দেশ

corona virus btn
corona virus btn
Loading

বিহারে বৃহত্তম তেজস্বীর দল, কৃতিত্ব একা তেজস্বীর নয়, চাণক্য এক বহিরাগত তরুণ

বিহারে বৃহত্তম তেজস্বীর দল, কৃতিত্ব একা তেজস্বীর নয়, চাণক্য এক বহিরাগত তরুণ
তেজস্বীর চাণক্য সঞ্জয় যাদব।

রাজনীতির পর্যবেক্ষকদেরও মুখে মুখে তাঁর নাম। বলছেন, নীতি নির্ধারণ থেকে ভার্চুয়াল জগতে দলের অস্তিত্বপ্রতিষ্ঠা, প্রতিটি ঘটনা ঘটেছে এই সঞ্জয় যাদবেরই অঙ্গুলিহেলনই, আর তারই ফল পাচ্ছে এই নতুন আরজে়ডি।

  • Share this:

#পটনা: ২০১৩ সালের অক্টোবর মাস। ২৩ বছর বয়সি তেজস্বী বুঝতে পারছিলেন ক্রিকেট থেকে যা পাওয়ার পাওয়া হয়ে গিয়েছে। এবার অন্য পথ নিতে হবে। রাজনীতির ইনিংস শুরু করার জন্য সোজাসুজি বা়ড়ি ফিরে আসেন, সঙ্গে আনেন এক বাইরের মানুষকে। তাঁর নাম, সঞ্জয় যাদব। এই বহিরাগতকে বাড়িতে পরিচয় করানোর সময় বলেন, উনি আমার বড় দাদা, আমরা এক সঙ্গে কাজ করব। সেই শুরু পথচলা, লালুপ্রসাদের ছায়া কাটিয়ে বিহারে যখন আজ তেজস্বীর তেজ মান্যতা পাচ্ছে, লোকে সঞ্জয় যাদবকে চাণক্য বলছেন। রাজনীতির পর্যবেক্ষকদেরও মুখে মুখে তাঁর নাম। বলছেন, নীতি নির্ধারণ থেকে ভার্চুয়াল জগতে দলের অস্তিত্বপ্রতিষ্ঠা, প্রতিটি ঘটনা ঘটেছে এই সঞ্জয় যাদবেরই অঙ্গুলিহেলনই, আর তারই ফল পাচ্ছে এই নতুন আরজে়ডি।

৩৬ বছরের এই তরুণ এখন আরজেডির ঘরের লোক, এমনকি শোনা যায় বুড়ো ঘোড়া লালুপ্রসাদও তাঁর মত ধৈর্য্য ধরে শোনেন, তাঁর কথাকে মান্যতা দেন। ভোটের আগে যখন জোট নিয়ে মহাসঙ্কট তখন লালুকে বোঝান সঞ্জয় স্বয়য়। নিউজ এইট্টিন-কে দেওয়া এক এক্সক্লুসিভ সাক্ষাৎকারে সঞ্জয় বলেন, ওঁকে বোঝানো কঠিন কাজ। কারণ ময়দানে নেমে অনেক বেশি কাজ করেছেন তিনি। কিন্তু তার কাছে আজকের বাস্তবচিত্রটা তো পরিষ্কার নয়, আমি সেই ছবিটাই তুলে ধরেছিলাম।

যাঁর নির্ণয় করে দেওয়া অস্ত্র ঘায়েল করে দিচ্ছে ১৫ বছর ক্ষমতায় থাকা নীতীশ কুমারকে, সেই সঞ্জয় ২০১৩ সালের আগে বিহারে পাই রাখেননি। হরিয়ানার এক গণ্ডগ্রাম নাঙ্গাল সিরোহির বাসিন্দা সঞ্জয়ের বাবা এক সামান্য সুবেদারের চাকরি করতেন। গ্রামের স্কুলেই লেখাপড়া করেছেন। কোন মন্ত্রবলে তিনি আরজেডির এত ঘনিষ্ঠ হয়ে উঠলেন! নিউজ ১৮কে সঞ্জয় বলছেন," আমার ঘনিষ্ঠতাটা তাবেদারি নয়, পৃষ্ঠপোষকতাও নয়।"

তেজস্বীর দলের ৭৫টি আসন প্রাপ্তি যেমন ময়দানে নেমে কঠোর পরিশ্রমের ফল, তেমনই ভার্চুয়াল উপস্থিতি।আর এই ব্যাপারটা পুরোটাই হয়েছে সঞ্জয়ের উপস্থিতিতে। সঞ্জয় বিলক্ষণ বুঝতে পারছিলেন, বিজেপির সঙ্গে লড়াই করতে হলে শক্ত ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম না হলে চলবে না। সেই মতোই ঘুঁটি সাজান সঞ্জয়। দশ লক্ষ কর্মসংস্থানের প্রতিশ্রুতিও তারই ফলশ্রুতি।

এনডিএ-র হেভিওয়েটরা যখন হেলিকপ্টার থেকে নামছেন, দেখা গেল তেজস্বীও ওই দৃশ্য করিশ্মায় সমান পারঙ্গম। পাশাপাশি একদিনে ১৯ টি সভা করেছেন তিনি এমন দিনও এসেছে। এসব কিছুই হতো না যদি সঞ্জয় না থাকতেন। অবশ্য কৃতিত্ব নিতে অনীহা রয়েছে তেজস্বীর। হেলায় বললেন, আসলে তেজস্বী এক দারুণ ছাত্র, রাজনীতির জ্ঞান আর উপস্থিত বুদ্ধির মিশেলে তৈরি তাঁর ব্যক্তিত্ব। আমাদের বন্ধুত্বের গভীরতাই আমাদের এগিয়ে চলার অনুপ্রেরণা।

Published by: Arka Deb
First published: November 11, 2020, 2:43 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर