কৃষি আইনের বিরুদ্ধে অভিনব প্রতিবাদ, আন্দোলনস্থানেই ছেলের বিয়ে দিলেন কৃষক নেতা

কৃষি আইনের বিরুদ্ধে অভিনব প্রতিবাদ, আন্দোলনস্থানেই ছেলের বিয়ে দিলেন কৃষক নেতা

এই বিয়ের মাধ্যমে কেন্দ্রীয় সরকারকে কড়া বার্তা দিতে চেয়েছেন নব দম্পতি। তাঁরা বলেন, "এর মাধ্যমে আমরা বোঝাতে চেয়েছিলাম বিক্ষোভের সঙ্গে একই গতিতে চলছে আমাদের জীবন।

এই বিয়ের মাধ্যমে কেন্দ্রীয় সরকারকে কড়া বার্তা দিতে চেয়েছেন নব দম্পতি। তাঁরা বলেন, "এর মাধ্যমে আমরা বোঝাতে চেয়েছিলাম বিক্ষোভের সঙ্গে একই গতিতে চলছে আমাদের জীবন।

  • Share this:

    #মধ্যপ্রদেশ : গতবছর নভেম্বর মাস থেকেই কেন্দ্রের তিনটি কৃষি আইনের বিরুদ্ধে দিল্লির বিভিন্ন সীমান্তে বিক্ষোভ দেখাচ্ছেন কৃষকরা। দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন প্রত্যাহার করবেন না বলে সাফ জানিয়ে দিয়েছেন তাঁরা। এ বার কেন্দ্রীয় সরকারকে কড়া বার্তা দিতে আন্দোলনস্থানেই ছেলের বিয়ে দিলেন মধ্যপ্রদেশের কৃষক সংগঠনের এক নেতা। প্রতিবাদের জন্য ভোপাল থেকে প্রায় ৫০০ কিলোমিটার দূরে রেওয়াতে জড়ো হয়েছেন কৃষকরা। আর সেখানেই ১৮ মার্চ ছেলের বিয়ে দেন ওই নেতা।

    নবদম্পতি সচিন ও আসমা সিং সমাজ সংস্কারক বি আর আম্বেদকর এবং সাবিত্রীবাই ফুলের মূর্তিকে সামনে রেখে সাতপাকে বাঁধা পড়েন। বিয়ের মন্ত্রের পাশাপাশি শপথ নেন সংবিধান রক্ষারও। এই বিয়ের মাধ্যমে কেন্দ্রীয় সরকারকে কড়া বার্তা দিতে চেয়েছেন নব দম্পতি। তাঁরা বলেন, "এর মাধ্যমে আমরা বোঝাতে চেয়েছিলাম বিক্ষোভের সঙ্গে একই গতিতে চলছে আমাদের জীবন। দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত আমরা হাল ছাড়ব না। ২৬ নভেম্বর থেকে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে প্রতিবাদ আন্দোলন চালাচ্ছেন কৃষকরা। বিয়ের মত জীবনের গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়ে সেই আন্দোলনের আঁচ এসে পৌঁছবে এটাই স্বাভাবিক। তবে আমরা কোনওমতেই নিজেদের প্রতিবাদ আন্দোলন থেকে সরে যাব না।"

    মধ্যপ্রদেশের কিষাণ মহাসভার জেলা নেতা রামজিৎ সিং সাংবাদিকদের বলেন, "আমরা কেন্দ্রকে একটি কড়া বার্তা দিতে চেয়েছিলাম যে আমরা প্রতিবাদ থেকে সরে আসব না। এমনকি আমাদের ছেলের বিয়ের জন্যও নয়।" তবে কৃষি আইনের প্রতিবাদ ছাড়াও সমাজকে একটি বার্তা দিতে চায় এই দম্পতি। তাই এই বিয়েতে কোনও যৌতুক নেওয়া হয়নি। এছাড়া বিয়েতে কনে বিয়ে করতে আসেন কনেযাত্রী নিয়ে। যা শহরে এই প্রথম বলে দাবি করেছেন তাঁরা। বিয়েতে পরিবারের তরফে পাওয়া নানা উপহার কৃষক ইউনিয়নকে দিয়ে দিয়েছেন সচিন ও তাঁর স্ত্রী।

    Published by:Sanjukta Sarkar
    First published: