corona virus btn
corona virus btn
Loading

কিডনি বিক্রিকে স্বীকৃতি দিন - মেয়ের স্কুল ফি দিতে না পেরে নরেন্দ্র মোদিকে চিঠি চাকরি খোয়ানো বাবা-র

কিডনি বিক্রিকে স্বীকৃতি দিন - মেয়ের স্কুল ফি দিতে না পেরে নরেন্দ্র মোদিকে চিঠি চাকরি খোয়ানো বাবা-র
Photo- Representive

লকডাউনে ভেঙে পড়েছে গোটা ভারতের অর্থনৈতিক অবস্থা . তাই বাবার কান্নাভেজা এই চিঠি

  • Share this:

#চণ্ডীগড়: এই লকডাউনের মধ্যে স্কুল ফি দেওয়া নিয়ে সারা দেশেই একাধিক বিতর্ক হচ্ছে ৷ তারমধ্যে আগুনে আরও ঘি পড়ল ৷ সম্প্রতি চণ্ডীগড়ের এক দম্পতি প্রধানমন্ত্রীকে চিঠি দিয়েছেন ৷ চণ্ডীগড়ের অতুল ভোরা এই লকডাউনে বদ্ধ থাকা পরিবারের যন্ত্রণার কথা চিঠির ছত্রে ছত্রে ফুটিয়ে তুলেছেন ৷

নিজের চিঠিতে তিনি সন্তানের স্কুল ফি দেওয়ার জন্য কিডনি বিক্রি করার বিষয়টিকে স্বীকৃতি দেওয়ার জন্য অনুমতি চেয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর কাছে ৷ মেয়ের স্কুল ফি দেওয়ার জন্য তাঁর কাছে কোনও আর্থিক সঙ্গতি নেই তাই এই পথই তাঁর কাছে একমাত্র উপায় ৷

Photo- Representive Photo- Representive

তিনি চিঠি লিখে জানিয়েছেন, একটি কোম্পানিতে তিনি চুক্তিভিত্তিক কর্মী হিসেবে কাজ করেন ৷ আর এই লকডাউন পর্বে তিনি চাকরি হারিয়েছেন ৷ তাঁর পরিবারে পাঁচ সদস্য রয়েছে ৷ আর পরিবারে একমাত্র তিনিই রোজগার করেন ৷ নিজেদের যা সামাণ্য সঞ্চয় আছে তার থেকে কোনওমতে দিন গুজরান হচ্ছে ৷ এখন তাদের পরিবার চালানোর একমাত্র সম্বল মায়ের পেনশন ৷

আরও পড়ুন - সূর্যালোকেই মুক্তি, COVID 19 থেকে বাঁচাতে বড় ভূমিকা নিতে পারে ভিটামিন ডি! কী বলছে নতুন রিসার্চ

তার কাছে বাড়ি ভাড়া দেওয়ার মতো অর্থ নেই, নেই ইএমআই দেওয়ার মতো অর্থ , হেলথ ইনসিওরেন্স ও ইউটিলিটি বিলও মেটাতে পারছেন না৷ একাধিক মানুষ এই সময়ে অর্থনৈতিক ধাক্কার মধ্যে দিয়ে গেছেন ৷ চণ্ডীগড়ের সেন্ট জোসেফস সিনিয়র সেকেন্ডরি স্কুলের সপ্তম শ্রেণীতে পড়াশুনো করে ৷ স্কুল এই মুহূ্র্তে ডিসেম্বর অবধি ৩২ হাজার টাকার টিউশন ফি চাইছে ৷

ভোরা এর আগে ফি রেগুলেটরি কমিটি ও চণ্ডীগড়ের শিক্ষা দফতরের কাছে এই বিষয়টি নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন ৷ তাঁর দাবি এরা কেউই কোনও স্কুলকেই কোনও শোকজ করেনি৷ কারণ বিভিন্ন পেরেন্ট অ্যাসোসিয়েশন নিজেদের স্কুলের এইরকম বিষয় নিয়ে সরব হয়েছে ৷

তিনি নিজের চিঠিতে লিখেছেন স্কুল ফি নিয়ে সরকার যদি এতটাই কড়াকড়ি করে তাহলে শিক্ষার বাণিজ্যিকরণের জন্য শরীরের অঙ্গ বিক্রিকেও সরকারি স্বীকৃতি দিন ৷ যাতে স্কুল ফি দিতে গিয়ে নিজেদের কিডনি বেচতে পারেন ৷

চণ্ডীগড় পেরেন্টস অ্যাসোসিয়েশনের পক্ষ থেকে নিতীন গোয়াল জানিয়েছেন, ‘বেশিরভাগ স্কুল এতটা টাকা একেবারে চেয়েছে যা স্কুলের মোট টিউশন ফি-র সমান ৷ এই পরিস্থিতিতেও বাবা-মা কোনও রেহাই পাচ্ছেন না ৷ ’

যদিও এরপর কী হয়েছে তা নিয়ে এখনও কেউ কোনও জবাব দেয়নি ৷

Published by: Debalina Datta
First published: May 26, 2020, 11:33 AM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर