• Home
  • »
  • News
  • »
  • national
  • »
  • হাত-চোখ-মুখ বাঁধার নির্দেশ দেওয়া ছিল হাতে লেখা নোটে, ১১ জনের মৃত্যুতে মিলল চাঞ্চল্যকর তথ্য

হাত-চোখ-মুখ বাঁধার নির্দেশ দেওয়া ছিল হাতে লেখা নোটে, ১১ জনের মৃত্যুতে মিলল চাঞ্চল্যকর তথ্য

ছবি: নিউজ ১৮

ছবি: নিউজ ১৮

  • Share this:

    #নয়াদিল্লি: নয়াদিল্লির বুরারিতে ১১ জনের মৃত্যুর ঘটনায় চাঞ্চল্যকর তথ্য এল পুলিশের হাতে ৷ গতকাল একটি বাড়ি থেকে একই পরিবারের ১১টি লাশ উদ্ধার করেছিল দিল্লি পুলিশ ৷ সেই বাড়িতে অনুসন্ধান চালিয়ে এবার বেশ কয়েকটি হাতে লেখা নোট উদ্ধার করল দিল্লি পুলিশের তদন্তকারী অফিসাররা । নোটগুলিতে কিছু রহস্যময় আধ্যাত্মিক অভ্যাস পালন করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল ।

    পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ৭৭ বছরের নারায়ণ দেবী তাঁর দুই পুত্র-ভাবনেশ(৫০) ও ললিত(৪৫)-এর পরিবার নিয়ে থাকতেন । দুই পুত্রবধু সবিতা(৪৮) ও টিনা(৪২), এছাড়াও কন্যা প্রতিভা(৫৭)ও তাঁদের সঙ্গেই থাকতেন। নারায়ণ দেবীর নাতি মনু(২৩), ধ্রুব(১৫) ও শিবম(১৫) এবং দুই নাতনি প্রিয়াঙ্কা(৩৩) ও নিতু(২৫) মোট ১১ জনের সুখী পরিবার ছিল নারায়ণ দেবীর ।

    দিল্লি পুলিশের জয়েন্ট কমিশনার অলোক কুমার জানিয়েছেন, ঠিক যেরকম ভাবে ১১টি দেহ বাঁধা অবস্থায় পাওয়া গিয়েছিল, এই নোটগুলিতে একইরকম ভাবে হাত-পা বাঁধার পদ্ধতির বিবরণ পাওয়া গিয়েছে । পুলিশ নোটগুলিকে খতিয়ে দেখছে ।

    আরও পড়ুন:  বন্ধ ঘরের ভিতর থেকে উদ্ধার ১১টি ঝুলন্ত মৃতদেহ

    অন্য এক পুলিশ অফিসার জানিয়েছেন, এই নোটগুলিতে একজন চোখ-মুখ আচ্ছাদনের সাহায্যে কিভাবে ভয় অতিক্রম করতে পারেন এই কথাও লেখা আছে । এছাড়াও কিভাবে একজন মোক্ষলাভ করতে পারেন, সে কথাও রয়েছে ৷ মানুষের শরীর ক্ষণস্থায়ী হলেও, আত্মা অবিনশ্বর এই ধরনের কথা বিস্তারিত ভাবে লেখা আছে ওই নোটগুলিতে । কিভাবে মানুষ এইসব আধ্যাত্মিক ক্রিয়াকলাপের সাহায্যে সকলপ্রকার সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে পারেন, তার কথাও লেখা আছে নোটগুলিতে ।

    প্রতিবেশীদের মতে এই পরিবার খুবই আধ্যাত্মিক ছিল। বাড়ির বাইরে একটি বোর্ডে তাঁরা প্রতিদিন আধ্যাত্মিক বার্তা লিখে রাখতেন । তবে প্রতিবেশীরা পুলিশকে জানিয়েছেন, ভাটিয়া পরিবার তেমন কোনও বিপজ্জক আচার-আচরণ পালন করতেন না ৷

    স্থানীয়রা আরও জানিয়েছেন, অর্থনৈতিভাবে স্বচ্ছল ছিলো এই ভাটিয়া পরিবার। তাঁদের মুদি দোকানের ব্যবসাও ভালই চলছিল । ওই পরিবারের মেয়ে প্রিয়াঙ্কা, নয়ডার একটি বহুজাতিক সংস্থায় ভাল চাকরীও করতেন । এই বছরের শেষেই বিয়ে হওয়ার কথা ছিল প্রিয়াঙ্কার । এনগেজমেন্ট হয়ে গিয়েছিল তাঁর । তাই আপাতদৃষ্টিতে আত্মহত্যার কোন কারণই ছিল না বলে মত প্রতিবেশীদের। এই ঘটনায় খুনের মামলা রুজু করেছে দিল্লি পুলিশ । তবে ময়নাতদন্তের রিপোর্ট হাতে এলেই মৃত্যুর আসল কারণ বোঝা যাবে৷

    আরও পড়ুন:  ছেলেধরা সন্দেহে পিটিয়ে মারা হল পাঁচজনকে

    First published: