Naxal Attack: মোস্ট ওয়ান্টেড মাওবাদী নেতা হিড়মাই কি বাহিনীর উপর হামলার মাস্টারমাইন্ড!

Naxal Attack: মোস্ট ওয়ান্টেড মাওবাদী নেতা হিড়মাই কি বাহিনীর উপর হামলার মাস্টারমাইন্ড!

মোস্ট ওয়ান্টেড মাওবাদী নেতা রমন্না মারা যাওয়ার পর তার জায়গায় দায়িত্ব সামলাচ্ছে হিড়মা।

মোস্ট ওয়ান্টেড মাওবাদী নেতা রমন্না মারা যাওয়ার পর তার জায়গায় দায়িত্ব সামলাচ্ছে হিড়মা।

  • Share this:

    #ছত্তীসগড়:

    তার মাথার দাম ৫০ লক্ষ টাকা। গত কয়েক মাস ধরেই তাকে খতম করার চেষ্টা চালাচ্ছিল নিরাপত্তা বাহিনী। কিন্তু বারবার হাতের নাগালে এসেও মোস্ট ওয়ান্টেড নকশাল নেতা পালিয়ে বেড়াচ্ছিল। এদিনও গোয়েন্দাদের কাছে খবর ছিল, বীজাপুর-সুকমা সীমান্তে একটি গ্রামে লুকিয়ে রয়েছে মাওবাদী নেতা হিড়মা। মোস্ট ওয়ান্টেড মাওবাদী নেতা রমন্না মারা যাওয়ার পর তার জায়গায় দায়িত্ব সামলাচ্ছে হিড়মা। রমন্নার মাথার দাম ছিল ১.৪ কোটি টাকা। এখন ছত্তীসগড়ের বিস্তীর্ণ এলাকায় নিরাপত্তা বাহিনীর ওপর হামলার যাবতীয় ছক কষে হিড়মা। সেই জন্যই গত কয়েক মাস ধরে মাওবাদী নেতা হিড়মাকে খতম করার চেষ্টা চালাচ্ছিল নিরাপত্তা বাহিনী। এদিনও বীজাপুর এলাকায় হিড়মা রয়েছে বলেই খবর পেয়েছিল নিরাপত্তা বাহিনী। সেই জন্যই অপারেশন লঞ্চ করা হয়েছিল। কিন্তু হিড়মাকে খতম করতে গিয়ে পাহাড়ি এলাকায় আটকে পড়ে বাহিনী।

    হিড়মার প্লাটুন কোম্পানির মুখোমুখি হয়েছিলেন বাহিনীর জওয়ানরা। আর তখনই কয়েকজন জওয়ান শহিদ হন।

    মাওবাদীদের কেন্দ্রীয় সমিতি হিড়মাকে স্পেশাল জোনাল কমিটির প্রধান বানিয়েছিল। এখন ছত্তীসগড়ে মাওবাদী বেল্টের দায়িত্ব সামলায় হিড়মা। ওই এলাকায় কেন্দ্রীয় বাহিনীর উপর হামলার ছক কষে এই মাওবাদী নেতা। সিআরপিএফ মনে করছে, বীজাপুরে বাহিনীর উপর হামলার মাস্টারমাইন্ড এই হিড়মা। এদিন টিসিওসি বা ট্যাকটিকাল কাউন্ডার অফেসিভ ক্যাম্পেইন পলিসি অনুযায়ী হামলা চালিয়েছিল মাওবাদীরা। এই পলিসি অনুযায়ী বড় সংখ্যার বাহিনীকে ঘিরে হামলা চালানো হয়। ফেব্রুয়ারি থেকে মে মাসের শেষ সপ্তাহ পর্যন্ত প্রতি বছর টিসিওসি হামলা চালায় মাওবাদীরা। বীজাপুরে হামলাও সেই স্ট্র্যাটেজি মেনেই হয়েছে। এর আগে ২৩ মার্চ আইইডি বিস্ফোরণ ঘটিয়ে বাহিনীর গাড়ি উড়িয়ে দিয়েছিল মাওবাদীরা। সেই হামলাতেও পাঁচ জন জওয়ান শহিদ হয়েছিলেন।

    Published by:Suman Majumder
    First published:

    লেটেস্ট খবর