• Home
  • »
  • News
  • »
  • national
  • »
  • প্রাণ বাঁচাতে বেধে দিতে হবে দিনে এভারেস্টে ওঠার সংখ্যা, দাবি বিশেষজ্ঞদের

প্রাণ বাঁচাতে বেধে দিতে হবে দিনে এভারেস্টে ওঠার সংখ্যা, দাবি বিশেষজ্ঞদের

  • Share this:

    #নেপাল: বিশ্বের সবচেয়ে উঁচু শৃঙ্গেও ট্রাফিক জ্যাম। ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা। মাঝ রাস্তা থেকেই ফিরছেন অভিযাত্রীরা। বাড়ছে দুর্ঘটনা, মৃত্যুর সংখ্যা। এখনই সচেতন না হলে সমস্যা আরও বাড়ার আশঙ্কা। মাটি থেকে ৮ হাজার ৮৪৮ মিটার উঁচু। বরফের চাদরে মোড়া সুন্দরী এভারেস্ট। দুনিয়ার সবচেয়ে উঁচু শৃঙ্গ জয়ের অমোঘ আকর্ষণ। প্রচুর পর্বতারোহী ছুটে যাচ্ছেন মাউন্ট এভারেস্টে। আর তার জেরেই ট্রাফিক জ্যাম। কদিন আগে এক অভিযাত্রী নির্মল পুরজা একটি ছবি তোলেন। যাতে দেখা যায়, এভারেস্টে লাইন করে দাঁড়িয়ে পর্বতারোহীরা। গত কয়েক বছরে এভারেস্টে ওঠার হিড়িক ক্রমশ বেড়েছে। বাড়ছে দুর্ঘটনায় মৃত্যুর সংখ্যাও।

    এবছর এভারেস্ট অভিযানে মোট ১১ জনের মৃত্যু হয়েছে। বেশ কয়েকজন পর্বতারোহী নিখোঁজ। এবছর এভারেস্ট অভিযানে রওনা হয়েছিলেন মোট ৬০০ জন অভিযাত্রী। শুধু মে মাসের ২৩ তারিখেই এভারেস্ট শীর্ষে পৌঁছেছিলেন ২৫০ জন অভিযাত্রী। এই মৃত্যু মিছিলের কারণ অনুসন্ধান করতে গিয়ে উঠে আসছে কিছু তথ্য। চূড়ায় ওঠার লাইন পড়ে যাওয়ায় দীর্ঘক্ষণ অপেক্ষা করায় ফুরিয়ে যায় অক্সিজেন।

    শেরপাদের অভিযোগ, নেপালের এজেন্সিগুলো পাহাড়ে চড়ার অভিজ্ঞতা বা কোনও সার্টিফিকেট না দেখেই এভারেস্টে ওঠার অনুমতি দেয়। এবছর নেপাল সরকার ৩৮১ জনকে পারমিট দিয়েছে। শেরপাদের নিয়ে যে সংখ্যাটা দাঁড়ায় ৭০০।

    অভিযাত্রীর সংখ্যা বাড়ায় এভারেস্টে বাড়ছে দূষণও। বিশেষজ্ঞদের মত, এই পরিস্থিতি আটকাতে বেধে দিতে হবে দিনে এভারেস্টে ওঠার সংখ্যা। প্রয়োজনে অভিযাত্রীদের গ্রুপে ভাগ করে দিতে হবে। সংখ্যায় রাশ টানতে না পারলে ভবিষ্যতে অবস্থার আরও অবনতি হবে বলে আশঙ্কা।

    First published: