যুদ্ধ, প্রাকৃতিক দুর্যোগ বা দুর্ভিক্ষের কালে যখন দেশের অর্থনীতি বিধ্বস্ত হয়ে পড়ে, তখন ভিড় বাড়তে থাকে যৌনপল্লীতে। সমাজের বিভিন্ন স্তরে দেখা দেয় টিঁকে থাকার লড়াই আর তার সূত্রেই যৌন সুবিধা দিয়ে কোনও মতে বেঁচে থাকতে চায় মানুষ। হয় সরাসরি নাম তোলে সামাজিক ভাবে স্বীকৃত যৌনকর্মীর তালিকায় অথবা পরিচিত পরিসরে যৌন সুবিধা দিতে বাধ্য হয়। যৌন অপরাধের এই অন্ধকার যুগ এর আগে দেখেছে পৃথিবী, পেরিয়েও এসেছে। তবে করোনাভাইরাসের কবলে আবার সেই মানসিকতা মাথাচাড়া দিয়ে উঠেছে সমাজে, তা সম্প্রতি চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিল সোশ্যাল মিডিয়া।

জানা গিয়েছে যে অক্সিজেন সিলিন্ডারের বদলে যৌন সুবিধা দেওয়ার বাধ্যবাধকতার মুখে পড়েছিলেন রাজধানীর এক তরুণী। বৃদ্ধ, অসুস্থ বাবার জন্য তাঁর একটা অক্সিজেন সিলিন্ডার দরকার ছিল। প্রভাবশালী এক প্রতিবেশী এই রকম অবস্থায় তাঁকে অক্সিজেন সিলিন্ডার জোগাড় করে দেওয়ার আশ্বাস দেন। শর্ত ছিল একটাই- ওই তরুণীকে তাঁর শয়্যাসঙ্গিনী হতে হবে। এই কথা তরুণী নিজের এক পরিচিতের কাছে আক্ষেপ করে বললে সেই সোশ্যাল মিডিয়া ইউজার নিজের Twitter অ্যাকাউন্ট থেকে ঘটনাটি সবাইকে জানান, লেখেন যে তাঁর বন্ধুর বোন কতটা অমানবিকতার সম্মুখীন হয়েছেন করোনাকালে!

স্বাভাবিক ভাবেই ঘটনাটি তুমুল আলোড়ন ফেলেছে সোশ্যাল মিডিয়ায়। ইউজাররা নিন্দা করেছেন প্রতিবেশীর মানসিকতার, সেই সঙ্গে তরুণীকে পুলিশে লিখিত অভিযোগ দায়ের করার পরামর্শও দিয়েছেন তাঁরা। অনেকের বক্তব্য- পুলিশে যেতে না চাইলে তরুণী কলোনির রেসিডেন্টস ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশনের কানেও কথাটা তুলতে পারেন। অনেকের আবার দাবি- এই সবের দরকার নেই, শুধু ওই ব্যক্তির নাম জানানো হোক, তাঁর কুকীর্তির কথা সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে দিয়ে উচিত শিক্ষা দেওয়া হবে!

তবে করোনাকালে মানুষের অসহায়তার সুযোগ নিয়ে যৌন সুবিধা আদায় করার চেষ্টা কিন্তু এটাই প্রথম নয়, দেশে এর আগেও এই ধরনের ঘটনা ঘটেছে। মুম্বইয়ের আন্ধেরির এক ওয়ার্ড বয় করোনা-রোগিণীকে ধর্ষণের চেষ্টা করেছেন, এক মহিলা প্লাজমা দানের আকুতি জানিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় নিজের নম্বর শেয়ার করলে সেই সূত্রে তাঁকে দেওয়া হয়েছে যৌন কুপ্রস্তাব। যদিও রয়টার্সের রিপোর্ট অনুসারে এই মানসিকতা বিশ্বের সর্বত্রই দেখা যাচ্ছে- ইউনাইটেড কিংডমে বাড়িওয়ালাদের একটা অংশ যে লকডাউনের সময়ে ভাড়াটেদের তাড়িয়ে দেওয়ার ভয় দেখিয়ে তাঁদের কাছ থেকে যৌন সুবিধা আদায় করছেন, সে কথাও উঠে এসেছে সংবাদের শিরোনামে!

Published by:Siddhartha Sarkar
First published: