ব্যবসা কমল পতঞ্জলির, সবথেকে কম বিক্রি হচ্ছে ঘি, মধু

  • Share this:

    #মুম্বই: দেশে ভোগ্যপণ্যের দুনিয়ায় স্বদেশি বিপ্লব ঘটিয়েছিল পতঞ্জলি ৷ কিন্তু সেই পতঞ্জলি প্রোডাক্টের চাহিদা ক্রমশ কমছে ৷ সাম্প্রতিক সমীক্ষায় উঠে এল এমনই তথ্য ৷

    ক্রেডিট সুইস রিপোর্টের তথ্য থেকে জানা যাচ্ছে, গত বছরের থেকে চলতি বছরে এক শতাংশও লাভ করতে পারেনি পতঞ্জলি ৷ ২০১৪ সালে পতঞ্জলির প্রোডাক্ট থেকে ২হাজার কোটি টাকা লাভ হত ৷ ২০১৭ সালে পতঞ্জলি থেকে লাভের পরিমাণ গিয়ে দাঁড়ায় ১০হাজার কোটি টাকায় ৷ কিন্তু ২০১৮- আর্থিক বছরে এখনও অবধি পতঞ্জলির লাভের পরিমাণ গত বছরের মতই ৷ উল্লেখ্য, দন্তকান্তি টুথপেস্ট, ঘি, তেল, মধু এবং চুলের যেকোনও প্রোডাক্টগুলির চাহিদা সর্বাধিক ছিল ৷ কিন্তু সেই সমস্ত জিনিসগুলির চাহিদাই ক্রমশ কমছে ৷ এছাড়াও পতঞ্জলির সবথেকে জনপ্রিয় প্রোডাক্ট যেগুলি ছিল, সেগুলির চাহিদাই এখন নিম্নমুখী ৷

    বার্কের সেরা ১০ তালিকায় নেই পতঞ্জলির নাম ৷ শেষ ছ’সপ্তাহ ধরে বার্কের তালিকায় স্থান পায়নি পতঞ্জলি ৷ বিশেষজ্ঞরা এক্ষেত্রে মিডিয়াকেই দায়ী করছে বেশিরভাগ ক্ষেত্রে ৷ মিডিয়া কভারেজ কমে যাওয়ার কারণেই বাবা রামদেবের চাহিদা কমছে ৷ এছাড়াও আরও বেশ কয়েকটি বিষয় উঠে আসছে ৷

    কেউ কেউ মনে করছেন, প্রতিদ্বন্দ্বী সংস্থাগুলি তার প্রোডাক্টগুলিকে পুনরায় ভাবে তৈরি করছে ৷ তারা এক্ষেত্রে প্রাকৃতিক বিষয়গুলির উপরই বেশি জোর দিচ্ছেন ৷ ভোগ্যপণ্যের ক্ষেত্রে পতঞ্জলিকে টেক্কা দিয়ে উপরের সারিতে উঠে এসেছে কোলগেট এবং হিন্দুস্থান ইউনিলিভার ৷ উল্লেখ্য ভাবে ডাবরের ব্যবসাও উর্দ্ধমুখী ৷

    পাশাপাশি উঠে আসছে আরও একটি কারণ ৷ শুরুটা করেছিলেন এক জন যোগগুরু হিসেবে। তার পর সময় যত এগিয়েছে, চমক ততই বেড়েছে। যোগগুরু রামদেব এবং তাঁর সংস্থা পতঞ্জলির হাত ধরে বাজার ছেয়েছে একধিক নিত্য পণ্যে। প্রাথমিকভাবে, আয়ূর্বেদিক ওষুধের উপরই বেশি নজর দিত পতঞ্জলি ৷ কিন্তু ধীরে ধীরে হার্বাল এবং অর্গানিক খাবারের উপরও জোর দিচ্ছে তারা ৷ টেলিকম শিল্পেও ঢুকে পড়েছে পতঞ্জলি।  যার জেরে মানুষের মনে দ্বিধারও সৃষ্টি হতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে ৷

    First published: