রাফালের 'সেকেন্ড হোম' এবার বাংলা! আম্বালার ধাঁচে সাজছে হাসিমারা

রাফালের 'সেকেন্ড হোম' এবার বাংলা! আম্বালার ধাঁচে সাজছে হাসিমারা

ফ্রান্স থেকে আসার পর হরিয়ানার আম্বালাই ছিল রাফালের প্রথম ঘাঁটি।

ফ্রান্স থেকে আসার পর হরিয়ানার আম্বালাই ছিল রাফালের প্রথম ঘাঁটি।

  • Share this:
#হাসিমারা: সাজগোজ প্রায় শেষ। আর মাসখানেকের অপেক্ষা। তার পরই সারি দিয়ে যুদ্ধাস্ত্র সাজানো থাকবে এখানে। হাসিমারা। ভারত-ভূটান ট্রাইজংশন-এর কাছাকাছি অবস্থিত এই হাসিমারাই হবে রাফালের সেকেন্ড হোম। ফ্রান্স থেকে আসার পর হরিয়ানার আম্বালাই ছিল রাফালের প্রথম ঘাঁটি। তবে এবার রাফালের দ্বিতীয় স্কোয়াড্রন শোভা বাড়াবে বাংলার হাসিমারার। বায়ুসেনার অধিকারিকদের দাবি, এপ্রিল মাসের মধ্যেই সব দিক থেকে সেজে উঠবে উত্তরবঙ্গের এয়ারবেস হাসিমারা। তাই এখন সেখানে শেষবেলার প্রস্তুতি তুঙ্গে। হাতে তো আর মাত্র কটা দিন! ২০১৬ সালে ৫৯ হাজার কোটি টাকায় ফ্রান্সের সঙ্গে ৩৬টি রাফালে কেনার চুক্তি সেরেছিল ভারত। ৩০টি ফাইটার জেট ও ছটি ট্রেনিং এয়ারক্রাফট। নাম কে ওয়াস্তে ট্রেনিং এয়ারক্রাফট। সেই ছটি বিমানেও জেটস টু সিটার থাকবে। অর্থাত্, ওই ছটি বিমানও যুদ্ধে সমান পারদর্শী। গত বছর জুলাই মাসে প্রথম দফায় পাঁচটি রাফালে ভারতে এসেছিল। ধুমধাম করে সেগুলিকে স্বাগত জানিয়েছিল গোটা দেশ। সাতজম ভারতীয় পাইলট ২৭ জুলাই সাত হাজার কিমি রাস্তা পাড়ি দিয়ে রাফালে এনেছিলেন দেশে। এর পর নভেম্বর ও জানুয়ারি মাসে দ্বিতীয় ও তৃতীয় খেপে রাফালে ভারতে এসেছিল। এখনও পর্যন্ত ১১টি শক্তিশালী রাফালে ভারতের মাটি ছুঁয়েছে। আম্বালার এয়ারবেসে সেগুলি সুসজ্জিত রয়েছে। ২০২২ সালের এপ্রিলের মধ্যে ৩৬টি রাফালে ভারতে এসে পৌঁছবে। সেই ইঙ্গিত প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং আগেই দিয়েছিলেন। চলতি মাসে আরও ছটি রাফালে ভারতে আসবে বলেও লোকসভায় জানিয়েছিলেন রাজনাথ সিং। অর্থাত্, সীমান্তে চিন-পাকিস্তানের দাপাদাপি বন্ধ করতে আপাতত ভারতের হাতে ১৭টি রাফাল থাকছে। আম্বালায় ১৭ গোল্ডেন অ্যারো স্কোয়াড্রন আপাতত ১১টি রাফাল রয়েছে। ভারতীয় বায়ু সেনার অন্যতম সেরা অস্ত্র রাফালে শত্রু দেশের ঘুম উড়িয়েছে। তবে অস্ত্র থাকলেই তো হল না, সেগুলি পরিচালনা করাটাও বড় ব্যাপার। আপাতত বাছাই করা পাইলটদের ফ্রান্সে প্রশিক্ষণের জন্য পাঠিয়েছে বায়ু সেনা। ফ্রান্সই এই অত্যাধুনিক বিমানের আবিষ্কর্তা। তাই সেখানেই পাইলটদের সেরা ট্রেনিং হবে বলে মনে করছেন বায়ু সেনার আধিকারিকরা।
Published by:Suman Majumder
First published:

লেটেস্ট খবর