corona virus btn
corona virus btn
Loading

মানবতার দৃষ্টান্ত! মসজিদ হল 'মাদার অ্যান্ড চাইল্ড ক্লিনিক', ৩১ বস্তির ৫ লক্ষ মানুষের মুখে ফুটল হাসি

মানবতার দৃষ্টান্ত! মসজিদ হল 'মাদার অ্যান্ড চাইল্ড ক্লিনিক', ৩১ বস্তির ৫ লক্ষ মানুষের মুখে ফুটল হাসি

আমেরিকার SEED সংস্থার অর্থানুকূল্যে চলা হায়দরাবাদের একটি NGO হেল্পিং হ্যান্ড ফাউন্ডেশনের সঙ্গে গাঁটছড়া বেঁধে মসজিদেই খোলা হয়েছে 'মাদার অ্যান্ড চাইল্ড ক্লিনিক'।

  • Share this:

#হায়দরাবাদ: মানবতাই পরম ধর্ম। তা গীতা হোক বা বাইবেল, কোরান হোক বা গ্রন্থসাহেব বা জেন্দ আবেস্তা-সবেতেই এ কথা বলা হয়েছে। কিন্তু তারপরেও ধর্মে ধর্মে হিংসা, হানাহানিতে বারবার জর্জরিত হয়েছে দেশ। আবার বহু নিদর্শনও রয়েছে যেখানে ধর্মের থেকে বড় হয়ে উঠেছে মানবতা। ঠিক যেমনটা ঘটেছে হায়দরাবাদে।

হায়দরাবাদের বহু পুরনো একটি মসজিদেই এ বার থেকে হবে এলাকাবাসীর চিকিৎসা। আমেরিকার SEED সংস্থার অর্থানুকূল্যে চলা হায়দরাবাদের একটি NGO হেল্পিং হ্যান্ড ফাউন্ডেশনের সঙ্গে গাঁটছড়া বেঁধে মসজিদেই খোলা হয়েছে 'মাদার অ্যান্ড চাইল্ড ক্লিনিক'। যেখানে একেবারে বিনামূল্যে চিকিৎসা পাবেন এলাকার সব ধর্মের মা এবং শিশুরা। প্রয়োজনে ল্যাবরেটরিতে যে সমস্ত পরীক্ষা-নিরীক্ষার প্রয়োজন হবে, তাও করাতে পারবেন। সে ক্ষেত্রেও কোনও টাকা দিতে হবে না রোগী এবং তাঁদের পরিবারকে। পাশাপাশি, সেখান থেকেই ১০ বছর পর্যন্ত বয়সী শিশুদের প্রতিদিন বিনামূল্যে দুপুরের খাবার দেওয়া হবে।

TOI-এর রিপোর্ট অনুযায়ী, মসজিদের এই ক্লিনিকে নেবুলাইজেশনের ব্যবস্থা থাকবে। অর্থাৎ শ্বাসকষ্টের রোগীরা সেখানে চিকিৎসা করাতে পারবেন। এছাড়া ড্রেসিং এবং ইনজেকশন দেওয়ার ব্যবস্থা রয়েছে। রাজেন্দ্রনগর মণ্ডলের এমএম পাহাদি, সুলেইমান নগর, চিন্তালমেট, ভোপাল নগর, হাসান নগর, এনটিআর নগর-সহ ৩১টি বস্তির প্রায় ৫ লক্ষ মানুষ এই ক্লিনিকে চিকিৎসার সুযোগ পাবেন। মসজিদ কমিটির অন্যতম প্রধান মুজতবা হাসান আস্কারি জানিয়েছেন, এলাকার গর্ভবতী মহিলাদের যাবতীয় চিকিৎসা, সুষম খাবার এবং সব ধরনের ওষুধের বন্দোবস্ত করা হবে ক্লিনিক থেকে।

মসজিদ কমিটির তরফে জানা গিয়েছে, করোনা বিধি মেনে গোটা ক্লিনিকই পরিচালত হবে মহিলাদের দ্বারা। মাদার অ্যান্ড চাইল্ড ক্লিনিকে থাকবেন একজন জেনারেল ফিজিশিয়ান, একজন শিশুরোগ বিশেষজ্ঞ, দন্ত চিকিৎসক, স্ত্রীরোগ বিশেষজ্ঞ, ডায়েটেশিয়ান এবং প্রশিক্ষিত নার্স। তবে এই ক্লিনিকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হবে, রোগীর অবস্থা খারাপ হলে সে ক্ষেত্রে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার ব্যবস্থা করা হবে।  পাশাপাশি, ক্লিনিকে আসা মাত্রই সকলের শরীরের তাপমাত্রা মাপার পাশাপাশি শরীরে অক্সিজেনের মাত্রা মেপে দেওয়া হবে।

Published by: Shubhagata Dey
First published: August 28, 2020, 1:57 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर