• Home
  • »
  • News
  • »
  • national
  • »
  • Ayodhya Verdict: নমাজের জন্য মসজিদ আবশ্যিক নয়, জানিয়ে দিল সুপ্রিম কোর্ট

Ayodhya Verdict: নমাজের জন্য মসজিদ আবশ্যিক নয়, জানিয়ে দিল সুপ্রিম কোর্ট

বস্ত‌ুত, অযোধ্যা জমি মামলার শুনানি চলাকালীনই নমাজে মসজিদ আবশ্যিক কিনা, সেই বিষয়টি ওঠে৷ তবে নমাজ মামলার রায়ের প্রভাব বাবরি মসজিদ মামলায় পড়বে না বলেও জানিয়েছে শীর্ষ আদালত৷

বস্ত‌ুত, অযোধ্যা জমি মামলার শুনানি চলাকালীনই নমাজে মসজিদ আবশ্যিক কিনা, সেই বিষয়টি ওঠে৷ তবে নমাজ মামলার রায়ের প্রভাব বাবরি মসজিদ মামলায় পড়বে না বলেও জানিয়েছে শীর্ষ আদালত৷

বস্ত‌ুত, অযোধ্যা জমি মামলার শুনানি চলাকালীনই নমাজে মসজিদ আবশ্যিক কিনা, সেই বিষয়টি ওঠে৷ তবে নমাজ মামলার রায়ের প্রভাব বাবরি মসজিদ মামলায় পড়বে না বলেও জানিয়েছে শীর্ষ আদালত৷

  • Share this:

    #নয়াদিল্লি: অযোধ্যা জমি মামলা বৃহত্তর বেঞ্চে যাবে না বলে জানিয়ে দিল সুপ্রিম কোর্ট৷ শীর্ষ আদালত জানিয়ে দিয়েছে, বাবরি মামলার শুনানি শুরু হচ্ছে ২৯ অক্টোবর৷

    প্রধানবিচারপতি দীপক মিশ্র যেহেতু অবসর গ্রহণ করছেন ২ অক্টোবর, তাই নতুন ৩ সদস্যের বেঞ্চ গঠন করা হবে বাবরি মসজিদ মামলার  শুনানির জন্য৷  নতুন বেঞ্চ রঞ্জন গগৈ-র নেতৃত্বে গঠিত হবে৷ তাঁর প্রধান বিচারপতি পদে শপথের পর নতুন বেঞ্চ গঠন করা হবে৷

    নমাজ পাঠের জন্য মসজিদ কী আবশ্যিক? সুপ্রিম কোর্টের পর্যবেক্ষণ, নমাজ পাঠের জন্য মসজিদ আবশ্যিক নয়৷ যে কোনও স্থানেই নমাজ পড়া যাবে৷ যার নির্যাস, ১৯৯৪ সালের রায়কেই বহাল রেখে মামলাটি বৃহত্তর বেঞ্চে পাঠানোর আর্জি খারিজ করে দিল দেশের শীর্ষ আদালত৷

    বস্ত‌ুত, অযোধ্যা জমি মামলার শুনানি চলাকালীনই নমাজে মসজিদ আবশ্যিক কিনা, সেই বিষয়টি ওঠে৷ তবে রায়ের প্রভাব মূল বাবরি মসজিদ মামলায় পড়বে না বলেও জানিয়েছে শীর্ষ আদালত৷ সুপ্রিম কোর্টের প্রধানবিচারপতি দীপক মিশ্রের নেতৃত্বাধীন বেঞ্চের পর্যবেক্ষণ, ভারতের সংস্কৃতি মহান। এ দেশে সব ধর্মই সমান। কোনও ধর্মকেই আলাদা গুরুত্ব দেওয়া যায় না। প্রতিটি ধর্মেই উপাসনাস্থল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু সরকারি কাজে যদি কোনও উপাসনাস্থলের জমি অধিগ্রহণ করতে হয়, তা কখনও বাধা হতে পারে না।

    শীর্ষ আদালত জানিয়েছে, নমাজ মামলা বৃহত্তর বেঞ্চে পাঠালে বাবরি মসজিদ মামলার শুনানি ও রায়দান পিছিয়ে যেতে পারে৷

    আরও ভিডিও: হিন্দু ছেলের বাইকে কেন চড়বি? মুসলিম তরুণীকে চরম হেনস্থা!

    First published: