COVID Warrior: নিচ্ছেন না একটিও পয়সা, করোনাক্রান্তের জন্য অটো চালিয়েই অ্যাম্বুল্যান্স পরিষেবা মুম্বইয়ের শিক্ষকের

COVID Warrior: নিচ্ছেন না একটিও পয়সা, করোনাক্রান্তের জন্য অটো চালিয়েই অ্যাম্বুল্যান্স পরিষেবা মুম্বইয়ের শিক্ষকের

নিচ্ছেন না একটিও পয়সা, করোনাক্রান্তের জন্য অটো চালিয়েই অ্যাম্বুল্যান্স পরিষেবা মুম্বইয়ের শিক্ষকের!

বিগত বেশ অনেকগুলো দিন ধরে মুম্বইয়ের ঘাটকাপোর এলাকায় এই পরিষেবা দিয়ে চলেছেন সাওয়ান্ত

  • Share this:

#মুম্বই: করোনাভাইরাস একটা বৈপরীত্য কিন্তু তৈরি করেছে সমাজে। এই ছোঁয়াচে ভাইরাসের করাল গ্রাস থেকে দূরে থাকার জন্য যেমন শারীরিক দূরত্ববিধি, সামাজিক নির্বাসন মেনে চলা প্রয়োজন, তেমনই এই রোগে যাঁরা আক্রান্ত হচ্ছেন, তাঁদের পাশে এসে দাঁড়াতে কুণ্ঠা বোধ করছেন না সমাজের কোনও না কোনও সদস্য। করোনাক্রান্তের বাড়িতে পৌঁছে যাচ্ছে ঠিক সময়ে দু'বেলার খাবার, পৌঁছে যাচ্ছে অক্সিজেন সিলিন্ডার। হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার দরকার, অথচ অ্যাম্বুল্যান্স পরিষেবা মিলছে না? কোনও কিছু না ভেবেই এগিয়ে আসছেন তাঁরা, যাঁদের কাছে গাড়ি রয়েছে! এই দলেই পড়েন মুম্বইয়ের এক স্কুলশিক্ষক, তাঁর নাম দত্তাত্রেয় সাওয়ান্ত (Dattatraya Sawant)। করোনাকালে মানুষের পাশে থাকতে তিনি নিজের অটোটাকেই পরিণত করে তুলেছেন যেন অ্যাম্বুল্যান্সে, এই পরিষেবা যাঁরা পাচ্ছেন না, তাঁদের তিনি হাসপাতালে পৌঁছে দিচ্ছেন, আবার হাসপাতাল থেকে বাড়ি নিয়েও আসছেন।

এই জায়গায় এসে বলে রাখা ভালো, বিগত বেশ অনেকগুলো দিন ধরে মুম্বইয়ের ঘাটকাপোর এলাকায় এই পরিষেবা দিয়ে চলেছেন সাওয়ান্ত। তিনি বা তাঁর পরিবারের কেউ কিন্তু এই নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়া মারফত কোনও রকম বাহাদুরি জারি করেননি। দয়াসাগর বিদ্যা মন্দির স্কুলের এই প্রাথমিক শ্রেণীর শিক্ষকের কাহিনি সম্প্রতি দেশের সামনে তুলে ধরেছে ANI সংবাদ মাধ্যম। আর তাদের খবরকেই ট্যুইট করেছেন নিজের সোশ্যাল মিডিয়া হ্যান্ডেল থেকে বিখ্যাত ক্রিকেটার ভিভিএস লক্ষ্মণ (VVS Laxman)। তাঁর অনুরাগীর সংখ্যা বেশি বলেই দেখতে দেখতে দেশে ছড়িয়ে পড়েছে সাওয়ান্তের মহানুভবতার কথা।

জানা গিয়েছে যে এই কাজে একটা হলুদ রঙের পিপিই স্যুট সাওয়ান্তের নিত্যদিনের সঙ্গী। যাতে নিজেকে সুরক্ষিত রাখা যায়, সেই মর্মে এটুকু রক্ষাকবচ তো লাগবেই! পাশাপাশি নিজের পরিবার এবং অন্যদের কথা ভেবে রোগীকে নামিয়েই প্রত্যেক ট্রিপের পর নিজের গাড়ি নিয়ম করে স্যানিটাইজ করেন তিনি। করোনাবিধির সবক'টা নিয়ম মেনেই মুম্বইয়ের পথে রোগী নিয়ে যাতায়াত করেন। জ্বালানির খরচ চালান নিজের শিক্ষককতা থেকে অর্জন হওয়া টাকায়, স্ত্রীও সংসার খরচ বাঁচিয়ে স্বামীর হাতে তুলে দেন টাকা। এই খবর পাওয়ার পর মুম্বই ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিয়েছে সাওয়ান্তের দিকে। মিনিস্ট্রি অফ কর্পোরেট অ্যাফেয়ার্সও দিয়েছে প্রতিশ্রুতি- এবার থেকে সাওয়ান্তের গাড়ির তেল ভরার খরচ মেটাবে তারা!

Published by:Ananya Chakraborty
First published: